রণজিৎপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক মাহাবুবের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ

এনায়েত করীম রাজিব, (বাগেরহাট)

বাগেরহাট সদর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের রণজিৎপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক সরদার মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগ একাধিক ছাত্রী অস্বাভাবিক আচরণ ও অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের করেছেন। নবম ও দশম শ্রেণির একাধিক শিক্ষার্থীর বক্তব্যে উঠে এসেছে, ক্লাস চলাকালীন সময়ে শিক্ষক কর্তৃক অশোভন মন্তব্য, মানসিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি এবং শারীরিকভাবে অস্বস্তিকর আচরণের ঘটনা ঘটেছে বলে তারা দাবি করেছেন। পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগ এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে জানান, শিক্ষক ক্লাসে এসে অনেক সময় ছাত্রীদের সঙ্গে অপ্রাসঙ্গিক আচরণ করেন। তিনি দাবি করেন, কখনো কখনো গায়ে হাত দেওয়ার ঘটনা ঘটে এবং ওড়না ধরে টান দেওয়ার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হয়। এছাড়া চোখে চোখ রেখে অস্বস্তিকর মন্তব্য করা এবং মনের কথা পড়ে নেওয়ার মতো বক্তব্য শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে চাপের মধ্যে ফেলে। এই ধরনের আচরণকে কেন্দ্র করে মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিষয়টি আরও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

অন্য এক নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী জানায়, শিক্ষক প্রায়ই অস্বাভাবিক মন্তব্য করেন যা শ্রেণিকক্ষের পরিবেশকে অস্বস্তিকর করে তোলে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে চোখে চোখ রেখে অদ্ভুত মন্তব্য করা হয় এবং ব্যক্তিগত সীমা লঙ্ঘনের মতো আচরণ লক্ষ্য করা গেছে। এসব কারণে অনেক শিক্ষার্থী ক্লাসে স্বাভাবিকভাবে মনোযোগ দিতে পারছে না বলে অভিযোগ উঠে এসেছে, যা মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগ আরও শক্তিশালী করেছে।

দশম শ্রেণির একাধিক শিক্ষার্থী জানান, শিক্ষক পাঠদানের পরিবর্তে অনেক সময় অপমানজনক মন্তব্য করেন। কেউ পড়া না পারলে তাকে প্রকাশ্যে বিব্রত করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া কিছু শিক্ষার্থী দাবি করেন, শারীরিকভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা বা অপ্রয়োজনীয় স্পর্শের ঘটনাও ঘটেছে। এই ধরনের অভিযোগ বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে এবং মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিষয়টি অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

আরেক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষক অনেক সময় সিঁড়ি বা করিডোরে চলার সময় ঘাড়ে হাত রাখার মতো আচরণ করেন যা শিক্ষার্থীদের কাছে অস্বস্তিকর। একই সঙ্গে কিছু সময় অশালীন কথাবার্তার অভিযোগও উঠেছে। এসব ঘটনায় শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে চাপে রয়েছে এবং তারা বিষয়টি কাউকে প্রকাশ করতে ভয় পাচ্ছে বলে জানা গেছে। এই ধারাবাহিক অভিযোগের কারণে মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগটি এখন আরও গভীরভাবে আলোচিত হচ্ছে।

অন্য এক শিক্ষার্থী জানায়, কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে পরীক্ষায় খারাপ ফলাফল বা স্কুল থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভয় ও চাপ তৈরি করছে বলে দাবি তাদের। শিক্ষার্থীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের আচরণ চললেও তা এখন প্রকাশ্যে এসেছে, যা মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগকে কেন্দ্র করে তদন্তের দাবি আরও জোরালো করেছে।

অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষক সরদার মাহবুবুর রহমানের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি বলে জানা গেছে। এদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকও এ বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে রাজি হননি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনও অনুপস্থিত, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এ ঘটনার পর বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেক অভিভাবক দাবি করছেন, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা উচিত এবং সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। বিশেষ করে মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগ ঘিরে সামাজিকভাবে চাপ তৈরি হয়েছে এবং শিক্ষার পরিবেশ রক্ষার দাবি জোরালো হচ্ছে।

একজন অভিভাবক জানান, তার সন্তান আগে ওই বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করত কিন্তু অভিযোগের কারণে তিনি সন্তানকে অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করেছেন। তার মতে, দীর্ঘদিন ধরে এমন অভিযোগ শোনা গেলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এলাকাবাসীর মধ্যেও একই ধরনের মতামত পাওয়া যাচ্ছে এবং তারা মনে করছেন বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়।

প্রাক্তন এক শিক্ষার্থী জানান, অনেক আগে থেকেই শিক্ষককে নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা ছিল এবং একাধিকবার মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়নি বলে দাবি করা হয়। বর্তমানে আবারও একই ধরনের অভিযোগ সামনে আসায় মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

স্থানীয়ভাবে বিষয়টি এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ দ্রুত তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন। তারা মনে করছেন, যদি অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয় তাহলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি আর না ঘটে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি তবে অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এর সঠিক সমাধান প্রয়োজন।

পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের পরিবেশে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ এবং অভিভাবকদের আস্থা রক্ষার বিষয়টি এখন প্রধান আলোচনায় রয়েছে। মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগ এখন শুধু একটি স্কুলের বিষয় নয়, বরং স্থানীয়ভাবে শিক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

আরোও পড়ুন – নারায়ণগঞ্জের প্রাক্তন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় নারীদের কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ

রণজিৎপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক মাহাবুবের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ

