ইয়াংছা-কুমারী সড়কে প্রথমবার ডাকাতি ছাড়া ঈদ | লামায় নিরাপত্তায় স্বস্তি

মুহাম্মদ এমরান, বান্দরবান প্রতিনিধিঃ

পার্বত্য বান্দরবানের লামা থানাধীন ইয়াংছা-কুমারী সড়কে প্রথমবারের মতো ডাকাতির ঘটনা ছাড়াই কেটেছে এবারের ঈদ। একসময় ডাকাতদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত এই সড়কটি এখন নিরাপদ, যেখানে মানুষ নির্ভয়ে চলাচল করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অতীতে এই সড়কে প্রায়ই ডাকাতির ঘটনা ঘটত, বিশেষ করে রমজান মাস এলেই বেড়ে যেত অপরাধের মাত্রা। কিন্তু এবারের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
কুমারী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস.আই জামিল আহমেদের যোগদানের পর থেকে ধারাবাহিক অভিযানে ডাকাত দলের সদস্যদের আটক করে জেল হাজতে পাঠানো হয়। এর ফলে এলাকায় অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে এবং এই প্রথম ডাকাতির ঘটনা ছাড়াই ঈদ উদযাপন করতে পেরেছে স্থানীয়রা।

পুলিশের সফল অভিযানে ফিরেছে নিরাপত্তা

নিরাপত্তা নিশ্চিতে এস.আই জামিল আহমেদের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন এএসআই মো. মনসুর রহমান, মো. আনোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে।

স্থানীয়দের মুখে স্বস্তির কথা

বাবুল আহমেদ নামে এক ব্যবসায়ী জানান, “এই প্রথম আমি নির্ভয়ে এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেছি। গত বছর ডাকাতির শিকার হয়ে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিলাম। আগে সন্ধ্যার পর এই সড়কে চলাচল করাই কঠিন ছিল, কিন্তু এবার কোনো ভয় ছাড়াই চলেছি।”
তিনি কুমারী পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান।

ডাকাতির আতঙ্ক থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা

স্থানীয়রা জানান, আগে মাসে কয়েকবার ডাকাতির ঘটনা ঘটত। রমজান মাসে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতো। কিন্তু এবার পুলিশের কঠোর নজরদারি ও অভিযানের কারণে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ পার হয়েছে।

পুলিশের বক্তব্য

কুমারী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস.আই জামিল আহমেদ বলেন, “রমজান মাসের শুরু থেকেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমরা তৎপর ছিলাম। পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম), সহকারী পুলিশ সুপার ও লামা থানার ওসির তদারকির কারণে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।”
তিনি আরও বলেন, পর্যাপ্ত জনবল ও লজিস্টিক সাপোর্ট পেলে ভবিষ্যতেও ডাকাতি প্রতিরোধসহ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত থাকবে।

আরোও পড়ুন – ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ৫ম দিনেও বন্ধ হয়নি, বকশিসের নামে চাঁদাবাজীর অভিযোগ

ইয়াংছা-কুমারী সড়কে প্রথমবার ডাকাতি ছাড়া ঈদ | লামায় নিরাপত্তায় স্বস্তি

মার্চ ২৬, ২০২৬

মুহাম্মদ এমরান, বান্দরবান প্রতিনিধিঃ

পার্বত্য বান্দরবানের লামা থানাধীন ইয়াংছা-কুমারী সড়কে প্রথমবারের মতো ডাকাতির ঘটনা ছাড়াই কেটেছে এবারের ঈদ। একসময় ডাকাতদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত এই সড়কটি এখন নিরাপদ, যেখানে মানুষ নির্ভয়ে চলাচল করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অতীতে এই সড়কে প্রায়ই ডাকাতির ঘটনা ঘটত, বিশেষ করে রমজান মাস এলেই বেড়ে যেত অপরাধের মাত্রা। কিন্তু এবারের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
কুমারী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস.আই জামিল আহমেদের যোগদানের পর থেকে ধারাবাহিক অভিযানে ডাকাত দলের সদস্যদের আটক করে জেল হাজতে পাঠানো হয়। এর ফলে এলাকায় অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে এবং এই প্রথম ডাকাতির ঘটনা ছাড়াই ঈদ উদযাপন করতে পেরেছে স্থানীয়রা।

পুলিশের সফল অভিযানে ফিরেছে নিরাপত্তা

নিরাপত্তা নিশ্চিতে এস.আই জামিল আহমেদের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন এএসআই মো. মনসুর রহমান, মো. আনোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে।

স্থানীয়দের মুখে স্বস্তির কথা

বাবুল আহমেদ নামে এক ব্যবসায়ী জানান, “এই প্রথম আমি নির্ভয়ে এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেছি। গত বছর ডাকাতির শিকার হয়ে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিলাম। আগে সন্ধ্যার পর এই সড়কে চলাচল করাই কঠিন ছিল, কিন্তু এবার কোনো ভয় ছাড়াই চলেছি।”
তিনি কুমারী পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান।

ডাকাতির আতঙ্ক থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা

স্থানীয়রা জানান, আগে মাসে কয়েকবার ডাকাতির ঘটনা ঘটত। রমজান মাসে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতো। কিন্তু এবার পুলিশের কঠোর নজরদারি ও অভিযানের কারণে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ পার হয়েছে।

পুলিশের বক্তব্য

কুমারী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস.আই জামিল আহমেদ বলেন, “রমজান মাসের শুরু থেকেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমরা তৎপর ছিলাম। পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম), সহকারী পুলিশ সুপার ও লামা থানার ওসির তদারকির কারণে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।”
তিনি আরও বলেন, পর্যাপ্ত জনবল ও লজিস্টিক সাপোর্ট পেলে ভবিষ্যতেও ডাকাতি প্রতিরোধসহ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত থাকবে।

আরোও পড়ুন – ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ৫ম দিনেও বন্ধ হয়নি, বকশিসের নামে চাঁদাবাজীর অভিযোগ