লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি, মোঃসেলিম মিয়াঃ
লালমনিরহাট পৌরসভার নবাবেরহাট এলাকায় এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফিরোজ কবির ও লালমনিরহাট জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবিরের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। একই ঘটনায় হামলাকারীদের মারধরে অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির আহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে পৌর শহরের নবাবেরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয় এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে অপর পক্ষের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবিরের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের পৈতৃক জায়গা-জমি নিয়ে অপর পক্ষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। জমি সংক্রান্ত ওই বিরোধ নিয়ে আদালতে মামলাও চলমান রয়েছে বলে তিনি জানান। সোমবার দুপুরে তিনি আদালত চত্বরে অবস্থান করছিলেন। এ সময় বাড়ি থেকে ফোন করে তাকে জানানো হয়, একটি ভেকু মেশিন নিয়ে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন লোক তাদের বাড়ির এলাকায় এসেছে। তারা বাড়িতে ভাঙচুরের চেষ্টা করছে—এমন খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন এবং বাড়িতে ভাঙচুরের কাজে বাধা দেন বলে তার দাবি। এ সময়ই হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগের সূত্রপাত হয়।
হুমায়ুন কবির দাবি করেন, তিনি বাড়িতে গিয়ে ভাঙচুরে বাধা দিলে সেখানে থাকা লোকজন একযোগে তার ওপর হামলা চালায়। তার ভাষ্য, হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তিনি আহত হন এবং বর্তমানে অসুস্থ বোধ করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন বলেও জানান। তার দাবি, বাড়ি থেকে লালমনিরহাট সদর থানা প্রায় এক কিলোমিটার দূরে হলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় নেয়। পরে তিনি চিকিৎসা নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান। এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ঘটনার বিষয়ে লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকার কথা জানান। তবে ঘটনার সময় পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানান তিনি। ওসি বলেন, অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেছিলেন। পুলিশের প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিষয়টি পারিবারিক ও জমি সংক্রান্ত বিরোধের সঙ্গে সম্পৃক্ত। দীর্ঘদিন ধরে অন্যায়ভাবে জমি দখল করে রাখার অভিযোগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে এর আগেও থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল বলে হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন—এমন তথ্যও ওসি জানান।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু পৈতৃক জায়গা-জমি। জমির মালিকানা, দখল কিংবা ব্যবহার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ থাকলে সেটি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে উঠে এসেছে। তবে সোমবারের ঘটনার ক্ষেত্রে কারা ভেকু মেশিন নিয়ে সেখানে গিয়েছিলেন, তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং তারা ঠিক কী ধরনের স্থাপনা বা বাড়ির অংশে ভাঙচুরের চেষ্টা করেছেন—এসব বিষয়ে পুলিশি তদন্ত ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগের পাশাপাশি আহত হওয়ার বিষয়টিও অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে উঠে এসেছে; এর সত্যতা তদন্তের পর স্পষ্ট হবে।
এদিকে, ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের সংঘাত যাতে আরও বড় আকার ধারণ না করে, সে বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে আদালতে মামলা চলমান থাকার কথা জানানো হওয়ায় বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে আইন নিজের হাতে না নিয়ে আদালত ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে সমাধানের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত ছাড়া চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা না করার বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
অভিযোগের বিষয়ে অপর পক্ষের বক্তব্য জানতে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে তারা ঘটনাটি সম্পর্কে কী বলছেন বা হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগের বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য আছে কি না, তা জানা যায়নি। পুলিশের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন বা লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি। এ ঘটনায় অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির চিকিৎসা নেবেন এবং পরবর্তী সময়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ বা মামলা হলে ঘটনার প্রকৃত কারণ, জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য সামনে আসতে পারে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য, পুলিশি তদন্ত এবং পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপের ওপরই ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতি নির্ভর করছে। বর্তমানে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা থাকায় স্থানীয়ভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। কোনো পক্ষের অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে সিদ্ধান্তে না গিয়ে তদন্তের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করাই যুক্তিযুক্ত। পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি আইন অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হবে। ফলে সোমবারের ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগের সঙ্গে কারা জড়িত—তা তদন্তের পরই নিশ্চিতভাবে জানা সম্ভব হবে।
আরোও পড়ুন – অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক: উত্তরবঙ্গে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় লালমনিরহাটেও সতর্কতা
