সেলিম মাহবুবঃ
নিষিদ্ধ সংগঠন সুনামগঞ্জে জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে এক প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১১ নভেম্বর মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক শেখ হাসিনার বিচার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে এ বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রলীগ। তাদের দাবি এ আদালতে ন্যায় বিচার ভুলুন্টিত হবে।
এদিকে মিছিলকারীদের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ সদর থানায় ফৌজদারী কার্যবিধি ৬ (২) এর ঐ ৮/৯/১০/১২/১৩ সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ ধারায় ৩৫ জন ব্যাক্তির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন থানার এস আই আনিসুর রহমান। গত ১২ নভেম্বর ২৫ ইং তারিখে এ মামলাটি ( নং ০৮) থানায় রেকর্ডভুক্ত হয়েছে।
থানায় দায়েরী মামলার আসামীরা হচ্ছেন, সুনামগঞ্জ পৌর শহরের বাসিন্দা সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শহরের আরপিন নগর এলাকার হোসেন বখতের পুত্র নোমান বখত পলিন (৫৫), একই এলাকার বাসিন্দা শাহী নুরের পুত্র জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার নুরনিহান (২৫), ইব্রাহীমপুর এলাকার বাসিন্দা এবাদুর রহমানের পুত্র, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি লতিফুর রহমান (৩২), পুর্ব নতুনপাড়ার বাসিন্দা নিধুর রঞ্জনের পুত্র, জেলা ছাত্রলীগের
সহ সভাপতি নিহার রঞ্জন (৪০), আরপিন নগর এলাকার বাসিন্দা ময়নুলের পুত্র, পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বখতিয়ারুল হক মাহি (২৩), পুরান লক্ষনশ্রী গ্রামের
বাসিন্দা বাজিন্দ্র সরকারের কন্যা, জেলা যুব মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিনা দাস (৪০) সহ ৩৫ আসামীর নাম
মামলায় উল্লেখ রয়েছে।অজ্ঞাতনামা আসামী রয়েছেন আরো কয়েক জন। পুলিশ রাতেই মিনা দাস-কে শহরের বাসষ্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানায়, শহর ছেড়ে
ঢাকার উদ্দেশ্যে পালিয়ে যাওয়ার পথে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে মামলার অন্যান্য আসামীরা পলাতক রয়েছে। তাদের-কে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মিছিলের পরদিনই সুনামগঞ্জ শহরে মিছিল, মানববন্ধনও আসামীদের ছবি পুড়িয়ে বিক্ষোভ করেছে জেলা ছাত্রদল। মিছিলকারীরা বখতিয়ারুল হক মাহি ও লতিফুর রহমানের ছবি পুড়িয়েছে। লতিফুর রহমান, নিহার রঞ্জন, বখতিয়ারুল হক মাহি সহ নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সকল আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্থির দাবি জানিয়েছে জেলা ছাত্রদল। এদিকে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সকল নেতা-কর্মীরা শহর ছেড়ে পালিয়েছে।
সুনামগঞ্জে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মিছিল গ্রেফতার-১! শহর ছেড়েছেন অনেকেই
সেলিম মাহবুবঃ
নিষিদ্ধ সংগঠন সুনামগঞ্জে জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে এক প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১১ নভেম্বর মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক শেখ হাসিনার বিচার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে এ বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রলীগ। তাদের দাবি এ আদালতে ন্যায় বিচার ভুলুন্টিত হবে।
এদিকে মিছিলকারীদের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ সদর থানায় ফৌজদারী কার্যবিধি ৬ (২) এর ঐ ৮/৯/১০/১২/১৩ সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ ধারায় ৩৫ জন ব্যাক্তির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন থানার এস আই আনিসুর রহমান। গত ১২ নভেম্বর ২৫ ইং তারিখে এ মামলাটি ( নং ০৮) থানায় রেকর্ডভুক্ত হয়েছে।
থানায় দায়েরী মামলার আসামীরা হচ্ছেন, সুনামগঞ্জ পৌর শহরের বাসিন্দা সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শহরের আরপিন নগর এলাকার হোসেন বখতের পুত্র নোমান বখত পলিন (৫৫), একই এলাকার বাসিন্দা শাহী নুরের পুত্র জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার নুরনিহান (২৫), ইব্রাহীমপুর এলাকার বাসিন্দা এবাদুর রহমানের পুত্র, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি লতিফুর রহমান (৩২), পুর্ব নতুনপাড়ার বাসিন্দা নিধুর রঞ্জনের পুত্র, জেলা ছাত্রলীগের
সহ সভাপতি নিহার রঞ্জন (৪০), আরপিন নগর এলাকার বাসিন্দা ময়নুলের পুত্র, পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বখতিয়ারুল হক মাহি (২৩), পুরান লক্ষনশ্রী গ্রামের
বাসিন্দা বাজিন্দ্র সরকারের কন্যা, জেলা যুব মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিনা দাস (৪০) সহ ৩৫ আসামীর নাম
মামলায় উল্লেখ রয়েছে।অজ্ঞাতনামা আসামী রয়েছেন আরো কয়েক জন। পুলিশ রাতেই মিনা দাস-কে শহরের বাসষ্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানায়, শহর ছেড়ে
ঢাকার উদ্দেশ্যে পালিয়ে যাওয়ার পথে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে মামলার অন্যান্য আসামীরা পলাতক রয়েছে। তাদের-কে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মিছিলের পরদিনই সুনামগঞ্জ শহরে মিছিল, মানববন্ধনও আসামীদের ছবি পুড়িয়ে বিক্ষোভ করেছে জেলা ছাত্রদল। মিছিলকারীরা বখতিয়ারুল হক মাহি ও লতিফুর রহমানের ছবি পুড়িয়েছে। লতিফুর রহমান, নিহার রঞ্জন, বখতিয়ারুল হক মাহি সহ নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সকল আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্থির দাবি জানিয়েছে জেলা ছাত্রদল। এদিকে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সকল নেতা-কর্মীরা শহর ছেড়ে পালিয়েছে।