নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
শ্রীনগরে সাংবাদিকতার মানহানি ঘটিয়ে প্রকাশিত একটি ভুয়া প্রতিবেদনের প্রতিবাদে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ একত্রিত হয়েছে। সম্প্রতি মুন্সিগঞ্জের আঞ্চলিক একটি দৈনিকে শ্রীনগর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি ফরহাদ হোসেন জনিকে জড়িয়ে ‘চাঁদা না দেওয়ায় রাস্তার নির্মাণ কাজ বন্ধ’ শিরোনামে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়। বিষয়টিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করে তিনি ও স্থানীয় সাংবাদিকরা কঠোর প্রতিবাদ জানান।
রবিবার দুপুরে শ্রীনগর উপজেলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এই প্রতিবাদ সভায় সাংবাদিকরা দাবি করেন—ভুয়া তথ্য পরিবেশন করে ব্যক্তিগত মানহানি ঘটানো শুধু অনৈতিকই নয়, এটি সাংবাদিকতার পেশাগত আদর্শের পরিপন্থী। সভায় প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ আল-আমিন, সাধারণ সম্পাদক শেখ আসলাম, কার্যকরী সদস্য জাকির লস্কর, সদস্য ফয়সাল হোসেন এবং সাংবাদিক মেহেদী সুমন ও শাফিন আহম্মেদ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, সরকারি প্রকল্পের কাজ যেকোনো সময় প্রশাসনিক কারণে বন্ধ থাকতে পারে, কিন্তু এ ধরনের ঘটনার জন্য কোনো সাংবাদিককে দায়ী করা সঠিক নয়। প্রতিবেদনে যে দাবি করা হয়েছে, তার সঙ্গে স্থানীয় বাস্তবতা ও সরকারি অফিসের নথির মিল নেই। শ্রীনগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানান, রাস্তার কাজে কোনো ধরনের বন্ধের রেকর্ড তাদের দপ্তরে নেই এবং কাজ স্বাভাবিকভাবেই চলছে।
সভার আলোচনায় উঠে আসে, ভুয়া বা অযাচাইকৃত তথ্য পরিবেশন করলে গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যায়। মূলধারার সাংবাদিকতার মান বজায় রাখতে রিপোর্টারদের পেশাদারিত্ব জরুরি। সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা বলেন—যখনই কারও বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা হয়, তখন তার বক্তব্য নেওয়া নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু উক্ত প্রতিবেদনে সেই ন্যূনতম নিয়মটিও মানা হয়নি।
এদিকে সংশ্লিষ্ট পত্রিকার সম্পাদক জানিয়েছেন, স্থানীয় রিপোর্টারের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতেই সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাংবাদিকরা মনে করেন—এ ধরনের অপেশাদার কার্যক্রম বন্ধ করতে হলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর আরও বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে। পাশাপাশি, মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও ব্যক্তিগত ক্ষতি কতটা গভীর হতে পারে সেটিও সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে। সভায় সাংবাদিক জনি বলেন—তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মনগড়া, যার কোনো ভিত্তি নেই। তিনি সাংবাদিকতার স্বচ্ছ ধারাকে এগিয়ে নিতে সঠিক তথ্য যাচাইয়ের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।
শ্রীনগরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ভুয়া সংবাদ প্রকাশ: প্রেস ক্লাবে কঠোর প্রতিবাদ
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
শ্রীনগরে সাংবাদিকতার মানহানি ঘটিয়ে প্রকাশিত একটি ভুয়া প্রতিবেদনের প্রতিবাদে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ একত্রিত হয়েছে। সম্প্রতি মুন্সিগঞ্জের আঞ্চলিক একটি দৈনিকে শ্রীনগর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি ফরহাদ হোসেন জনিকে জড়িয়ে ‘চাঁদা না দেওয়ায় রাস্তার নির্মাণ কাজ বন্ধ’ শিরোনামে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়। বিষয়টিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করে তিনি ও স্থানীয় সাংবাদিকরা কঠোর প্রতিবাদ জানান।
রবিবার দুপুরে শ্রীনগর উপজেলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এই প্রতিবাদ সভায় সাংবাদিকরা দাবি করেন—ভুয়া তথ্য পরিবেশন করে ব্যক্তিগত মানহানি ঘটানো শুধু অনৈতিকই নয়, এটি সাংবাদিকতার পেশাগত আদর্শের পরিপন্থী। সভায় প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ আল-আমিন, সাধারণ সম্পাদক শেখ আসলাম, কার্যকরী সদস্য জাকির লস্কর, সদস্য ফয়সাল হোসেন এবং সাংবাদিক মেহেদী সুমন ও শাফিন আহম্মেদ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, সরকারি প্রকল্পের কাজ যেকোনো সময় প্রশাসনিক কারণে বন্ধ থাকতে পারে, কিন্তু এ ধরনের ঘটনার জন্য কোনো সাংবাদিককে দায়ী করা সঠিক নয়। প্রতিবেদনে যে দাবি করা হয়েছে, তার সঙ্গে স্থানীয় বাস্তবতা ও সরকারি অফিসের নথির মিল নেই। শ্রীনগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানান, রাস্তার কাজে কোনো ধরনের বন্ধের রেকর্ড তাদের দপ্তরে নেই এবং কাজ স্বাভাবিকভাবেই চলছে।
সভার আলোচনায় উঠে আসে, ভুয়া বা অযাচাইকৃত তথ্য পরিবেশন করলে গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যায়। মূলধারার সাংবাদিকতার মান বজায় রাখতে রিপোর্টারদের পেশাদারিত্ব জরুরি। সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা বলেন—যখনই কারও বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা হয়, তখন তার বক্তব্য নেওয়া নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু উক্ত প্রতিবেদনে সেই ন্যূনতম নিয়মটিও মানা হয়নি।
এদিকে সংশ্লিষ্ট পত্রিকার সম্পাদক জানিয়েছেন, স্থানীয় রিপোর্টারের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতেই সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাংবাদিকরা মনে করেন—এ ধরনের অপেশাদার কার্যক্রম বন্ধ করতে হলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর আরও বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে। পাশাপাশি, মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও ব্যক্তিগত ক্ষতি কতটা গভীর হতে পারে সেটিও সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে। সভায় সাংবাদিক জনি বলেন—তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মনগড়া, যার কোনো ভিত্তি নেই। তিনি সাংবাদিকতার স্বচ্ছ ধারাকে এগিয়ে নিতে সঠিক তথ্য যাচাইয়ের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।