লালমনিরহাটে এবি পার্টির নেতার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ
লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি, মোঃসেলিম মিয়াঃ
লালমনিরহাট পৌরসভার নবাবেরহাট এলাকায় এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফিরোজ কবির ও লালমনিরহাট জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবিরের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। একই ঘটনায় হামলাকারীদের মারধরে অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির আহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে পৌর শহরের নবাবেরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয় এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে অপর পক্ষের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবিরের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের পৈতৃক জায়গা-জমি নিয়ে অপর পক্ষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। জমি সংক্রান্ত ওই বিরোধ নিয়ে আদালতে মামলাও চলমান রয়েছে বলে তিনি জানান। সোমবার দুপুরে তিনি আদালত চত্বরে অবস্থান করছিলেন। এ সময় বাড়ি থেকে ফোন করে তাকে জানানো হয়, একটি ভেকু মেশিন নিয়ে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন লোক তাদের বাড়ির এলাকায় এসেছে। তারা বাড়িতে ভাঙচুরের চেষ্টা করছে—এমন খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন এবং বাড়িতে ভাঙচুরের কাজে বাধা দেন বলে তার দাবি। এ সময়ই হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগের সূত্রপাত হয়।
হুমায়ুন কবির দাবি করেন, তিনি বাড়িতে গিয়ে ভাঙচুরে বাধা দিলে সেখানে থাকা লোকজন একযোগে তার ওপর হামলা চালায়। তার ভাষ্য, হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তিনি আহত হন এবং বর্তমানে অসুস্থ বোধ করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন বলেও জানান। তার দাবি, বাড়ি থেকে লালমনিরহাট সদর থানা প্রায় এক কিলোমিটার দূরে হলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় নেয়। পরে তিনি চিকিৎসা নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান। এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ঘটনার বিষয়ে লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকার কথা জানান। তবে ঘটনার সময় পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানান তিনি। ওসি বলেন, অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেছিলেন। পুলিশের প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিষয়টি পারিবারিক ও জমি সংক্রান্ত বিরোধের সঙ্গে সম্পৃক্ত। দীর্ঘদিন ধরে অন্যায়ভাবে জমি দখল করে রাখার অভিযোগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে এর আগেও থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল বলে হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন—এমন তথ্যও ওসি জানান।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু পৈতৃক জায়গা-জমি। জমির মালিকানা, দখল কিংবা ব্যবহার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ থাকলে সেটি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে উঠে এসেছে। তবে সোমবারের ঘটনার ক্ষেত্রে কারা ভেকু মেশিন নিয়ে সেখানে গিয়েছিলেন, তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং তারা ঠিক কী ধরনের স্থাপনা বা বাড়ির অংশে ভাঙচুরের চেষ্টা করেছেন—এসব বিষয়ে পুলিশি তদন্ত ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগের পাশাপাশি আহত হওয়ার বিষয়টিও অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে উঠে এসেছে; এর সত্যতা তদন্তের পর স্পষ্ট হবে।
এদিকে, ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের সংঘাত যাতে আরও বড় আকার ধারণ না করে, সে বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে আদালতে মামলা চলমান থাকার কথা জানানো হওয়ায় বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে আইন নিজের হাতে না নিয়ে আদালত ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে সমাধানের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত ছাড়া চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা না করার বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
অভিযোগের বিষয়ে অপর পক্ষের বক্তব্য জানতে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে তারা ঘটনাটি সম্পর্কে কী বলছেন বা হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগের বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য আছে কি না, তা জানা যায়নি। পুলিশের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন বা লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি। এ ঘটনায় অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির চিকিৎসা নেবেন এবং পরবর্তী সময়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ বা মামলা হলে ঘটনার প্রকৃত কারণ, জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য সামনে আসতে পারে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য, পুলিশি তদন্ত এবং পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপের ওপরই ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতি নির্ভর করছে। বর্তমানে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা থাকায় স্থানীয়ভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। কোনো পক্ষের অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে সিদ্ধান্তে না গিয়ে তদন্তের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করাই যুক্তিযুক্ত। পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি আইন অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হবে। ফলে সোমবারের ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগের সঙ্গে কারা জড়িত—তা তদন্তের পরই নিশ্চিতভাবে জানা সম্ভব হবে।
আরোও পড়ুন – অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক: উত্তরবঙ্গে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় লালমনিরহাটেও সতর্কতা