মো: কৌশিক সাজিদ পিয়াল (বিভাগীয় ব্যুরো চীফ)
টাঙ্গাইলে ভূমিসেবায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানো, দাপ্তরিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে প্রশাসনিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এর অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদ কালেক্টরেটের বিভিন্ন দাপ্তরিক কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। একই দিনে তিনি জেলা পরিবার পরিকল্পনা কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি সেবার মান যাচাই, সেবাপ্রার্থীদের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কার্যক্রম আরও জনবান্ধব করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল ৩টায় জেলা প্রশাসক কালেক্টরেটের এসএ শাখা এবং ভূমিসেবা ও সহায়তা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোর দৈনন্দিন কার্যক্রম, সেবা প্রদানের পদ্ধতি এবং ভূমিসেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। সরকারি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে মানুষ কী ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন, কোথায় সময় বেশি লাগছে এবং কোন প্রক্রিয়ায় সেবাপ্রাপ্তি আরও সহজ করা সম্ভব—এসব বিষয় পর্যালোচনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ভূমিসংক্রান্ত সেবা নিতে আসা মানুষের অযথা হয়রানি ও ভোগান্তি কমানোর ওপর জোর দেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সেবাপ্রার্থীদের প্রয়োজনীয় তথ্য সহজভাবে জানানো, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা এবং কাজের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব এড়িয়ে চলার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। ভূমিসেবা মানুষের দৈনন্দিন জীবন, সম্পত্তির অধিকার এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক প্রয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় এ খাতে দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
সাধারণ মানুষ যেন সরকারি দপ্তরে এসে সম্মানজনক আচরণ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পান, সে বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ, সঠিক তথ্য প্রদান এবং অভিযোগ বা সমস্যার বিষয়ে যথাযথভাবে সাড়া দেওয়া জনবান্ধব প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ধরনের পরিদর্শনের মাধ্যমে দাপ্তরিক সেবার বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া এবং সেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ চিহ্নিত করা সম্ভব। তবে পরিদর্শনের ফলে কী কী নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বা কতটি সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে একই দিন বিকেল সাড়ে ৩টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ। এতে জেলার পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের অগ্রগতি, মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবার মান এবং জনগণের কাছে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হয়। পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসূ করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়, নিয়মিত তদারকি এবং মাঠপর্যায়ের সেবার বাস্তব চিত্র বিবেচনায় নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
সভায় পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাতৃ ও শিশুমৃত্যু কমাতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। পরিকল্পিত পরিবার গঠন, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং প্রজননস্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক তথ্যপ্রাপ্তি একটি সুস্থ সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ থাকা জরুরি। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যতথ্য পৌঁছে দেওয়া এবং সেবা গ্রহণে উৎসাহিত করার জন্য সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পরিবার পরিকল্পনাসংক্রান্ত কার্যক্রম যেন শুধু দাপ্তরিক নথিপত্র বা আনুষ্ঠানিক সভার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং জনগণের বাস্তব চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখে—এমন দৃষ্টিভঙ্গির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। মাঠপর্যায়ে সেবার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং সরকারি সেবার কার্যকারিতা মূল্যায়ন এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ দিক। তবে সভায় উপস্থিত অন্যান্য কর্মকর্তার নাম, গৃহীত সিদ্ধান্তের বিস্তারিত বিবরণ কিংবা নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রশাসনিক সেবার মান উন্নয়ন ও স্বাস্থ্যসেবার সুফল তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে নিয়মিত তদারকি এবং দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভূমিসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, দ্রুততা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যেমন জরুরি, তেমনি পরিবার পরিকল্পনা ও মাতৃস্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে সচেতনতা এবং সহজলভ্য সেবা নিশ্চিত করাও প্রয়োজন। এসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর ধারাবাহিক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।
টাঙ্গাইলে কালেক্টরেটের দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিদর্শন এবং জেলা পরিবার পরিকল্পনা কমিটির সভা—দুটি উদ্যোগের মূল লক্ষ্য সরকারি সেবাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করা। এসব উদ্যোগের বাস্তব সুফল নির্ভর করবে গৃহীত নির্দেশনার যথাযথ বাস্তবায়ন, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং সেবাপ্রার্থীদের সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কার্যকর ভূমিকার ওপর। সাধারণ মানুষের কাছে দ্রুত, স্বচ্ছ ও মানসম্মত সেবা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে জনসেবায় আস্থা বৃদ্ধি করা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরোও পড়ুন – ফাইতংয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১৩ মামলায় ২৯ লাখ টাকা জরিমানা
