সন্তোষ-টাঙ্গাইল সড়কের বেহাল দশায় ভোগান্তি, ব্যক্তিগত উদ্যোগে মেরামতে ছাত্রদল নেতারা

মো: জিসান রহমান, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ

দীর্ঘদিন ধরে টাঙ্গাইলের সন্তোষ-টাঙ্গাইল সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষ। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত, ভাঙাচোরা অংশ ও জমে থাকা পানির কারণে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি এ সড়কে ঘটে একটি বড় দুর্ঘটনা, যাতে একাধিক ব্যক্তি আহত হন। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) সড়কটির সংস্কারে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এতে সড়কটি এখন প্রায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের কাগমারী থেকে সন্তোষ পর্যন্ত রাস্তার কিছু অংশ ব্যক্তিগত উদ্যোগে মেরামত করেছেন মাভাবিপ্রবি ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম উসমান এবং শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক ওয়াসিফ বিন মাহমুদ অয়ন।

শামীম উসমান বলেন,

“আপনারা সবাই জানেন, কাগমারী থেকে সন্তোষ পর্যন্ত রাস্তাটির অবস্থা খুবই খারাপ। প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটছে। সড়ক কর্তৃপক্ষ যতদিন এটি সংস্কার না করে, ততদিন একজন ছাত্রদল কর্মী হিসেবে ব্যক্তিগত উদ্যোগে রাস্তার কিছুটা সংস্কার করেছি। ধাপে ধাপে বাকি অংশও মেরামতের চেষ্টা করব।”

অন্যদিকে, ওয়াসিফ বিন মাহমুদ অয়ন বলেন,

“আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের রাস্তাটির অবস্থা একদম বেহাল। প্রতিদিন কেউ না কেউ দুর্ঘটনায় আহত হচ্ছে। এলজিইডির সঙ্গে কথা বলার পর তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তাটি মেরামতের আশ্বাস দিয়েছেন। ততদিন পর্যন্ত আমি ব্যক্তিগতভাবে রাস্তার কিছু অংশ মেরামতের চেষ্টা করেছি, যেন শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারেন।”

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে। সেখানে তারা দ্রুত কাগমারী থেকে সন্তোষ পর্যন্ত সড়কটির সংস্কার কার্যক্রম শুরু করার দাবি জানিয়েছে।

স্থানীয়রা বলেন, ছাত্রনেতাদের এ মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও সড়কটির স্থায়ী সংস্কার এখন সময়ের দাবি। তারা দ্রুত সড়ক সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।পরিতক্ত যাত্রী ছাউনি বসার উপযোগী করলেন ছাত্রদল নেতা সবুজ।

সন্তোষ-টাঙ্গাইল সড়কের বেহাল দশায় ভোগান্তি, ব্যক্তিগত উদ্যোগে মেরামতে ছাত্রদল নেতারা

নভেম্বর ৪, ২০২৫

মো: জিসান রহমান, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ

দীর্ঘদিন ধরে টাঙ্গাইলের সন্তোষ-টাঙ্গাইল সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষ। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত, ভাঙাচোরা অংশ ও জমে থাকা পানির কারণে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি এ সড়কে ঘটে একটি বড় দুর্ঘটনা, যাতে একাধিক ব্যক্তি আহত হন। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) সড়কটির সংস্কারে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এতে সড়কটি এখন প্রায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের কাগমারী থেকে সন্তোষ পর্যন্ত রাস্তার কিছু অংশ ব্যক্তিগত উদ্যোগে মেরামত করেছেন মাভাবিপ্রবি ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম উসমান এবং শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক ওয়াসিফ বিন মাহমুদ অয়ন।

শামীম উসমান বলেন,

“আপনারা সবাই জানেন, কাগমারী থেকে সন্তোষ পর্যন্ত রাস্তাটির অবস্থা খুবই খারাপ। প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটছে। সড়ক কর্তৃপক্ষ যতদিন এটি সংস্কার না করে, ততদিন একজন ছাত্রদল কর্মী হিসেবে ব্যক্তিগত উদ্যোগে রাস্তার কিছুটা সংস্কার করেছি। ধাপে ধাপে বাকি অংশও মেরামতের চেষ্টা করব।”

অন্যদিকে, ওয়াসিফ বিন মাহমুদ অয়ন বলেন,

“আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের রাস্তাটির অবস্থা একদম বেহাল। প্রতিদিন কেউ না কেউ দুর্ঘটনায় আহত হচ্ছে। এলজিইডির সঙ্গে কথা বলার পর তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তাটি মেরামতের আশ্বাস দিয়েছেন। ততদিন পর্যন্ত আমি ব্যক্তিগতভাবে রাস্তার কিছু অংশ মেরামতের চেষ্টা করেছি, যেন শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারেন।”

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে। সেখানে তারা দ্রুত কাগমারী থেকে সন্তোষ পর্যন্ত সড়কটির সংস্কার কার্যক্রম শুরু করার দাবি জানিয়েছে।

স্থানীয়রা বলেন, ছাত্রনেতাদের এ মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও সড়কটির স্থায়ী সংস্কার এখন সময়ের দাবি। তারা দ্রুত সড়ক সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।পরিতক্ত যাত্রী ছাউনি বসার উপযোগী করলেন ছাত্রদল নেতা সবুজ।