শহীদুল ইসলাম শরীফ, স্টাফ রিপোটার
ঢাকা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ ১৮ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার নবাবগঞ্জ উপজেলা সফর করেন এবং সরেজমিনে নিউ জেলা পরিষদ মার্কেট পরিদর্শন করেন। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ১৮ দিনের মাথায় মাঠ পর্যায়ের বাস্তব অবস্থা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনের সময় তিনি মার্কেটের চরম অব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘদিনের অনিয়ম দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে জেলা পরিষদ মার্কেট এলাকায় কোনো বৈধ বরাদ্দপত্র, নথিপত্র বা সঠিক প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ না থাকায় তিনি উদ্বেগ জানান।
পরিদর্শনে দেখা যায় জেলা পরিষদ মার্কেটের কোনো দোকানেরই বৈধ বরাদ্দপত্র নেই। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়ীরা সরকারি জায়গায় ব্যবসা পরিচালনা করলেও সরকারি কোষাগারে কোনো ভাড়া জমা দেওয়া হচ্ছে না। এতে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে বলে প্রশাসক মন্তব্য করেন। পাশাপাশি পুরো মার্কেটে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করা হচ্ছে, যা তিনি গুরুতর অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেন। এ ধরনের অনিয়ম চলতে থাকায় জেলা পরিষদ মার্কেট ব্যবস্থাপনা নিয়ে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অনিয়ম ও দখল পরিস্থিতি দেখে প্রশাসক ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন। তিনি ঘোষণা করেন জেলা পরিষদ মার্কেটে থাকা অবৈধ দখলদার ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অবৈধ দোকানগুলো শনাক্ত করে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে এবং প্রয়োজন হলে আইনি নোটিশ প্রদান করা হবে। সরকারি সম্পদ ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহারকারীদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি কঠোরভাবে সতর্ক করেন।
তিনি আরও বলেন সরকারি সম্পদ রক্ষা এবং জনসেবা নিশ্চিত করাই বর্তমান প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। কেরানীগঞ্জ, ধামরাই এবং দোহার-নবাবগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় তিনি ধারাবাহিকভাবে পরিদর্শন চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব পরিদর্শনের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের বাস্তব চিত্র বিশ্লেষণ করা হচ্ছে এবং পর্যায়ক্রমে সব অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ করে জেলা পরিষদ মার্কেট পুনর্গঠন ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা প্রশাসনের অন্যতম অগ্রাধিকার।
এই পরিদর্শনের সময় ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাকসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসকের এই কঠোর অবস্থানে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও অবৈধ দখলদারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দখলদারিত্বের অবসান ঘটবে এবং জেলা পরিষদ মার্কেট পুনরায় শৃঙ্খলিত হবে।
আরোও পড়ুন- পুরান ঢাকায় হাম প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ: ২৪ ঘণ্টায় ৮ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে সংক্রমণ
ভাড়া নেই, নেই বরাদ্দ: নবাবগঞ্জে জেলা পরিষদ মার্কেটে প্রশাসকের ঝটিকা অভিযান
শহীদুল ইসলাম শরীফ, স্টাফ রিপোটার
ঢাকা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ ১৮ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার নবাবগঞ্জ উপজেলা সফর করেন এবং সরেজমিনে নিউ জেলা পরিষদ মার্কেট পরিদর্শন করেন। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ১৮ দিনের মাথায় মাঠ পর্যায়ের বাস্তব অবস্থা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনের সময় তিনি মার্কেটের চরম অব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘদিনের অনিয়ম দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে জেলা পরিষদ মার্কেট এলাকায় কোনো বৈধ বরাদ্দপত্র, নথিপত্র বা সঠিক প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ না থাকায় তিনি উদ্বেগ জানান।
পরিদর্শনে দেখা যায় জেলা পরিষদ মার্কেটের কোনো দোকানেরই বৈধ বরাদ্দপত্র নেই। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়ীরা সরকারি জায়গায় ব্যবসা পরিচালনা করলেও সরকারি কোষাগারে কোনো ভাড়া জমা দেওয়া হচ্ছে না। এতে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে বলে প্রশাসক মন্তব্য করেন। পাশাপাশি পুরো মার্কেটে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করা হচ্ছে, যা তিনি গুরুতর অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেন। এ ধরনের অনিয়ম চলতে থাকায় জেলা পরিষদ মার্কেট ব্যবস্থাপনা নিয়ে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অনিয়ম ও দখল পরিস্থিতি দেখে প্রশাসক ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন। তিনি ঘোষণা করেন জেলা পরিষদ মার্কেটে থাকা অবৈধ দখলদার ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অবৈধ দোকানগুলো শনাক্ত করে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে এবং প্রয়োজন হলে আইনি নোটিশ প্রদান করা হবে। সরকারি সম্পদ ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহারকারীদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি কঠোরভাবে সতর্ক করেন।
তিনি আরও বলেন সরকারি সম্পদ রক্ষা এবং জনসেবা নিশ্চিত করাই বর্তমান প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। কেরানীগঞ্জ, ধামরাই এবং দোহার-নবাবগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় তিনি ধারাবাহিকভাবে পরিদর্শন চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব পরিদর্শনের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের বাস্তব চিত্র বিশ্লেষণ করা হচ্ছে এবং পর্যায়ক্রমে সব অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ করে জেলা পরিষদ মার্কেট পুনর্গঠন ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা প্রশাসনের অন্যতম অগ্রাধিকার।
এই পরিদর্শনের সময় ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাকসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসকের এই কঠোর অবস্থানে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও অবৈধ দখলদারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দখলদারিত্বের অবসান ঘটবে এবং জেলা পরিষদ মার্কেট পুনরায় শৃঙ্খলিত হবে।
আরোও পড়ুন- পুরান ঢাকায় হাম প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ: ২৪ ঘণ্টায় ৮ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে সংক্রমণ