টাঙ্গাইলে জনসেবার মান যাচাইয়ে পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক
মো: কৌশিক সাজিদ পিয়াল (বিভাগীয় ব্যুরো চীফ)
টাঙ্গাইলে ভূমিসেবায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানো, দাপ্তরিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে প্রশাসনিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এর অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদ কালেক্টরেটের বিভিন্ন দাপ্তরিক কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। একই দিনে তিনি জেলা পরিবার পরিকল্পনা কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি সেবার মান যাচাই, সেবাপ্রার্থীদের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কার্যক্রম আরও জনবান্ধব করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল ৩টায় জেলা প্রশাসক কালেক্টরেটের এসএ শাখা এবং ভূমিসেবা ও সহায়তা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোর দৈনন্দিন কার্যক্রম, সেবা প্রদানের পদ্ধতি এবং ভূমিসেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। সরকারি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে মানুষ কী ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন, কোথায় সময় বেশি লাগছে এবং কোন প্রক্রিয়ায় সেবাপ্রাপ্তি আরও সহজ করা সম্ভব—এসব বিষয় পর্যালোচনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ভূমিসংক্রান্ত সেবা নিতে আসা মানুষের অযথা হয়রানি ও ভোগান্তি কমানোর ওপর জোর দেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সেবাপ্রার্থীদের প্রয়োজনীয় তথ্য সহজভাবে জানানো, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা এবং কাজের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব এড়িয়ে চলার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। ভূমিসেবা মানুষের দৈনন্দিন জীবন, সম্পত্তির অধিকার এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক প্রয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় এ খাতে দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
সাধারণ মানুষ যেন সরকারি দপ্তরে এসে সম্মানজনক আচরণ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পান, সে বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ, সঠিক তথ্য প্রদান এবং অভিযোগ বা সমস্যার বিষয়ে যথাযথভাবে সাড়া দেওয়া জনবান্ধব প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ধরনের পরিদর্শনের মাধ্যমে দাপ্তরিক সেবার বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া এবং সেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ চিহ্নিত করা সম্ভব। তবে পরিদর্শনের ফলে কী কী নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বা কতটি সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে একই দিন বিকেল সাড়ে ৩টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ। এতে জেলার পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের অগ্রগতি, মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবার মান এবং জনগণের কাছে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হয়। পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসূ করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়, নিয়মিত তদারকি এবং মাঠপর্যায়ের সেবার বাস্তব চিত্র বিবেচনায় নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
সভায় পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাতৃ ও শিশুমৃত্যু কমাতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। পরিকল্পিত পরিবার গঠন, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং প্রজননস্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক তথ্যপ্রাপ্তি একটি সুস্থ সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ থাকা জরুরি। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যতথ্য পৌঁছে দেওয়া এবং সেবা গ্রহণে উৎসাহিত করার জন্য সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পরিবার পরিকল্পনাসংক্রান্ত কার্যক্রম যেন শুধু দাপ্তরিক নথিপত্র বা আনুষ্ঠানিক সভার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং জনগণের বাস্তব চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখে—এমন দৃষ্টিভঙ্গির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। মাঠপর্যায়ে সেবার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং সরকারি সেবার কার্যকারিতা মূল্যায়ন এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ দিক। তবে সভায় উপস্থিত অন্যান্য কর্মকর্তার নাম, গৃহীত সিদ্ধান্তের বিস্তারিত বিবরণ কিংবা নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রশাসনিক সেবার মান উন্নয়ন ও স্বাস্থ্যসেবার সুফল তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে নিয়মিত তদারকি এবং দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভূমিসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, দ্রুততা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যেমন জরুরি, তেমনি পরিবার পরিকল্পনা ও মাতৃস্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে সচেতনতা এবং সহজলভ্য সেবা নিশ্চিত করাও প্রয়োজন। এসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর ধারাবাহিক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।
টাঙ্গাইলে কালেক্টরেটের দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিদর্শন এবং জেলা পরিবার পরিকল্পনা কমিটির সভা—দুটি উদ্যোগের মূল লক্ষ্য সরকারি সেবাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করা। এসব উদ্যোগের বাস্তব সুফল নির্ভর করবে গৃহীত নির্দেশনার যথাযথ বাস্তবায়ন, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং সেবাপ্রার্থীদের সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কার্যকর ভূমিকার ওপর। সাধারণ মানুষের কাছে দ্রুত, স্বচ্ছ ও মানসম্মত সেবা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে জনসেবায় আস্থা বৃদ্ধি করা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরোও পড়ুন – ফাইতংয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১৩ মামলায় ২৯ লাখ টাকা জরিমানা