মুহাঃ এনামুল আহাদ (এনাম), স্টাফ রিপোর্টার (চট্টগ্রাম)
চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সম্মাননা অর্জন করেছেন বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রবিউল হক। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা এবং জনগণবান্ধব পুলিশি সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে মে-২০২৬ মাসের শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে সম্মানিত করা হয়েছে। এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বাঁশখালী থানার সার্বিক কার্যক্রমের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বেরও প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম আনুষ্ঠানিকভাবে ওসি মোঃ রবিউল হকের হাতে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেন। জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তার নেতৃত্ব, কর্মদক্ষতা এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমের বিশেষ প্রশংসা করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই দৃশ্যমান সাফল্য অর্জন করায় তাকে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
থানার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মে মাসে বাঁশখালী থানায় মোট ৪৯টি মামলা রুজু হয় এবং একই সময়ে ৪৯টি মামলার নিষ্পত্তি সম্পন্ন করা হয়। এছাড়া ১২৫টি বিভিন্ন অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ওয়ারেন্ট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। এ সময় ৬০ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয় এবং মোট ১৭৬টি ওয়ারেন্ট কার্যকর করা হয়। পাশাপাশি নিয়মিত মামলায় আরও ৭৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যা থানার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করেছে।
মাদকবিরোধী অভিযানে বাঁশখালী থানা বিশেষ সাফল্য অর্জন করেছে। ওসি মোঃ রবিউল হকের নেতৃত্বে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে ২ হাজার ৫৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ১০০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। এ সংক্রান্ত ৬টি মামলায় ৯ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি মাদক সেবন ও মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমনে ২৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এসব অভিযানের ফলে এলাকায় মাদক ব্যবসা ও সেবনের প্রবণতা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে বাঁশখালী থানা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ঈদকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা জোরদার, নিয়মিত টহল বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি পরিচালনা করা হয়। একইসঙ্গে বিট পুলিশিং সভা, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন এলাকায় চিরুনি অভিযানের মাধ্যমে অপরাধ দমন ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
সম্মাননা পাওয়ার পর বাঁশখালী থানার ওসি মোঃ রবিউল হক বলেন, “এই স্বীকৃতি পাওয়া আমার জন্য এক অনন্য সম্মান ও প্রেরণা। সততা, দায়িত্বশীলতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিই সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। এ অর্জন শুধু আমার একার নয়, এটি আমার সহকর্মী, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় জনগণের আন্তরিক সহযোগিতার ফল। এই সম্মান আমাকে আরও বেশি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে। ভবিষ্যতেও দেশের সেবা এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে নিবেদিত রাখতে চাই।”
বাঁশখালী থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ আরিফ হোসেন বলেন, “বাঁশখালী থানার এই ধারাবাহিক সফলতা থানার প্রতিটি সদস্যের সততা, পেশাদারিত্ব এবং দায়িত্বশীলতার ফল। আমরা জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। এই অর্জনে থানার প্রতিটি সদস্য গর্বিত। ভবিষ্যতেও মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমে আমাদের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে আশা করছি।”
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, ওসি মোঃ রবিউল হকের নেতৃত্বে বাঁশখালী থানার সাফল্য চট্টগ্রাম জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। জনগণের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক উন্নয়ন, দ্রুত সেবা প্রদান এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তার কার্যকর উদ্যোগ সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়িয়েছে। ফলে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে তার এই স্বীকৃতি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ২ মে মোঃ রবিউল হক আনুষ্ঠানিকভাবে বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই অপরাধ দমন, মামলা নিষ্পত্তি, মাদকবিরোধী অভিযান এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে তিনি চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।
আরোও পড়ুন – ফটিকছড়িতে বাসের চাপায় প্রাণ গেল বাবা-ছেলের, ক্ষোভে বাসে আগুন
বাঁশখালী থানার ওসি রবিউল হক চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত
মুহাঃ এনামুল আহাদ (এনাম), স্টাফ রিপোর্টার (চট্টগ্রাম)
চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সম্মাননা অর্জন করেছেন বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রবিউল হক। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা এবং জনগণবান্ধব পুলিশি সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে মে-২০২৬ মাসের শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে সম্মানিত করা হয়েছে। এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বাঁশখালী থানার সার্বিক কার্যক্রমের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বেরও প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম আনুষ্ঠানিকভাবে ওসি মোঃ রবিউল হকের হাতে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেন। জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তার নেতৃত্ব, কর্মদক্ষতা এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমের বিশেষ প্রশংসা করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই দৃশ্যমান সাফল্য অর্জন করায় তাকে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
থানার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মে মাসে বাঁশখালী থানায় মোট ৪৯টি মামলা রুজু হয় এবং একই সময়ে ৪৯টি মামলার নিষ্পত্তি সম্পন্ন করা হয়। এছাড়া ১২৫টি বিভিন্ন অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ওয়ারেন্ট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। এ সময় ৬০ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয় এবং মোট ১৭৬টি ওয়ারেন্ট কার্যকর করা হয়। পাশাপাশি নিয়মিত মামলায় আরও ৭৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যা থানার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করেছে।
মাদকবিরোধী অভিযানে বাঁশখালী থানা বিশেষ সাফল্য অর্জন করেছে। ওসি মোঃ রবিউল হকের নেতৃত্বে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে ২ হাজার ৫৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ১০০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। এ সংক্রান্ত ৬টি মামলায় ৯ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি মাদক সেবন ও মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমনে ২৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এসব অভিযানের ফলে এলাকায় মাদক ব্যবসা ও সেবনের প্রবণতা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে বাঁশখালী থানা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ঈদকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা জোরদার, নিয়মিত টহল বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি পরিচালনা করা হয়। একইসঙ্গে বিট পুলিশিং সভা, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন এলাকায় চিরুনি অভিযানের মাধ্যমে অপরাধ দমন ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
সম্মাননা পাওয়ার পর বাঁশখালী থানার ওসি মোঃ রবিউল হক বলেন, “এই স্বীকৃতি পাওয়া আমার জন্য এক অনন্য সম্মান ও প্রেরণা। সততা, দায়িত্বশীলতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিই সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। এ অর্জন শুধু আমার একার নয়, এটি আমার সহকর্মী, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় জনগণের আন্তরিক সহযোগিতার ফল। এই সম্মান আমাকে আরও বেশি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে। ভবিষ্যতেও দেশের সেবা এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে নিবেদিত রাখতে চাই।”
বাঁশখালী থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ আরিফ হোসেন বলেন, “বাঁশখালী থানার এই ধারাবাহিক সফলতা থানার প্রতিটি সদস্যের সততা, পেশাদারিত্ব এবং দায়িত্বশীলতার ফল। আমরা জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। এই অর্জনে থানার প্রতিটি সদস্য গর্বিত। ভবিষ্যতেও মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমে আমাদের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে আশা করছি।”
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, ওসি মোঃ রবিউল হকের নেতৃত্বে বাঁশখালী থানার সাফল্য চট্টগ্রাম জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। জনগণের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক উন্নয়ন, দ্রুত সেবা প্রদান এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তার কার্যকর উদ্যোগ সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়িয়েছে। ফলে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে তার এই স্বীকৃতি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ২ মে মোঃ রবিউল হক আনুষ্ঠানিকভাবে বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই অপরাধ দমন, মামলা নিষ্পত্তি, মাদকবিরোধী অভিযান এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে তিনি চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।
আরোও পড়ুন – ফটিকছড়িতে বাসের চাপায় প্রাণ গেল বাবা-ছেলের, ক্ষোভে বাসে আগুন