হাজারো মানুষের দুর্ভোগ: বানিয়াচং–হবিগঞ্জ সড়ক সংস্কারের দাবি তীব্র

শাহরিয়ার খান নাফিজ, হবিগঞ্জঃ

হবিগঞ্জ জেলার অন্যতম ব্যস্ত যোগাযোগপথ বানিয়াচং–হবিগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের শুঁটকি নদীর ব্রিজসংলগ্ন অংশ দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। প্রতিদিন হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র এই রুটে গাড়ি চলাচল এখন নিয়ন্ত্রণহীন দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে জরুরি রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ এবং নিত্যযাত্রীদের জন্য পরিস্থিতি আরও সংকটজনক রূপ নিয়েছে।

বানিয়াচং উপজেলার লাখো মানুষের জেলা শহরে যাতায়াতের প্রধান ভরসা এই সড়কটি। অ্যাম্বুলেন্স, সিএনজি, অটোরিকশা ও ছোট পরিবহন দ্রুতগতিতে হাসপাতালে রোগী নেওয়ার জন্য এই পথ ব্যবহার করে। কিন্তু শুঁটকি নদীর ব্রিজের মুখে ভাঙা, কাদা জমে থাকা ও অসমতল রাস্তা যানবাহনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিনিয়ত গাড়ির ঝাঁকুনি, চাকা ডুবে যাওয়া, ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এতে রোগীর অবস্থা আরও জটিল হয়ে পড়ছে, সময় নষ্ট হওয়ায় অনেক সময় চিকিৎসা বিলম্বিত হচ্ছে।

স্থানীয় যাত্রীরা জানান, প্রতিদিন এই পথে ধুলো, কাদা আর গর্তের সঙ্গে লড়াই করে চলাচল করতে হয়। ইট বিছিয়ে কোনোভাবে যান চলাচল চালু রাখা হলেও তা সম্পূর্ণ অস্থায়ী এবং ঝুঁকিপূর্ণ। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ভয় নিয়ে এই পথ পাড়ি দেন। যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যায়।

সিএনজি ও অটোরিকশা চালকদের অভিযোগ, এই সড়কের কারণে গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। প্রায় প্রতিদিন টায়ার ফাটা, সাসপেনশন নষ্ট হওয়া, চাকা ডুবে যাওয়া—এগুলো এখন সাধারণ ঘটনা। তারা জানান, এত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হয়েও বছরের পর বছর দৃশ্যমান কোনো সংস্কার কার্যক্রম দেখা যায়নি।

পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, দেশে আঞ্চলিক ও গ্রামীণ সড়কগুলোর রক্ষণাবেক্ষণে দীর্ঘস্থায়ী অবহেলা নতুন কিছু নয়। ১৯৯০-এর দশকে নির্মিত অনেক সড়ক আজও আধুনিক মানে উন্নীত হয়নি। ফলে মানুষের সময়, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ছিল চরম ঝুঁকিতে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এই ব্রিজসংলগ্ন অংশটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে পাকা সড়কে রূপান্তর করে স্থায়ী সমাধান দিতে হবে। আধুনিক সরকারি মান অনুযায়ী টেকসই সড়ক নির্মাণ ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ এই সড়ক কেবল একটি পথ নয়—এটি রোগী, শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষসহ লাখো গ্রামবাসীর জীবনযাত্রার মূল সংযোগ।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে এই জনদুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান করবেন।

হাজারো মানুষের দুর্ভোগ: বানিয়াচং–হবিগঞ্জ সড়ক সংস্কারের দাবি তীব্র

নভেম্বর ৩০, ২০২৫

শাহরিয়ার খান নাফিজ, হবিগঞ্জঃ

হবিগঞ্জ জেলার অন্যতম ব্যস্ত যোগাযোগপথ বানিয়াচং–হবিগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের শুঁটকি নদীর ব্রিজসংলগ্ন অংশ দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। প্রতিদিন হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র এই রুটে গাড়ি চলাচল এখন নিয়ন্ত্রণহীন দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে জরুরি রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ এবং নিত্যযাত্রীদের জন্য পরিস্থিতি আরও সংকটজনক রূপ নিয়েছে।

বানিয়াচং উপজেলার লাখো মানুষের জেলা শহরে যাতায়াতের প্রধান ভরসা এই সড়কটি। অ্যাম্বুলেন্স, সিএনজি, অটোরিকশা ও ছোট পরিবহন দ্রুতগতিতে হাসপাতালে রোগী নেওয়ার জন্য এই পথ ব্যবহার করে। কিন্তু শুঁটকি নদীর ব্রিজের মুখে ভাঙা, কাদা জমে থাকা ও অসমতল রাস্তা যানবাহনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিনিয়ত গাড়ির ঝাঁকুনি, চাকা ডুবে যাওয়া, ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এতে রোগীর অবস্থা আরও জটিল হয়ে পড়ছে, সময় নষ্ট হওয়ায় অনেক সময় চিকিৎসা বিলম্বিত হচ্ছে।

স্থানীয় যাত্রীরা জানান, প্রতিদিন এই পথে ধুলো, কাদা আর গর্তের সঙ্গে লড়াই করে চলাচল করতে হয়। ইট বিছিয়ে কোনোভাবে যান চলাচল চালু রাখা হলেও তা সম্পূর্ণ অস্থায়ী এবং ঝুঁকিপূর্ণ। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ভয় নিয়ে এই পথ পাড়ি দেন। যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যায়।

সিএনজি ও অটোরিকশা চালকদের অভিযোগ, এই সড়কের কারণে গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। প্রায় প্রতিদিন টায়ার ফাটা, সাসপেনশন নষ্ট হওয়া, চাকা ডুবে যাওয়া—এগুলো এখন সাধারণ ঘটনা। তারা জানান, এত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হয়েও বছরের পর বছর দৃশ্যমান কোনো সংস্কার কার্যক্রম দেখা যায়নি।

পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, দেশে আঞ্চলিক ও গ্রামীণ সড়কগুলোর রক্ষণাবেক্ষণে দীর্ঘস্থায়ী অবহেলা নতুন কিছু নয়। ১৯৯০-এর দশকে নির্মিত অনেক সড়ক আজও আধুনিক মানে উন্নীত হয়নি। ফলে মানুষের সময়, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ছিল চরম ঝুঁকিতে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এই ব্রিজসংলগ্ন অংশটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে পাকা সড়কে রূপান্তর করে স্থায়ী সমাধান দিতে হবে। আধুনিক সরকারি মান অনুযায়ী টেকসই সড়ক নির্মাণ ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ এই সড়ক কেবল একটি পথ নয়—এটি রোগী, শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষসহ লাখো গ্রামবাসীর জীবনযাত্রার মূল সংযোগ।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে এই জনদুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান করবেন।