এনসিপি-জামায়াত জোটে পরিবর্তন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে নতুন সমীকরণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ-৪ সংসদীয় আসনে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মো. আবদুল জব্বার এ আসন থেকে সংসদ সদস্য প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন।২৯ ডিসেম্বর ( সোমবার) তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ঘোষণার মাধ্যমে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জনসমক্ষে তুলে ধরেন।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই একাধিক রাজনৈতিক দলের তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মাঠে ছিলেন মো. আবদুল জব্বার। তবে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক জোটগত সমঝোতা এবং বৃহত্তর কৌশলগত সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়ে তিনি জানান, সংগঠনের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান রেখেই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকেন্দ্রিক পুরো কার্যক্রমে যেসব নেতাকর্মী, সমর্থক, ছাত্র ও যুব সমাজ নিরলসভাবে কাজ করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও সংগঠনের নীতি ও আদর্শের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল আমিনের নাম চূড়ান্ত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কেন্দ্রীয় নেতা এবং সম্প্রতি জোটের পক্ষ থেকে ওই আসনে মনোনয়ন লাভ করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এনসিপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে জোট গঠনের ফলে আসনটিতে প্রার্থী সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

উল্লেখযোগ্য যে, শাপলা কলি প্রতীকের জাতীয় নাগরিক পার্টি ও দাড়ি পাল্লা প্রতীকের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে জোটগত ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হিসেবে আবদুল জব্বার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। এর ফলে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জোট প্রার্থী হিসেবে অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল আমিনের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। নির্বাচনের মাঠে এখন জোটভিত্তিক কৌশল, ভোটের হিসাব ও রাজনৈতিক সমর্থনের ভারসাম্য কীভাবে গড়ে ওঠে, সে দিকেই নজর স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক মহলের।

এনসিপি-জামায়াত জোটে পরিবর্তন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে নতুন সমীকরণ

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ-৪ সংসদীয় আসনে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মো. আবদুল জব্বার এ আসন থেকে সংসদ সদস্য প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন।২৯ ডিসেম্বর ( সোমবার) তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ঘোষণার মাধ্যমে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জনসমক্ষে তুলে ধরেন।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই একাধিক রাজনৈতিক দলের তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মাঠে ছিলেন মো. আবদুল জব্বার। তবে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক জোটগত সমঝোতা এবং বৃহত্তর কৌশলগত সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়ে তিনি জানান, সংগঠনের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান রেখেই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকেন্দ্রিক পুরো কার্যক্রমে যেসব নেতাকর্মী, সমর্থক, ছাত্র ও যুব সমাজ নিরলসভাবে কাজ করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও সংগঠনের নীতি ও আদর্শের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল আমিনের নাম চূড়ান্ত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কেন্দ্রীয় নেতা এবং সম্প্রতি জোটের পক্ষ থেকে ওই আসনে মনোনয়ন লাভ করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এনসিপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে জোট গঠনের ফলে আসনটিতে প্রার্থী সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

উল্লেখযোগ্য যে, শাপলা কলি প্রতীকের জাতীয় নাগরিক পার্টি ও দাড়ি পাল্লা প্রতীকের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে জোটগত ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হিসেবে আবদুল জব্বার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। এর ফলে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জোট প্রার্থী হিসেবে অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল আমিনের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। নির্বাচনের মাঠে এখন জোটভিত্তিক কৌশল, ভোটের হিসাব ও রাজনৈতিক সমর্থনের ভারসাম্য কীভাবে গড়ে ওঠে, সে দিকেই নজর স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক মহলের।