মাধবদীতে আমেনা হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন, সৎ পিতাসহ গ্রেফতার ৯

নাহিদ হাসান, নরসিংদী প্রতিনিধিঃ

নরসিংদীর মাধবদী থানার আলোচিত আমেনা হত্যা মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। এ ঘটনায় ভিকটিমের সৎ পিতাসহ মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ভিকটিম আমেনাকে হত্যা করা হয়। তদন্তে উঠে আসে, ভিকটিমের সৎ পিতা মোঃ আশরাফ আলী তাকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করেন।

আমেনা হত্যা মামলায় সৎ পিতার স্বীকারোক্তি

তদন্তে গ্রেফতার হওয়া আশরাফ আলী আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানান, ভিকটিমের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিরক্ত ছিলেন। সামাজিকভাবে অপমানিত হওয়ার কারণ দেখিয়ে তিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সংশ্লিষ্ট আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।

ধর্ষণের অভিযোগের তথ্য

তদন্তে আরও জানা যায়, আমেনা হত্যা ঘটনার প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন আগে কয়েকজন অভিযুক্ত ভিকটিমকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় হযরত আলী, এবাদুল্লাহ, জামান ও গাফফারসহ কয়েকজনের নাম উঠে আসে।

পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রেমিক নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরাকে গাজীপুরের মাওনা এলাকা থেকে এবং আরেক অভিযুক্ত হযরত আলীকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।

মোট গ্রেফতার ৯ জন

আলোচিত আমেনা হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা, এবাদুল্লাহ, হযরত আলী, গাফফার, আহাম্মদ আলী মেম্বার, ইমরান দেওয়ান, আইয়ুব, ইছাহাক ওরফে ইছা এবং ভিকটিমের সৎ পিতা আশরাফ আলী।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আশরাফ আলী, নূর মোহাম্মদ এবং হযরত আলী ইতোমধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলা ও আইনি প্রক্রিয়া

ঘটনার পর মাধবদী থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় দায়ের করা হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, মাধবদী থানার মামলা নম্বর ২৫, তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। এতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৭/৯(৩)৩০ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩৪১, ৩৬১, ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আমেনা হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরোও পড়ুন – নওগাঁর পোরশায় স্কুলছাত্রীর হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার তিন

মাধবদীতে আমেনা হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন, সৎ পিতাসহ গ্রেফতার ৯

মার্চ ৭, ২০২৬

নাহিদ হাসান, নরসিংদী প্রতিনিধিঃ

নরসিংদীর মাধবদী থানার আলোচিত আমেনা হত্যা মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। এ ঘটনায় ভিকটিমের সৎ পিতাসহ মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ভিকটিম আমেনাকে হত্যা করা হয়। তদন্তে উঠে আসে, ভিকটিমের সৎ পিতা মোঃ আশরাফ আলী তাকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করেন।

আমেনা হত্যা মামলায় সৎ পিতার স্বীকারোক্তি

তদন্তে গ্রেফতার হওয়া আশরাফ আলী আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানান, ভিকটিমের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিরক্ত ছিলেন। সামাজিকভাবে অপমানিত হওয়ার কারণ দেখিয়ে তিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সংশ্লিষ্ট আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।

ধর্ষণের অভিযোগের তথ্য

তদন্তে আরও জানা যায়, আমেনা হত্যা ঘটনার প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন আগে কয়েকজন অভিযুক্ত ভিকটিমকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় হযরত আলী, এবাদুল্লাহ, জামান ও গাফফারসহ কয়েকজনের নাম উঠে আসে।

পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রেমিক নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরাকে গাজীপুরের মাওনা এলাকা থেকে এবং আরেক অভিযুক্ত হযরত আলীকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।

মোট গ্রেফতার ৯ জন

আলোচিত আমেনা হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা, এবাদুল্লাহ, হযরত আলী, গাফফার, আহাম্মদ আলী মেম্বার, ইমরান দেওয়ান, আইয়ুব, ইছাহাক ওরফে ইছা এবং ভিকটিমের সৎ পিতা আশরাফ আলী।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আশরাফ আলী, নূর মোহাম্মদ এবং হযরত আলী ইতোমধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলা ও আইনি প্রক্রিয়া

ঘটনার পর মাধবদী থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় দায়ের করা হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, মাধবদী থানার মামলা নম্বর ২৫, তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। এতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৭/৯(৩)৩০ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩৪১, ৩৬১, ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আমেনা হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরোও পড়ুন – নওগাঁর পোরশায় স্কুলছাত্রীর হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার তিন