বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধিঃ
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার সরকারি প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক সংকটের মধ্য দিয়ে চলছে। উপজেলা ও পৌরসভা মিলিয়ে মোট ১৩৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে অর্ধশত স্কুলে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য পড়ে আছে। এসব বিদ্যালয়ে কেউ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক স্কুল বহু বছর ধরে সম্পূর্ণ প্রধান শিক্ষকবিহীন অবস্থায় শিক্ষাকার্যক্রম চালাচ্ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসব বিদ্যালয়ের মোট সহকারী শিক্ষকের অনুমোদিত সংখ্যা ৬৬২ হলেও কর্মরত আছেন ৬২৬ জন। ফলে ৩৬টি সহকারী শিক্ষকের পদও দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। শিক্ষক সংকটের কারণে বিদ্যালয়ের পাঠদান ব্যহত হচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের শেখার মান।
নিরাপদ প্রশাসনিক তদারকি নিশ্চিত করার দায়িত্বে থাকা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসেও প্রচণ্ড জনবল ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সহকারী শিক্ষা অফিসারের সাতটি পদের মধ্যে পাঁচটি এখনও খালি। মাত্র দুইজন কর্মকর্তা নিয়ে ১৩৩টি স্কুলের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে, যা প্রশাসনিকভাবে প্রায় অসম্ভবের কাছাকাছি। অফিসের উচ্চমান সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, নিম্নমান সহকারী, হিসাব সহকারী এবং অফিস সহায়কের বেশ কয়েকটি পদও শূন্য। ফলে অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অতিরিক্ত চাপের মধ্যে দিন পার করছেন।
শিক্ষক সংকটের কারণে প্রাথমিক শিক্ষার মান অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন এলাকার অভিভাবকরা। খাজাঞ্চি ইউনিয়নের কান্দিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রের অভিভাবক নুরুজ আলী বলেন, “শিক্ষক না থাকায় আমাদের সন্তানরা মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।” রামপাশা ইউনিয়নের পাঠাকইন দোহাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক আলী হোসেনও একই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাহীন মাহবুব জানান, শূন্য পদগুলো পূরণে তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছেন। নিয়োগ প্রক্রিয়া কখন শুরু হবে সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা না থাকলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন, কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।
প্রবাসী অধ্যুষিত বিশ্বনাথের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রাণকেন্দ্র প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট প্রকট আকার ধারণ করায় এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের মধ্যে গভীর অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ, প্রশাসনিক জনবল বৃদ্ধি এবং শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
সিলেটের বিশ্বনাথে শিক্ষক সংকট চরমে: ৫০ স্কুলে প্রধান শিক্ষক শূন্য
বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধিঃ
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার সরকারি প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক সংকটের মধ্য দিয়ে চলছে। উপজেলা ও পৌরসভা মিলিয়ে মোট ১৩৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে অর্ধশত স্কুলে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য পড়ে আছে। এসব বিদ্যালয়ে কেউ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক স্কুল বহু বছর ধরে সম্পূর্ণ প্রধান শিক্ষকবিহীন অবস্থায় শিক্ষাকার্যক্রম চালাচ্ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসব বিদ্যালয়ের মোট সহকারী শিক্ষকের অনুমোদিত সংখ্যা ৬৬২ হলেও কর্মরত আছেন ৬২৬ জন। ফলে ৩৬টি সহকারী শিক্ষকের পদও দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। শিক্ষক সংকটের কারণে বিদ্যালয়ের পাঠদান ব্যহত হচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের শেখার মান।
নিরাপদ প্রশাসনিক তদারকি নিশ্চিত করার দায়িত্বে থাকা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসেও প্রচণ্ড জনবল ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সহকারী শিক্ষা অফিসারের সাতটি পদের মধ্যে পাঁচটি এখনও খালি। মাত্র দুইজন কর্মকর্তা নিয়ে ১৩৩টি স্কুলের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে, যা প্রশাসনিকভাবে প্রায় অসম্ভবের কাছাকাছি। অফিসের উচ্চমান সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, নিম্নমান সহকারী, হিসাব সহকারী এবং অফিস সহায়কের বেশ কয়েকটি পদও শূন্য। ফলে অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অতিরিক্ত চাপের মধ্যে দিন পার করছেন।
শিক্ষক সংকটের কারণে প্রাথমিক শিক্ষার মান অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন এলাকার অভিভাবকরা। খাজাঞ্চি ইউনিয়নের কান্দিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রের অভিভাবক নুরুজ আলী বলেন, “শিক্ষক না থাকায় আমাদের সন্তানরা মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।” রামপাশা ইউনিয়নের পাঠাকইন দোহাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক আলী হোসেনও একই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাহীন মাহবুব জানান, শূন্য পদগুলো পূরণে তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছেন। নিয়োগ প্রক্রিয়া কখন শুরু হবে সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা না থাকলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন, কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।
প্রবাসী অধ্যুষিত বিশ্বনাথের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রাণকেন্দ্র প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট প্রকট আকার ধারণ করায় এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের মধ্যে গভীর অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ, প্রশাসনিক জনবল বৃদ্ধি এবং শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।