মো: জিসান রহমান, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের সন্তোষে অবস্থিত ঐতিহাসিক মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় তিনি সেখানে পৌঁছে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি ফাতেহা পাঠ করেন এবং দেশ ও জাতির শান্তি, উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। পুরো কর্মসূচিতে ভাসানীর প্রতি শ্রদ্ধা ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব গভীরভাবে ফুটে ওঠে।
মাজার জিয়ারত শেষে প্রধানমন্ত্রী মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) উন্নয়ন সংক্রান্ত ৬ দফা দাবির বিষয়ে ইতিবাচক আশ্বাস দেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উপস্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হলের সংস্কার, নতুন ছাত্রী হল নির্মাণ, কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়াম স্থাপন, কেন্দ্রীয় মসজিদ সম্প্রসারণ, ভাসানীর মাজার ও শাহজামান দীঘির সংস্কার এবং ভাসানী রিসার্চ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা। এসব উন্নয়ন পরিকল্পনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ অবকাঠামো ও গবেষণায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে সফরের রাজনৈতিক অংশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনুসের আহ্বানে অনুষ্ঠিত “জুলাই সনদ” প্রক্রিয়ায় বিএনপি প্রথমদিকে অংশ নেয় এবং পরবর্তীতে সেই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে। তাঁর এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে। এ সময় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সফরের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী মাওলানা ভাসানীর ব্যবহৃত ঐতিহাসিক ঘর পরিদর্শন করেন এবং পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন। এর আগে তিনি ঢাকা থেকে সকালে রওনা দিয়ে টাঙ্গাইলে পৌঁছান এবং দিনব্যাপী কর্মসূচিতে অংশ নেন। কর্মসূচির মধ্যে ছিল কৃষক কার্ড প্রকল্পের উদ্বোধন এবং বৈশাখী কৃষি মেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা। পুরো সফরে ভাসানীর মাজার জিয়ারত, শিক্ষা উন্নয়ন এবং কৃষি উদ্যোগ—সব মিলিয়ে দিনটি ছিল তাৎপর্যপূর্ণ।
আরোও পড়ুন – তারেক রহমানের টাঙ্গাইল সফর ঘিরে কালিয়াকৈরে বিএনপি নেতাকর্মীদের ব্যাপক অবস্থান ও জনসমাগম
ভাসানীর মাজার জিয়ারত শেষে মাভাবিপ্রবি উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ আশ্বাস
মো: জিসান রহমান, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের সন্তোষে অবস্থিত ঐতিহাসিক মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় তিনি সেখানে পৌঁছে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি ফাতেহা পাঠ করেন এবং দেশ ও জাতির শান্তি, উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। পুরো কর্মসূচিতে ভাসানীর প্রতি শ্রদ্ধা ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব গভীরভাবে ফুটে ওঠে।
মাজার জিয়ারত শেষে প্রধানমন্ত্রী মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) উন্নয়ন সংক্রান্ত ৬ দফা দাবির বিষয়ে ইতিবাচক আশ্বাস দেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উপস্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হলের সংস্কার, নতুন ছাত্রী হল নির্মাণ, কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়াম স্থাপন, কেন্দ্রীয় মসজিদ সম্প্রসারণ, ভাসানীর মাজার ও শাহজামান দীঘির সংস্কার এবং ভাসানী রিসার্চ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা। এসব উন্নয়ন পরিকল্পনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ অবকাঠামো ও গবেষণায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে সফরের রাজনৈতিক অংশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনুসের আহ্বানে অনুষ্ঠিত “জুলাই সনদ” প্রক্রিয়ায় বিএনপি প্রথমদিকে অংশ নেয় এবং পরবর্তীতে সেই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে। তাঁর এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে। এ সময় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সফরের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী মাওলানা ভাসানীর ব্যবহৃত ঐতিহাসিক ঘর পরিদর্শন করেন এবং পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন। এর আগে তিনি ঢাকা থেকে সকালে রওনা দিয়ে টাঙ্গাইলে পৌঁছান এবং দিনব্যাপী কর্মসূচিতে অংশ নেন। কর্মসূচির মধ্যে ছিল কৃষক কার্ড প্রকল্পের উদ্বোধন এবং বৈশাখী কৃষি মেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা। পুরো সফরে ভাসানীর মাজার জিয়ারত, শিক্ষা উন্নয়ন এবং কৃষি উদ্যোগ—সব মিলিয়ে দিনটি ছিল তাৎপর্যপূর্ণ।
আরোও পড়ুন – তারেক রহমানের টাঙ্গাইল সফর ঘিরে কালিয়াকৈরে বিএনপি নেতাকর্মীদের ব্যাপক অবস্থান ও জনসমাগম