নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
যতই সময় গড়াচ্ছে, ততই ঘনিয়ে আসছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আগামী ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশের মতো নারায়ণগঞ্জ জেলাতেও জমে উঠেছে নির্বাচনী আমেজ। সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ, মনোনয়ন সংগ্রহ ও জমা দেওয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গন সরগরম হয়ে উঠেছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলায় মোট ৫টি সংসদীয় আসন রয়েছে। এসব আসনের বিপরীতে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামি আন্দোলন, জমিয়ত, বিভিন্ন বাম দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ৮৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনটি নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহ আলম। গত ২৯ ডিসেম্বর (সোমবার) দুপুরে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তার মনোনয়নপত্র জমা দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।
আলহাজ্ব শাহ আলম নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন এবং এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তাও অর্জন করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত এ আসনে বিএনপি সরাসরি কোনো প্রার্থী না দিয়ে জোটের শরিক হিসেবে খেজুর গাছ প্রতীকে মনির হোসেন কাসেমীকে মনোনয়ন দেয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের পরই এলাকাবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় আলহাজ্ব শাহ আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
উল্লেখ্য, শিল্পপতি আলহাজ্ব শাহ আলম ২০০৯ সাল থেকে বিএনপির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন। তিনি দলের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা, রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়া এবং মামলা-হামলার সময় ঢাল হয়ে পাশে থাকার জন্য পরিচিত একটি নাম। স্থানীয় পর্যায়ে ফতুল্লার সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখেও তাকে সবসময় পাশে পাওয়া গেছে বলে জানান এলাকাবাসী।
সব মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এবার নির্বাচন হতে যাচ্ছে বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। জোট প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের লড়াই শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, সে দিকেই এখন তাকিয়ে আছে পুরো ফতুল্লাবাসী।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলমের মনোনয়ন জমা
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
যতই সময় গড়াচ্ছে, ততই ঘনিয়ে আসছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আগামী ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশের মতো নারায়ণগঞ্জ জেলাতেও জমে উঠেছে নির্বাচনী আমেজ। সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ, মনোনয়ন সংগ্রহ ও জমা দেওয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গন সরগরম হয়ে উঠেছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলায় মোট ৫টি সংসদীয় আসন রয়েছে। এসব আসনের বিপরীতে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামি আন্দোলন, জমিয়ত, বিভিন্ন বাম দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ৮৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনটি নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহ আলম। গত ২৯ ডিসেম্বর (সোমবার) দুপুরে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তার মনোনয়নপত্র জমা দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।
আলহাজ্ব শাহ আলম নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন এবং এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তাও অর্জন করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত এ আসনে বিএনপি সরাসরি কোনো প্রার্থী না দিয়ে জোটের শরিক হিসেবে খেজুর গাছ প্রতীকে মনির হোসেন কাসেমীকে মনোনয়ন দেয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের পরই এলাকাবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় আলহাজ্ব শাহ আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
উল্লেখ্য, শিল্পপতি আলহাজ্ব শাহ আলম ২০০৯ সাল থেকে বিএনপির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন। তিনি দলের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা, রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়া এবং মামলা-হামলার সময় ঢাল হয়ে পাশে থাকার জন্য পরিচিত একটি নাম। স্থানীয় পর্যায়ে ফতুল্লার সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখেও তাকে সবসময় পাশে পাওয়া গেছে বলে জানান এলাকাবাসী।
সব মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এবার নির্বাচন হতে যাচ্ছে বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। জোট প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের লড়াই শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, সে দিকেই এখন তাকিয়ে আছে পুরো ফতুল্লাবাসী।