এনায়েত করিম রাজিব
বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
বাগেরহাটে শিশুদের মারাত্মক সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি। জেলার সবগুলো উপজেলায় একযোগে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং ৬ মাস থেকে ৪ বছর ১১ মাস বয়সী শিশুদের টিকার আওতায় আনা হবে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, এই বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম চলবে আগামী ১০ মে পর্যন্ত। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই সময়ের মধ্যে সকল শিশুকে টিকা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে অভিভাবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। টিকা গ্রহণের মাধ্যমে হাম ও রুবেলার মতো মারাত্মক রোগ থেকে শিশুদের সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনা যায়।
এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. আতিয়া খাতুন। সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বলেন, সফলভাবে হাম-রুবেলা টিকাদান বাস্তবায়নে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রদিপ কুমার বকসীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জানানো হয়, শুধু সদর উপজেলাতেই ১৭ হাজার ৩৬১ জন শিশুকে টিকা প্রদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে জেলার মোট কত শিশু এই হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আসবে, তা এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি বলে জানিয়েছে সিভিল সার্জন কার্যালয়। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হবে।
সভায় ডা. প্রদিপ কুমার বকসী বলেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, যা খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে প্রায় ১৮ জন পর্যন্ত সংক্রমিত হতে পারে। তাই হামের লক্ষণ দেখা দিলে আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত আইসোলেশনে রাখা এবং অন্য শিশুদের থেকে দূরে রাখার পরামর্শ দেন তিনি। একইসঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শে হাসপাতালে ভর্তি করার কথাও উল্লেখ করেন।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বাগেরহাট থেকে সম্ভাব্য ৬৭ জন রোগীর নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে চার জনের শরীরে হামের জীবাণু শনাক্ত হয়েছে। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিভাগ জোর দিয়ে বলছে, সময়মতো হাম-রুবেলা টিকাদান সম্পন্ন করা গেলে বড় ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
আরোও পড়ুন – মোরেলগঞ্জে-শরণখোলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ এসএসসি পরীক্ষার্থীরা: জনজীবনে চরম ভোগান্তি
বাগেরহাটে ২০ এপ্রিল থেকে হাম-রুবেলা টিকাদান শুরু, আওতায় আসবে হাজারো শিশু
এনায়েত করিম রাজিব
বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
বাগেরহাটে শিশুদের মারাত্মক সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি। জেলার সবগুলো উপজেলায় একযোগে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং ৬ মাস থেকে ৪ বছর ১১ মাস বয়সী শিশুদের টিকার আওতায় আনা হবে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, এই বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম চলবে আগামী ১০ মে পর্যন্ত। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই সময়ের মধ্যে সকল শিশুকে টিকা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে অভিভাবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। টিকা গ্রহণের মাধ্যমে হাম ও রুবেলার মতো মারাত্মক রোগ থেকে শিশুদের সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনা যায়।
এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. আতিয়া খাতুন। সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বলেন, সফলভাবে হাম-রুবেলা টিকাদান বাস্তবায়নে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রদিপ কুমার বকসীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জানানো হয়, শুধু সদর উপজেলাতেই ১৭ হাজার ৩৬১ জন শিশুকে টিকা প্রদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে জেলার মোট কত শিশু এই হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আসবে, তা এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি বলে জানিয়েছে সিভিল সার্জন কার্যালয়। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হবে।
সভায় ডা. প্রদিপ কুমার বকসী বলেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, যা খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে প্রায় ১৮ জন পর্যন্ত সংক্রমিত হতে পারে। তাই হামের লক্ষণ দেখা দিলে আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত আইসোলেশনে রাখা এবং অন্য শিশুদের থেকে দূরে রাখার পরামর্শ দেন তিনি। একইসঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শে হাসপাতালে ভর্তি করার কথাও উল্লেখ করেন।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বাগেরহাট থেকে সম্ভাব্য ৬৭ জন রোগীর নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে চার জনের শরীরে হামের জীবাণু শনাক্ত হয়েছে। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিভাগ জোর দিয়ে বলছে, সময়মতো হাম-রুবেলা টিকাদান সম্পন্ন করা গেলে বড় ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
আরোও পড়ুন – মোরেলগঞ্জে-শরণখোলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ এসএসসি পরীক্ষার্থীরা: জনজীবনে চরম ভোগান্তি