এপ্রিল ২৭, ২০২৬

এনায়েত করীম রাজিব, (বাগেরহাট)

বাগেরহাট সদর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের রণজিৎপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক সরদার মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগ একাধিক ছাত্রী অস্বাভাবিক আচরণ ও অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের করেছেন। নবম ও দশম শ্রেণির একাধিক শিক্ষার্থীর বক্তব্যে উঠে এসেছে, ক্লাস চলাকালীন সময়ে শিক্ষক কর্তৃক অশোভন মন্তব্য, মানসিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি এবং শারীরিকভাবে অস্বস্তিকর আচরণের ঘটনা ঘটেছে বলে তারা দাবি করেছেন। পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগ এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে জানান, শিক্ষক ক্লাসে এসে অনেক সময় ছাত্রীদের সঙ্গে অপ্রাসঙ্গিক আচরণ করেন। তিনি দাবি করেন, কখনো কখনো গায়ে হাত দেওয়ার ঘটনা ঘটে এবং ওড়না ধরে টান দেওয়ার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হয়। এছাড়া চোখে চোখ রেখে অস্বস্তিকর মন্তব্য করা এবং মনের কথা পড়ে নেওয়ার মতো বক্তব্য শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে চাপের মধ্যে ফেলে। এই ধরনের আচরণকে কেন্দ্র করে মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিষয়টি আরও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

অন্য এক নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী জানায়, শিক্ষক প্রায়ই অস্বাভাবিক মন্তব্য করেন যা শ্রেণিকক্ষের পরিবেশকে অস্বস্তিকর করে তোলে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে চোখে চোখ রেখে অদ্ভুত মন্তব্য করা হয় এবং ব্যক্তিগত সীমা লঙ্ঘনের মতো আচরণ লক্ষ্য করা গেছে। এসব কারণে অনেক শিক্ষার্থী ক্লাসে স্বাভাবিকভাবে মনোযোগ দিতে পারছে না বলে অভিযোগ উঠে এসেছে, যা মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগ আরও শক্তিশালী করেছে।

দশম শ্রেণির একাধিক শিক্ষার্থী জানান, শিক্ষক পাঠদানের পরিবর্তে অনেক সময় অপমানজনক মন্তব্য করেন। কেউ পড়া না পারলে তাকে প্রকাশ্যে বিব্রত করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া কিছু শিক্ষার্থী দাবি করেন, শারীরিকভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা বা অপ্রয়োজনীয় স্পর্শের ঘটনাও ঘটেছে। এই ধরনের অভিযোগ বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে এবং মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিষয়টি অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

আরেক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষক অনেক সময় সিঁড়ি বা করিডোরে চলার সময় ঘাড়ে হাত রাখার মতো আচরণ করেন যা শিক্ষার্থীদের কাছে অস্বস্তিকর। একই সঙ্গে কিছু সময় অশালীন কথাবার্তার অভিযোগও উঠেছে। এসব ঘটনায় শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে চাপে রয়েছে এবং তারা বিষয়টি কাউকে প্রকাশ করতে ভয় পাচ্ছে বলে জানা গেছে। এই ধারাবাহিক অভিযোগের কারণে মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগটি এখন আরও গভীরভাবে আলোচিত হচ্ছে।

অন্য এক শিক্ষার্থী জানায়, কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে পরীক্ষায় খারাপ ফলাফল বা স্কুল থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভয় ও চাপ তৈরি করছে বলে দাবি তাদের। শিক্ষার্থীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের আচরণ চললেও তা এখন প্রকাশ্যে এসেছে, যা মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগকে কেন্দ্র করে তদন্তের দাবি আরও জোরালো করেছে।

অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষক সরদার মাহবুবুর রহমানের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি বলে জানা গেছে। এদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকও এ বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে রাজি হননি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনও অনুপস্থিত, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এ ঘটনার পর বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেক অভিভাবক দাবি করছেন, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা উচিত এবং সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। বিশেষ করে মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগ ঘিরে সামাজিকভাবে চাপ তৈরি হয়েছে এবং শিক্ষার পরিবেশ রক্ষার দাবি জোরালো হচ্ছে।

একজন অভিভাবক জানান, তার সন্তান আগে ওই বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করত কিন্তু অভিযোগের কারণে তিনি সন্তানকে অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করেছেন। তার মতে, দীর্ঘদিন ধরে এমন অভিযোগ শোনা গেলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এলাকাবাসীর মধ্যেও একই ধরনের মতামত পাওয়া যাচ্ছে এবং তারা মনে করছেন বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়।

প্রাক্তন এক শিক্ষার্থী জানান, অনেক আগে থেকেই শিক্ষককে নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা ছিল এবং একাধিকবার মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়নি বলে দাবি করা হয়। বর্তমানে আবারও একই ধরনের অভিযোগ সামনে আসায় মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

স্থানীয়ভাবে বিষয়টি এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ দ্রুত তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন। তারা মনে করছেন, যদি অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয় তাহলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি আর না ঘটে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি তবে অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এর সঠিক সমাধান প্রয়োজন।

পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের পরিবেশে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ এবং অভিভাবকদের আস্থা রক্ষার বিষয়টি এখন প্রধান আলোচনায় রয়েছে। মাহাবুবের বিরুদ্ধে অভিযোগ এখন শুধু একটি স্কুলের বিষয় নয়, বরং স্থানীয়ভাবে শিক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

আরোও পড়ুন – নারায়ণগঞ্জের প্রাক্তন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় নারীদের কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