সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গঃ
কলকাতার মসজিদবাড়ি লেনের সংযোগস্থলে শিশু দিবস উপলক্ষে যৌনপল্লীর বাচ্চাদের নিয়ে এক বিশেষ আয়োজন করল সামাজিক সংগঠন আমরা পদাতিক। শুক্রবার বিকেল তিনটা থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজন ঘিরে এলাকাজুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ। দেড়শোরও বেশি শিশু অংশ নেয় দিনব্যাপী নানা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে, যা পুরো পরিবেশকে প্রাণবন্ত করে তোলে। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বাংলা সিনেমা ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’র পোস্টার লঞ্চ, যা শিশুদের মাঝে বিশেষ উচ্ছ্বাস তৈরি করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের পরিচিত অভিনেত্রী ও ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’ ছবির প্রধান শিল্পী রুক্মিণী মৈত্র, অভিনেত্রী শিল্পী চক্রবর্তী, বটতলা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সুবর্ণ দত্ত চৌধুরী, কে সি দাসের কর্ণধার জয় মিত্র এবং ইনার হুইলের মধুচন্দা দত্ত। এছাড়া ছিলেন মহাশ্বেতা মুখার্জি এবং আমরা পদাতিকের ভারতী দে, পূজা রায়, শতাব্দী সাহা, অরুণাভ মিদ্যা ও অন্যান্য সদস্যরা। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রতন।
অতিথিদের অভ্যর্থনার মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা। পরে ইনার হুইল ও পদাতিকের পক্ষ থেকে শিশুদের হাতে গিফট, মিষ্টি এবং মেয়েদের জন্য চুরিদার তুলে দেওয়া হয়। যৌনপল্লীর শিশুদের নাচ, গান ও নাটকের পরিবেশনা দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায় এবং তাদের প্রতিভা মঞ্চে ফুটে ওঠে নতুন আলোয়।

আরোও পড়ুন – গ্রামের মেয়ে নন্দিতা দাস যোগা প্রতিযোগিতায় বহু সম্মানে ভূষিত
পোস্টার লঞ্চের মুহূর্তে রুক্মিণী মৈত্র বেলুন উড়িয়ে ছবির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেন। তিনি শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান এবং তাদের সঙ্গে নাচে গানে অংশ নেন, যা আয়োজনে উষ্ণতা যোগ করে। তিনি জানান যে, এই জায়গায় এসে শিশুদের সঙ্গে সময় কাটাতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন এবং ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
আমরা পদাতিক জানায়, শুধু শিশু দিবসেই নয়, সারা বছর জুড়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে এই এলাকার শিশু ও পরিবারগুলোর মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়াই তাদের লক্ষ্য। তাদের ব্যবহৃত বিশেষ ট্যাগলাইন চাপা ব্যথাকে তুলে ধরে— চাপে থাকা পুরোনো কষ্ট, নতুন জীবনের মানে, অধিকারের স্বাদ— যা যৌনপল্লীর শিশুদের জীবন বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করে।
শিশু দিবসে যৌনপল্লীর বাচ্চাদের নিয়ে ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’ সিনেমার পোস্টার উন্মোচন
সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গঃ
কলকাতার মসজিদবাড়ি লেনের সংযোগস্থলে শিশু দিবস উপলক্ষে যৌনপল্লীর বাচ্চাদের নিয়ে এক বিশেষ আয়োজন করল সামাজিক সংগঠন আমরা পদাতিক। শুক্রবার বিকেল তিনটা থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজন ঘিরে এলাকাজুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ। দেড়শোরও বেশি শিশু অংশ নেয় দিনব্যাপী নানা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে, যা পুরো পরিবেশকে প্রাণবন্ত করে তোলে। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বাংলা সিনেমা ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’র পোস্টার লঞ্চ, যা শিশুদের মাঝে বিশেষ উচ্ছ্বাস তৈরি করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের পরিচিত অভিনেত্রী ও ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’ ছবির প্রধান শিল্পী রুক্মিণী মৈত্র, অভিনেত্রী শিল্পী চক্রবর্তী, বটতলা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সুবর্ণ দত্ত চৌধুরী, কে সি দাসের কর্ণধার জয় মিত্র এবং ইনার হুইলের মধুচন্দা দত্ত। এছাড়া ছিলেন মহাশ্বেতা মুখার্জি এবং আমরা পদাতিকের ভারতী দে, পূজা রায়, শতাব্দী সাহা, অরুণাভ মিদ্যা ও অন্যান্য সদস্যরা। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রতন।
অতিথিদের অভ্যর্থনার মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা। পরে ইনার হুইল ও পদাতিকের পক্ষ থেকে শিশুদের হাতে গিফট, মিষ্টি এবং মেয়েদের জন্য চুরিদার তুলে দেওয়া হয়। যৌনপল্লীর শিশুদের নাচ, গান ও নাটকের পরিবেশনা দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায় এবং তাদের প্রতিভা মঞ্চে ফুটে ওঠে নতুন আলোয়।

আরোও পড়ুন – গ্রামের মেয়ে নন্দিতা দাস যোগা প্রতিযোগিতায় বহু সম্মানে ভূষিত
পোস্টার লঞ্চের মুহূর্তে রুক্মিণী মৈত্র বেলুন উড়িয়ে ছবির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেন। তিনি শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান এবং তাদের সঙ্গে নাচে গানে অংশ নেন, যা আয়োজনে উষ্ণতা যোগ করে। তিনি জানান যে, এই জায়গায় এসে শিশুদের সঙ্গে সময় কাটাতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন এবং ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
আমরা পদাতিক জানায়, শুধু শিশু দিবসেই নয়, সারা বছর জুড়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে এই এলাকার শিশু ও পরিবারগুলোর মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়াই তাদের লক্ষ্য। তাদের ব্যবহৃত বিশেষ ট্যাগলাইন চাপা ব্যথাকে তুলে ধরে— চাপে থাকা পুরোনো কষ্ট, নতুন জীবনের মানে, অধিকারের স্বাদ— যা যৌনপল্লীর শিশুদের জীবন বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করে।