হামিদুর রহমান সবুজ, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বড় ধরনের একটি মাদক অভিযান পরিচালনা করেছে যৌথ বাহিনী। শনিবার (৯ মে) দিনব্যাপী পরিচালিত এই অভিযানে বিহারী ক্যাম্প এলাকায় হঠাৎ করেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শক্ত অবস্থান লক্ষ্য করা যায়। প্রায় ২০০ সদস্যের সমন্বিত বাহিনী পুরো এলাকায় ঘিরে তল্লাশি অভিযান চালায়, যা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় এই মাদক অভিযান পরিচালিত হয়। জেলা পুলিশ, র্যাব, বিজিবি এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ টিম বিহারী ক্যাম্পের বিভিন্ন এলাকায় একযোগে তল্লাশি চালায়। অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজন বাড়ি, দোকান এবং গোপন স্থাপনাগুলোতে তল্লাশি করা হয়।
অভিযানের সময় মোট ১১ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৬ জনের কাছ থেকে প্রায় ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো— নাজিম, সাগর, ইমন মিয়া, রাহাত মিয়া, রাসেল মিয়া এবং বাবুল মিয়া। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, এই মাদক অভিযান এলাকার দীর্ঘদিনের মাদক সিন্ডিকেট ভাঙতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অন্যদিকে বাকি ৫ জনকে সরাসরি মাদকসহ পাওয়া না গেলেও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের কারণে আটক করা হয়। তারা হলো ফয়সাল মিয়া, জীবন, ওয়াহিদ মিয়া, ফারুক মিয়া এবং বাবু। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে যা ভবিষ্যৎ মাদক অভিযান আরও শক্তিশালী করবে।
যৌথ বাহিনী জানায়, সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় মাদক, কিশোর গ্যাং, ছিনতাই ও অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে। প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে অপরাধীরা আর স্বস্তিতে থাকতে পারবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এই মাদক অভিযান ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে পরিচালিত হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা এই অভিযানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে গিয়েছিল। এই মাদক অভিযান সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা বোধ ফিরিয়ে এনেছে। তারা নিয়মিত এমন অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।
আরোও পড়ুন – নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী আসছেন শুক্রবার নারায়ণগঞ্জে, জুমার নামাজ মাসদাইর মসজিদে
সিদ্ধিরগঞ্জে মাদক অভিযান: যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে মাদকসহ আটক ১১ জন
হামিদুর রহমান সবুজ, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বড় ধরনের একটি মাদক অভিযান পরিচালনা করেছে যৌথ বাহিনী। শনিবার (৯ মে) দিনব্যাপী পরিচালিত এই অভিযানে বিহারী ক্যাম্প এলাকায় হঠাৎ করেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শক্ত অবস্থান লক্ষ্য করা যায়। প্রায় ২০০ সদস্যের সমন্বিত বাহিনী পুরো এলাকায় ঘিরে তল্লাশি অভিযান চালায়, যা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় এই মাদক অভিযান পরিচালিত হয়। জেলা পুলিশ, র্যাব, বিজিবি এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ টিম বিহারী ক্যাম্পের বিভিন্ন এলাকায় একযোগে তল্লাশি চালায়। অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজন বাড়ি, দোকান এবং গোপন স্থাপনাগুলোতে তল্লাশি করা হয়।
অভিযানের সময় মোট ১১ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৬ জনের কাছ থেকে প্রায় ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো— নাজিম, সাগর, ইমন মিয়া, রাহাত মিয়া, রাসেল মিয়া এবং বাবুল মিয়া। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, এই মাদক অভিযান এলাকার দীর্ঘদিনের মাদক সিন্ডিকেট ভাঙতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অন্যদিকে বাকি ৫ জনকে সরাসরি মাদকসহ পাওয়া না গেলেও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের কারণে আটক করা হয়। তারা হলো ফয়সাল মিয়া, জীবন, ওয়াহিদ মিয়া, ফারুক মিয়া এবং বাবু। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে যা ভবিষ্যৎ মাদক অভিযান আরও শক্তিশালী করবে।
যৌথ বাহিনী জানায়, সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় মাদক, কিশোর গ্যাং, ছিনতাই ও অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে। প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে অপরাধীরা আর স্বস্তিতে থাকতে পারবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এই মাদক অভিযান ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে পরিচালিত হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা এই অভিযানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে গিয়েছিল। এই মাদক অভিযান সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা বোধ ফিরিয়ে এনেছে। তারা নিয়মিত এমন অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।
আরোও পড়ুন – নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী আসছেন শুক্রবার নারায়ণগঞ্জে, জুমার নামাজ মাসদাইর মসজিদে