খান মাহদী, বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল ইউনিয়নের উত্তমপুর উত্তর ঢালিবাড়ি এলাকায় অবস্থিত দাড়িয়াল সেতু বর্তমানে চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কোনো ধরনের সংস্কার না হওয়ায় এই দাড়িয়াল সেতুর বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়েছে এবং পিলারগুলো দুর্বল হয়ে গেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। প্রতিদিন শত শত মানুষ এই দাড়িয়াল সেতু দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে, যা এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক তৈরি করেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দাড়িয়াল সেতুর দুই পাশে থাকা রেলিং অনেক আগেই ভেঙে গেছে এবং মাঝের অংশে সিমেন্টের ঢালাই উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্তের কারণে হেঁটে বা সাইকেলে চলাচল করাও অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ পথচারীরা প্রতিদিন এই দাড়িয়াল সেতু ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে, ফলে এটি তাদের জন্য ভয়াবহ দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দাড়িয়াল ইউনিয়নের সাপ্তাহিক হাট-বাজার, ইউনিয়ন পরিষদ এবং ভূমি অফিসে যেতে এই দাড়িয়াল সেতু ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু সেতুটি এতটাই নাজুক হয়ে পড়েছে যে কোনো ধরনের পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। এতে এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। তিন গ্রামের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন এই দাড়িয়াল সেতু পার হয়ে যাতায়াত করে, ফলে এটি এখন এলাকার প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম হলেও ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি।
এলাকাবাসীরা জানান, রাতে দাড়িয়াল সেতু দিয়ে চলাচল আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় গর্ত ও ফাটল দেখা যায় না, যার ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়। ইতোমধ্যে কয়েকজন পথচারী পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, এই দাড়িয়াল সেতু যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটাতে পারে।
দাড়িয়াল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানান, দাড়িয়াল সেতুর বিষয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, তবে এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ জানান, দাড়িয়াল সেতুর বর্তমান অবস্থা পরিদর্শন করে দ্রুত একটি প্রকল্পের মাধ্যমে নতুন সেতু নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এই ঝুঁকিপূর্ণ দাড়িয়াল সেতু সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ না করা হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
আরোও পড়ুন – কুড়িগ্রাম উন্নয়ন: দারিদ্র্য ও নদীভাঙনের দুষ্টচক্র ভাঙতে যোগাযোগ, শিল্পায়ন ও চর ব্যবস্থাপনা জরুরি
বাকেরগঞ্জের দাড়িয়াল সেতু ভয়াবহ ঝুঁকিতে, দ্রুত সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের
খান মাহদী, বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল ইউনিয়নের উত্তমপুর উত্তর ঢালিবাড়ি এলাকায় অবস্থিত দাড়িয়াল সেতু বর্তমানে চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কোনো ধরনের সংস্কার না হওয়ায় এই দাড়িয়াল সেতুর বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়েছে এবং পিলারগুলো দুর্বল হয়ে গেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। প্রতিদিন শত শত মানুষ এই দাড়িয়াল সেতু দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে, যা এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক তৈরি করেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দাড়িয়াল সেতুর দুই পাশে থাকা রেলিং অনেক আগেই ভেঙে গেছে এবং মাঝের অংশে সিমেন্টের ঢালাই উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্তের কারণে হেঁটে বা সাইকেলে চলাচল করাও অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ পথচারীরা প্রতিদিন এই দাড়িয়াল সেতু ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে, ফলে এটি তাদের জন্য ভয়াবহ দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দাড়িয়াল ইউনিয়নের সাপ্তাহিক হাট-বাজার, ইউনিয়ন পরিষদ এবং ভূমি অফিসে যেতে এই দাড়িয়াল সেতু ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু সেতুটি এতটাই নাজুক হয়ে পড়েছে যে কোনো ধরনের পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। এতে এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। তিন গ্রামের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন এই দাড়িয়াল সেতু পার হয়ে যাতায়াত করে, ফলে এটি এখন এলাকার প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম হলেও ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি।
এলাকাবাসীরা জানান, রাতে দাড়িয়াল সেতু দিয়ে চলাচল আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় গর্ত ও ফাটল দেখা যায় না, যার ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়। ইতোমধ্যে কয়েকজন পথচারী পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, এই দাড়িয়াল সেতু যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটাতে পারে।
দাড়িয়াল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানান, দাড়িয়াল সেতুর বিষয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, তবে এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ জানান, দাড়িয়াল সেতুর বর্তমান অবস্থা পরিদর্শন করে দ্রুত একটি প্রকল্পের মাধ্যমে নতুন সেতু নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এই ঝুঁকিপূর্ণ দাড়িয়াল সেতু সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ না করা হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
আরোও পড়ুন – কুড়িগ্রাম উন্নয়ন: দারিদ্র্য ও নদীভাঙনের দুষ্টচক্র ভাঙতে যোগাযোগ, শিল্পায়ন ও চর ব্যবস্থাপনা জরুরি