খান মেহেদীঃ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা আবুল হোসেন খান মনে করেন— পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষায় জনগণ আবারও বিএনপির নেতৃত্বে ফিরে যেতে প্রস্তুত। স্থানীয় বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক কর্মিসভায় তিনি উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রত্যয়ে ব্যাপক বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
সভায় তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা, গুম-খুন, মামলা-হামলা এবং প্রশাসনিক চাপের মধ্য দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা লড়াই চালিয়ে গেছেন। দলের প্রতি জনগণের সমর্থন আরও শক্তিশালী হয়েছে। তাঁর দাবি, তাঁকে প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় ধানের শীষকে ঘিরে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে, যা আগামী নির্বাচনের মাঠে বড় ধরনের গণজোয়ারে রূপ নেবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন হবে। BNP ঘোষিত ৩১ দফা এবং রাষ্ট্র সংস্কার রোডম্যাপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পুনরুদ্ধার করা হবে। পাশাপাশি দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আস্থার প্রতিদান দিতে তিনি সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালন করবেন বলেও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সভায় বক্তারা দাবি করেন, দেশে দীর্ঘ সময় ধরে গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত থাকার কারণে মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী পরিস্থিতিতে গণতন্ত্রের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলেও নির্বাচন নিয়ে এক সময় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। পরে তারেক রহমান ও প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের মধ্যে বৈঠকের পর ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা স্পষ্ট হয়।
বক্তৃতায় সাবেক সাংসদ বলেন, এবার জনগণ নিজের ভোট নিজেই দেবে— অন্য কারো পক্ষে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিশ্চিত হলে শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং বিএনপি জনগণের আস্থার প্রতিদান দিতে সক্ষম হবে।
তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে ধানের শীষকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। তাঁর দাবিতে— বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশ শোষণমুক্ত, আধুনিক ও উন্নত রাষ্ট্রের পথে এগিয়ে যাবে এবং অতীতের সমস্ত ক্ষত ও বঞ্চনা দূর হবে।
জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিতে বিএনপির প্রতিশ্রুতি— বললেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খান
খান মেহেদীঃ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা আবুল হোসেন খান মনে করেন— পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষায় জনগণ আবারও বিএনপির নেতৃত্বে ফিরে যেতে প্রস্তুত। স্থানীয় বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক কর্মিসভায় তিনি উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রত্যয়ে ব্যাপক বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
সভায় তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা, গুম-খুন, মামলা-হামলা এবং প্রশাসনিক চাপের মধ্য দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা লড়াই চালিয়ে গেছেন। দলের প্রতি জনগণের সমর্থন আরও শক্তিশালী হয়েছে। তাঁর দাবি, তাঁকে প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় ধানের শীষকে ঘিরে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে, যা আগামী নির্বাচনের মাঠে বড় ধরনের গণজোয়ারে রূপ নেবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন হবে। BNP ঘোষিত ৩১ দফা এবং রাষ্ট্র সংস্কার রোডম্যাপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পুনরুদ্ধার করা হবে। পাশাপাশি দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আস্থার প্রতিদান দিতে তিনি সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালন করবেন বলেও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সভায় বক্তারা দাবি করেন, দেশে দীর্ঘ সময় ধরে গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত থাকার কারণে মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী পরিস্থিতিতে গণতন্ত্রের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলেও নির্বাচন নিয়ে এক সময় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। পরে তারেক রহমান ও প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের মধ্যে বৈঠকের পর ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা স্পষ্ট হয়।
বক্তৃতায় সাবেক সাংসদ বলেন, এবার জনগণ নিজের ভোট নিজেই দেবে— অন্য কারো পক্ষে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিশ্চিত হলে শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং বিএনপি জনগণের আস্থার প্রতিদান দিতে সক্ষম হবে।
তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে ধানের শীষকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। তাঁর দাবিতে— বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশ শোষণমুক্ত, আধুনিক ও উন্নত রাষ্ট্রের পথে এগিয়ে যাবে এবং অতীতের সমস্ত ক্ষত ও বঞ্চনা দূর হবে।