সালেকুজ্জামান শামীম, মহেশপুর,ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত এলাকায় আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে চোরাচালান চক্র। এরই ধারাবাহিকতায় বিজিবির ৫৮ ব্যাটালিয়ন পৃথক তিনটি সফল অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ, ফেন্সিডিল সিরাপ এবং নিষিদ্ধ ভায়াগ্রা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে। পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করার অংশ হিসেবে পরিচালিত এসব অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলেও এখনো কোনো পাচারকারীকে আটক করা সম্ভব হয়নি। সীমান্তে চলমান এ ধরনের মাদক উদ্ধার অভিযান স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রথম অভিযানে গয়েশপুর বিওপির টহল দল সীমান্ত পিলার ৬৮/৮ এর প্রায় ৩০০ গজ ভেতরে একটি আমবাগানে তল্লাশি চালায়। গত ০২ মে রাত ১২:৪০ মিনিটে পরিচালিত এই অভিযানে ৯০ বোতল ভারতীয় মদ ও মালিকবিহীন অবস্থায় ফেন্সিডিল সিরাপ উদ্ধার করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন হাবিলদার মো. সায়াদ হোসেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সীমান্তপথে গোপনে এসব নিষিদ্ধ পণ্য পাচারের চেষ্টা চলছিল। এ ঘটনায়ও মাদক উদ্ধার কার্যক্রম সফল হলেও চক্রের কাউকে আটক করা যায়নি।
দ্বিতীয় অভিযানে আজ ০৩ মে ভোর ৪টায় সামন্তা বিওপি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সীমান্ত পিলার ৫/৭-২-এস এর প্রায় ৩০০ গজ ভেতরে বেলেহাটি গ্রামের একটি ধানক্ষেতের পাশে তল্লাশি চালিয়ে ২৪ বোতল ভারতীয় WINCEREX সিরাপ উদ্ধার করা হয়। এই মাদক উদ্ধার অভিযানের নেতৃত্ব দেন হাবিলদার মো. শহর আলী। সীমান্তবর্তী এলাকায় এমন সিরাপ পাচারের বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তৃতীয় ও সর্বশেষ অভিযানে মাধবখালী বিওপি এলাকায় সকাল ৭টায় অভিযান পরিচালিত হয়। এই অভিযানে ঘাসের জমিতে লুকিয়ে রাখা ৫৮০ পিস নিষিদ্ধ ভায়াগ্রা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন সুবেদার তরিকুল ইসলাম। বিজিবির ৫৮ ব্যাটালিয়ন জানায়, এই ধরনের মাদক উদ্ধার অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে এবং সীমান্তে কোনো ধরনের চোরাচালান বরদাস্ত করা হবে না। স্থানীয়রা মনে করছেন, এসব অভিযান চোরাকারবারিদের জন্য কঠোর বার্তা হিসেবে কাজ করবে।
বিজিবির সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, মহেশপুর সীমান্ত এলাকা অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় এখানে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, উদ্ধারকৃত সব নিষিদ্ধ পণ্য আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে হস্তান্তর করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে এ ধরনের মাদক উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আরোও পড়ুন- বাগমারায় অ্যালকোহল উদ্ধার, ১২৬০ বোতলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মদ, সিরাপ ও ভায়াগ্রা সহ মাদক উদ্ধার
সালেকুজ্জামান শামীম, মহেশপুর,ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত এলাকায় আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে চোরাচালান চক্র। এরই ধারাবাহিকতায় বিজিবির ৫৮ ব্যাটালিয়ন পৃথক তিনটি সফল অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ, ফেন্সিডিল সিরাপ এবং নিষিদ্ধ ভায়াগ্রা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে। পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করার অংশ হিসেবে পরিচালিত এসব অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলেও এখনো কোনো পাচারকারীকে আটক করা সম্ভব হয়নি। সীমান্তে চলমান এ ধরনের মাদক উদ্ধার অভিযান স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রথম অভিযানে গয়েশপুর বিওপির টহল দল সীমান্ত পিলার ৬৮/৮ এর প্রায় ৩০০ গজ ভেতরে একটি আমবাগানে তল্লাশি চালায়। গত ০২ মে রাত ১২:৪০ মিনিটে পরিচালিত এই অভিযানে ৯০ বোতল ভারতীয় মদ ও মালিকবিহীন অবস্থায় ফেন্সিডিল সিরাপ উদ্ধার করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন হাবিলদার মো. সায়াদ হোসেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সীমান্তপথে গোপনে এসব নিষিদ্ধ পণ্য পাচারের চেষ্টা চলছিল। এ ঘটনায়ও মাদক উদ্ধার কার্যক্রম সফল হলেও চক্রের কাউকে আটক করা যায়নি।
দ্বিতীয় অভিযানে আজ ০৩ মে ভোর ৪টায় সামন্তা বিওপি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সীমান্ত পিলার ৫/৭-২-এস এর প্রায় ৩০০ গজ ভেতরে বেলেহাটি গ্রামের একটি ধানক্ষেতের পাশে তল্লাশি চালিয়ে ২৪ বোতল ভারতীয় WINCEREX সিরাপ উদ্ধার করা হয়। এই মাদক উদ্ধার অভিযানের নেতৃত্ব দেন হাবিলদার মো. শহর আলী। সীমান্তবর্তী এলাকায় এমন সিরাপ পাচারের বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তৃতীয় ও সর্বশেষ অভিযানে মাধবখালী বিওপি এলাকায় সকাল ৭টায় অভিযান পরিচালিত হয়। এই অভিযানে ঘাসের জমিতে লুকিয়ে রাখা ৫৮০ পিস নিষিদ্ধ ভায়াগ্রা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন সুবেদার তরিকুল ইসলাম। বিজিবির ৫৮ ব্যাটালিয়ন জানায়, এই ধরনের মাদক উদ্ধার অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে এবং সীমান্তে কোনো ধরনের চোরাচালান বরদাস্ত করা হবে না। স্থানীয়রা মনে করছেন, এসব অভিযান চোরাকারবারিদের জন্য কঠোর বার্তা হিসেবে কাজ করবে।
বিজিবির সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, মহেশপুর সীমান্ত এলাকা অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় এখানে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, উদ্ধারকৃত সব নিষিদ্ধ পণ্য আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে হস্তান্তর করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে এ ধরনের মাদক উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আরোও পড়ুন- বাগমারায় অ্যালকোহল উদ্ধার, ১২৬০ বোতলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার