“মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রাম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে”: এমপি নিপুণ রায় চৌধুরী

শহীদুল ইসলাম শরীফ, স্টাফ রিপোর্টারঃ

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দীর্ঘ আন্দোলন, রাজনৈতিক সংগ্রাম ও ত্যাগের স্মরণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কেরানীগঞ্জে স্মরণসভা ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট ২০২৬) বাদ জোহর কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখা বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। বক্তারা তাঁর রাজনৈতিক জীবন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ভূমিকা এবং দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘদিনের সংগ্রামের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

স্মরণসভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁর রাজনৈতিক জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন। এমপি নিপুণ রায় চৌধুরী বলেন, দেশের মানুষের ভোটাধিকার, মানবাধিকার এবং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে খালেদা জিয়ার অবদান দীর্ঘদিন স্মরণ করা হবে। তাঁর মতে, রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা ও চাপের মধ্যেও তিনি জনগণের অধিকার ও দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছিলেন।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ছিল দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের সঙ্গে যুক্ত। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি, আন্দোলন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে তাঁর নেতৃত্ব বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। এমপি নিপুণ রায় চৌধুরী আরও বলেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে খালেদা জিয়ার ভূমিকা শুধু একটি দলের রাজনৈতিক ইতিহাসের অংশ নয়; তাঁর সমর্থকদের কাছে এটি দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তিনি বলেন, জেল-জুলুম ও নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেও খালেদা জিয়া দেশের জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আপসহীন অবস্থান বজায় রেখেছিলেন।

স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে খালেদা জিয়ার দীর্ঘ পথচলার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সময় দলীয় কর্মসূচি ও আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। স্থানীয় নেতারা বলেন, তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ও সাংগঠনিক নেতৃত্ব বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যেও প্রভাব ফেলেছে। কেরানীগঞ্জের এই আয়োজনের মাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মীরা মরহুমা নেত্রীর রাজনৈতিক জীবন ও সংগ্রামকে স্মরণ করেন। পাশাপাশি তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয় এবং ভবিষ্যতে দলীয় আদর্শ ও সাংগঠনিক ঐক্য বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এমপি নিপুণ রায় চৌধুরী বলেন, মরহুমা দেশনেত্রীর আদর্শকে ধারণ করে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার, ন্যায়বিচার ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সচেতন থাকা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্যে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রসঙ্গ উঠে আসে। তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রেখে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কাজ করার আহ্বান জানান। তাঁর ভাষায়, খালেদা জিয়ার রেখে যাওয়া রাজনৈতিক শিক্ষা আগামী দিনের কর্মকাণ্ডে নেতাকর্মীদের জন্য দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।

দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এ সময় দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মানুষের কল্যাণ কামনা করা হয়। অনুষ্ঠানে কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ স্মরণসভা ছিল দলীয় নেতাকর্মীদের জন্য মরহুমা নেত্রীর রাজনৈতিক জীবন ও সংগ্রাম স্মরণ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

আয়োজকরা জানান, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কেরানীগঞ্জে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় দলীয় নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে। এতে স্থানীয় পর্যায়ের বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। বক্তারা খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন অধ্যায় স্মরণ করার পাশাপাশি দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন। অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে মরহুমা নেত্রীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এমপি নিপুণ রায় চৌধুরীসহ উপস্থিত নেতারা তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আরোও পড়ুন – আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া: সংগ্রাম, গণতন্ত্র ও মানুষের ভালোবাসায় এক জীবন্ত ইতিহাস

“মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রাম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে”: এমপি নিপুণ রায় চৌধুরী

আগস্ট ১৫, ২০২৬

শহীদুল ইসলাম শরীফ, স্টাফ রিপোর্টারঃ

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দীর্ঘ আন্দোলন, রাজনৈতিক সংগ্রাম ও ত্যাগের স্মরণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কেরানীগঞ্জে স্মরণসভা ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট ২০২৬) বাদ জোহর কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখা বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। বক্তারা তাঁর রাজনৈতিক জীবন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ভূমিকা এবং দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘদিনের সংগ্রামের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

স্মরণসভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁর রাজনৈতিক জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন। এমপি নিপুণ রায় চৌধুরী বলেন, দেশের মানুষের ভোটাধিকার, মানবাধিকার এবং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে খালেদা জিয়ার অবদান দীর্ঘদিন স্মরণ করা হবে। তাঁর মতে, রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা ও চাপের মধ্যেও তিনি জনগণের অধিকার ও দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছিলেন।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ছিল দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের সঙ্গে যুক্ত। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি, আন্দোলন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে তাঁর নেতৃত্ব বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। এমপি নিপুণ রায় চৌধুরী আরও বলেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে খালেদা জিয়ার ভূমিকা শুধু একটি দলের রাজনৈতিক ইতিহাসের অংশ নয়; তাঁর সমর্থকদের কাছে এটি দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তিনি বলেন, জেল-জুলুম ও নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেও খালেদা জিয়া দেশের জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আপসহীন অবস্থান বজায় রেখেছিলেন।

স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে খালেদা জিয়ার দীর্ঘ পথচলার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সময় দলীয় কর্মসূচি ও আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। স্থানীয় নেতারা বলেন, তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ও সাংগঠনিক নেতৃত্ব বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যেও প্রভাব ফেলেছে। কেরানীগঞ্জের এই আয়োজনের মাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মীরা মরহুমা নেত্রীর রাজনৈতিক জীবন ও সংগ্রামকে স্মরণ করেন। পাশাপাশি তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয় এবং ভবিষ্যতে দলীয় আদর্শ ও সাংগঠনিক ঐক্য বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এমপি নিপুণ রায় চৌধুরী বলেন, মরহুমা দেশনেত্রীর আদর্শকে ধারণ করে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার, ন্যায়বিচার ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সচেতন থাকা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্যে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রসঙ্গ উঠে আসে। তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রেখে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কাজ করার আহ্বান জানান। তাঁর ভাষায়, খালেদা জিয়ার রেখে যাওয়া রাজনৈতিক শিক্ষা আগামী দিনের কর্মকাণ্ডে নেতাকর্মীদের জন্য দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।

দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এ সময় দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মানুষের কল্যাণ কামনা করা হয়। অনুষ্ঠানে কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ স্মরণসভা ছিল দলীয় নেতাকর্মীদের জন্য মরহুমা নেত্রীর রাজনৈতিক জীবন ও সংগ্রাম স্মরণ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

আয়োজকরা জানান, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কেরানীগঞ্জে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় দলীয় নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে। এতে স্থানীয় পর্যায়ের বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। বক্তারা খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন অধ্যায় স্মরণ করার পাশাপাশি দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন। অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে মরহুমা নেত্রীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এমপি নিপুণ রায় চৌধুরীসহ উপস্থিত নেতারা তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আরোও পড়ুন – আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া: সংগ্রাম, গণতন্ত্র ও মানুষের ভালোবাসায় এক জীবন্ত ইতিহাস