আফতাবুল ইসলাম মেহেরাব, হাইমচর প্রতিনিধিঃ
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার সদর আলগীবাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, অনুমোদনবিহীন ওষুধ এবং চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির অভিযোগে পাঁচটি ফার্মেসিকে মোট ৫৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই অভিযানে আলগীবাজারে অবৈধভাবে দোকান বসানোর দায়ে আব্দুস সালাম নামে আরও একজনকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) আলগীবাজার এলাকায় এ মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করেন হাইমচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নজরুল ইসলাম। অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট ফার্মেসিগুলোতে ওষুধের মেয়াদ, অনুমোদন এবং বিক্রয়সংক্রান্ত বিষয় পরিদর্শন করা হয়।
অভিযান সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, আলগীবাজারের বিভিন্ন ফার্মেসিতে পরিদর্শনের সময় ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের বিভিন্ন বিষয় যাচাই করা হয়। এ সময় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, অনুমোদনবিহীন ওষুধ এবং চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির অভিযোগ উঠে আসে। এসব অনিয়মের কারণে পাঁচটি ফার্মেসিকে পৃথকভাবে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ওপর আরোপিত জরিমানার সম্মিলিত পরিমাণ ৫৭ হাজার টাকা। তবে অভিযানে দণ্ডিত বাকি চারটি ফার্মেসির নাম ও পৃথক জরিমানার পরিমাণ সম্পর্কে সরবরাহ করা তথ্যের মধ্যে বিস্তারিত উল্লেখ নেই। ফলে যাচাইযোগ্য তথ্যের বাইরে গিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম বা জরিমানার অঙ্ক প্রকাশ করা হয়নি।
অভিযানে পলাশ মেডিকেল হলের স্বত্বাধিকারী সুমন দেবনাথকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। ফার্মেসিটিতে ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিয়মনীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছিল কি না, তা পরিদর্শন করা হয়। একই অভিযানে অন্যান্য ফার্মেসিতেও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও অনুমোদনসংক্রান্ত বিষয় পরীক্ষা করা হয়। মোবাইলকোর্ট পরিচালনাকালে কর্তৃপক্ষ ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নিয়ম মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি থেকে বিরত থাকা, অনুমোদনবিহীন ওষুধ না রাখা এবং চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি না করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।
অভিযানের আরেকটি অংশে আলগীবাজারে অবৈধভাবে দোকান বসানোর বিষয়টি নজরে আসে। এ ঘটনায় আব্দুস সালাম নামে এক ব্যক্তিকে ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নজরুল ইসলাম মোবাইলকোর্ট পরিচালনার সময় ওই অর্থদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে বাজার এলাকায় ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়মনীতি অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাজারের দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে বৈধতা, জনসাধারণের চলাচল এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিধিনিষেধ মেনে চলার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও অভিযানের মাধ্যমে সামনে আসে। এতে বাজার এলাকায় নিয়মতান্ত্রিকভাবে ব্যবসা পরিচালনার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সতর্কতা তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ওষুধ মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ায় ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ বা অনুমোদনবিহীন ওষুধ বিক্রির অভিযোগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়। বিশেষ করে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি হলে ওষুধের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ কারণে ফার্মেসি মালিকদের ওষুধের মেয়াদ, অনুমোদন এবং বিক্রয়সংক্রান্ত বিধিনিষেধ সম্পর্কে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। আলগীবাজারে মঙ্গলবারের অভিযানে এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে। মোবাইলকোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়ম না মেনে ওষুধ বিক্রির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের বিষয়টিও স্পষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় বাজারে নিয়মিতভাবে ওষুধ বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করা জরুরি। ওষুধ কেনার সময় ক্রেতাদেরও প্যাকেটের মেয়াদ, ওষুধের নাম ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করার বিষয়ে সচেতন থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ এবং অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা গুরুত্বপূর্ণ। হাইমচরের আলগীবাজারে পরিচালিত এই অভিযানে মোট পাঁচটি ফার্মেসিকে ৫৭ হাজার টাকা এবং অবৈধভাবে দোকান বসানোর দায়ে আব্দুস সালামকে ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের এ ধরনের তদারকি বাজারে ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে নিয়মনীতি অনুসরণের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আরও সতর্ক করতে পারে।
আরোও পড়ুন – হাইমচর আইডিয়াল স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ
