হালুয়াঘাট প্রতিনিধি: মোস্তফা কামাল জয় | ১৬ এপ্রিল ২০২৬
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে গভীর রাতে এক যুবককে আটক করা এবং পরবর্তীতে সামাজিক দরবারের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগে পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ঘটনাটি বর্তমানে আলোচিত হালুয়াঘাট পরকীয়া কাণ্ড হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৮ বছর আগে ঝলঝলিয়া গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে জুগলী গ্রামের জেসমিনের বিবাহ হয়। বিবাহের কিছুদিন পর জীবিকার তাগিদে সাদ্দাম সৌদি আরবে প্রবাসে যান। বর্তমানে তাদের একটি ৩ বছর বয়সী সন্তান রয়েছে। দীর্ঘ প্রবাস জীবনের কারণে পারিবারিক সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয় বলে এলাকাবাসীর দাবি, যার জেরেই এই হালুয়াঘাট পরকীয়া ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত সোমবার সন্ধ্যায় কুরিয়ার সার্ভিসে কর্মরত হৃদয় হোসেনকে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে সন্দেহজনক অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এরপর তাকে আটক করা হয় এবং প্রবাসীর ভাই শাহজালাল তাকে দা দিয়ে ভয় দেখিয়ে বেঁধে রাখেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং ঘটনাটি আলোচিত হালুয়াঘাট পরকীয়া কাণ্ডে রূপ নেয়।
পরবর্তীতে হৃদয়ের আত্মীয়রা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তাদেরও জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ ওঠে। এরপর তথাকথিত সামাজিক দরবার বসিয়ে হৃদয়ের পরিবারের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ। একইসঙ্গে প্রবাসীর স্ত্রী জেসমিনকে চাপ প্রয়োগ করে তার স্বামীকে একতরফা তালাক দিতে বাধ্য করা হয়েছে বলেও জানা যায়, যা এই হালুয়াঘাট পরকীয়া ঘটনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত প্রায় ছয় মাস ধরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক চলছিল বলে গুঞ্জন রয়েছে। ঘটনার পরপরই প্রবাসীর স্ত্রী জেসমিন এবং অভিযুক্ত যুবক হৃদয় এলাকা ছেড়ে ঢাকায় চলে যান। এ ঘটনার পর এলাকাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল এবং হালুয়াঘাট পরকীয়া ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।
আরোও পড়ুন- হালুয়াঘাটে কাঠের সেতু উদ্বোধন, যাতায়াতে স্বস্তি
হালুয়াঘাটে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে যুবক আটক, সামাজিক দরবারে ১ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ
হালুয়াঘাট প্রতিনিধি: মোস্তফা কামাল জয় | ১৬ এপ্রিল ২০২৬
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে গভীর রাতে এক যুবককে আটক করা এবং পরবর্তীতে সামাজিক দরবারের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগে পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ঘটনাটি বর্তমানে আলোচিত হালুয়াঘাট পরকীয়া কাণ্ড হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৮ বছর আগে ঝলঝলিয়া গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে জুগলী গ্রামের জেসমিনের বিবাহ হয়। বিবাহের কিছুদিন পর জীবিকার তাগিদে সাদ্দাম সৌদি আরবে প্রবাসে যান। বর্তমানে তাদের একটি ৩ বছর বয়সী সন্তান রয়েছে। দীর্ঘ প্রবাস জীবনের কারণে পারিবারিক সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয় বলে এলাকাবাসীর দাবি, যার জেরেই এই হালুয়াঘাট পরকীয়া ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত সোমবার সন্ধ্যায় কুরিয়ার সার্ভিসে কর্মরত হৃদয় হোসেনকে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে সন্দেহজনক অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এরপর তাকে আটক করা হয় এবং প্রবাসীর ভাই শাহজালাল তাকে দা দিয়ে ভয় দেখিয়ে বেঁধে রাখেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং ঘটনাটি আলোচিত হালুয়াঘাট পরকীয়া কাণ্ডে রূপ নেয়।
পরবর্তীতে হৃদয়ের আত্মীয়রা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তাদেরও জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ ওঠে। এরপর তথাকথিত সামাজিক দরবার বসিয়ে হৃদয়ের পরিবারের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ। একইসঙ্গে প্রবাসীর স্ত্রী জেসমিনকে চাপ প্রয়োগ করে তার স্বামীকে একতরফা তালাক দিতে বাধ্য করা হয়েছে বলেও জানা যায়, যা এই হালুয়াঘাট পরকীয়া ঘটনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত প্রায় ছয় মাস ধরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক চলছিল বলে গুঞ্জন রয়েছে। ঘটনার পরপরই প্রবাসীর স্ত্রী জেসমিন এবং অভিযুক্ত যুবক হৃদয় এলাকা ছেড়ে ঢাকায় চলে যান। এ ঘটনার পর এলাকাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল এবং হালুয়াঘাট পরকীয়া ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।