হাইমচরে মোবাইলকোর্ট পরিচালনা, ৫ ফার্মেসিকে ৫৭ হাজার টাকা জরিমানা
আফতাবুল ইসলাম মেহেরাব, হাইমচর প্রতিনিধিঃ
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার সদর আলগীবাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, অনুমোদনবিহীন ওষুধ এবং চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির অভিযোগে পাঁচটি ফার্মেসিকে মোট ৫৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই অভিযানে আলগীবাজারে অবৈধভাবে দোকান বসানোর দায়ে আব্দুস সালাম নামে আরও একজনকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) আলগীবাজার এলাকায় এ মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করেন হাইমচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নজরুল ইসলাম। অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট ফার্মেসিগুলোতে ওষুধের মেয়াদ, অনুমোদন এবং বিক্রয়সংক্রান্ত বিষয় পরিদর্শন করা হয়।
অভিযান সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, আলগীবাজারের বিভিন্ন ফার্মেসিতে পরিদর্শনের সময় ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের বিভিন্ন বিষয় যাচাই করা হয়। এ সময় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, অনুমোদনবিহীন ওষুধ এবং চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির অভিযোগ উঠে আসে। এসব অনিয়মের কারণে পাঁচটি ফার্মেসিকে পৃথকভাবে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ওপর আরোপিত জরিমানার সম্মিলিত পরিমাণ ৫৭ হাজার টাকা। তবে অভিযানে দণ্ডিত বাকি চারটি ফার্মেসির নাম ও পৃথক জরিমানার পরিমাণ সম্পর্কে সরবরাহ করা তথ্যের মধ্যে বিস্তারিত উল্লেখ নেই। ফলে যাচাইযোগ্য তথ্যের বাইরে গিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম বা জরিমানার অঙ্ক প্রকাশ করা হয়নি।
অভিযানে পলাশ মেডিকেল হলের স্বত্বাধিকারী সুমন দেবনাথকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। ফার্মেসিটিতে ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিয়মনীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছিল কি না, তা পরিদর্শন করা হয়। একই অভিযানে অন্যান্য ফার্মেসিতেও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও অনুমোদনসংক্রান্ত বিষয় পরীক্ষা করা হয়। মোবাইলকোর্ট পরিচালনাকালে কর্তৃপক্ষ ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নিয়ম মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি থেকে বিরত থাকা, অনুমোদনবিহীন ওষুধ না রাখা এবং চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি না করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।
অভিযানের আরেকটি অংশে আলগীবাজারে অবৈধভাবে দোকান বসানোর বিষয়টি নজরে আসে। এ ঘটনায় আব্দুস সালাম নামে এক ব্যক্তিকে ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নজরুল ইসলাম মোবাইলকোর্ট পরিচালনার সময় ওই অর্থদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে বাজার এলাকায় ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়মনীতি অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাজারের দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে বৈধতা, জনসাধারণের চলাচল এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিধিনিষেধ মেনে চলার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও অভিযানের মাধ্যমে সামনে আসে। এতে বাজার এলাকায় নিয়মতান্ত্রিকভাবে ব্যবসা পরিচালনার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সতর্কতা তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ওষুধ মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ায় ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ বা অনুমোদনবিহীন ওষুধ বিক্রির অভিযোগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়। বিশেষ করে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি হলে ওষুধের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ কারণে ফার্মেসি মালিকদের ওষুধের মেয়াদ, অনুমোদন এবং বিক্রয়সংক্রান্ত বিধিনিষেধ সম্পর্কে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। আলগীবাজারে মঙ্গলবারের অভিযানে এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে। মোবাইলকোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়ম না মেনে ওষুধ বিক্রির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের বিষয়টিও স্পষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় বাজারে নিয়মিতভাবে ওষুধ বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করা জরুরি। ওষুধ কেনার সময় ক্রেতাদেরও প্যাকেটের মেয়াদ, ওষুধের নাম ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করার বিষয়ে সচেতন থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ এবং অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা গুরুত্বপূর্ণ। হাইমচরের আলগীবাজারে পরিচালিত এই অভিযানে মোট পাঁচটি ফার্মেসিকে ৫৭ হাজার টাকা এবং অবৈধভাবে দোকান বসানোর দায়ে আব্দুস সালামকে ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের এ ধরনের তদারকি বাজারে ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে নিয়মনীতি অনুসরণের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আরও সতর্ক করতে পারে।
আরোও পড়ুন – হাইমচর আইডিয়াল স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