রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভায় দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সরকারি পর্যায় থেকে সরেজমিন তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকলেও বাস্তবে তার কোনো কার্যকর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। বরং অভিযোগের মুখে থাকা সহকারী প্রকৌশলী ও ভারপ্রাপ্ত পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাইদ মো. শহিদুল আলম এখনো বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন, যা স্থানীয় প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানীয় সরকার বিভাগ ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই একটি স্মারকের মাধ্যমে পুঠিয়া পৌরসভার মেয়র মো. আল মামুন খান এবং ভারপ্রাপ্ত পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে উত্থাপিত একাধিক গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিন তদন্তের নির্দেশ দেয়। তদন্তের উদ্দেশ্য ছিল পৌরসভার উন্নয়ন প্রকল্প ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের সত্যতা যাচাই করা এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। তবে নির্দেশনার এত সময় পরও মাঠপর্যায়ে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় জনমনে গভীর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
অভিযোগ সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ করা হয়, পৌরসভার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) এবং নিজস্ব রাজস্ব তহবিলের অর্থ ব্যবহার করে একাধিক প্রকল্পে পিআইসি গঠন, ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি এবং বাস্তবে কাজ না করেই অর্থ উত্তোলনের ঘটনা ঘটেছে। কোথাও নিম্নমানের কাজ দেখিয়ে পুরো বিল উত্তোলন করা হয়েছে, আবার কোথাও কেবল কাগজে-কলমে প্রকল্প শেষ দেখানো হয়েছে। এসব কার্যক্রমে প্রশাসনিক পর্যায়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।
পুঠিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, পৌর এলাকায় উন্নয়নের নামে কোটি কোটি টাকা উত্তোলন হলেও তার বাস্তব প্রতিফলন নেই। রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ কিংবা নাগরিক সেবায় কাঙ্ক্ষিত কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। তাঁর দাবি, প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা ভারপ্রাপ্ত পৌর নির্বাহী কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা ছাড়া এ ধরনের অনিয়ম সম্ভব নয়। দীর্ঘদিন ধরে এই অনিয়ম চললেও কার্যকর কোনো প্রতিকার না হওয়ায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও হতাশ।
সরকারি চিঠিতে জেলা প্রশাসনকে সরেজমিন তদন্ত করে বিস্তারিত প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হলেও দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও তদন্ত কমিটি গঠন, নথিপত্র জব্দ বা প্রকল্প পরিদর্শনের কোনো দৃশ্যমান তথ্য পাওয়া যায়নি। যদিও প্রশাসনের একটি অংশ দাবি করছে যে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও এসেছে। তবে সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কেন গড়িমসি হচ্ছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ দানা বাঁধছে।
সচেতন নাগরিকদের মতে, কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর তদন্তকালীন সময়ে তাঁকে একই পদে বহাল রাখা আইন ও নৈতিকতার পরিপন্থী। এতে তদন্তের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে এবং প্রভাব খাটিয়ে আলামত নষ্ট বা প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার সুযোগ তৈরি হয়। অথচ অভিযুক্ত কর্মকর্তা এখনো পৌরসভার আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
পুঠিয়া পৌর এলাকার বাসিন্দারা জানান, বছরের পর বছর সরকারি বরাদ্দ এলেও এলাকার মৌলিক অবকাঠামোর দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি। অনেক সড়ক ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে আছে, ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুরবস্থায় বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিত্যদিনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাগজে প্রকল্প শেষ হলেও বাস্তবে সেগুলোর কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায় না। ফলে নাগরিক সেবার মান দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে।
একাধিক জনপ্রতিনিধির ভাষ্য অনুযায়ী, পৌরসভার আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতার অভাব প্রকট। কোন প্রকল্পে কত টাকা বরাদ্দ হচ্ছে, কীভাবে ব্যয় হচ্ছে—এসব বিষয়ে পরিষ্কার কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। কেউ অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বললে নানাভাবে চাপের মুখে পড়তে হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ভারপ্রাপ্ত পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাইদ মো. শহিদুল আলমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাঁর নীরবতাও নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।
রাজশাহী জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জাকিউল ইসলাম জানান, তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। তবে বাস্তবে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন বিস্তারিত বলতে পারবে বলে তিনি জানান।
পুঠিয়া পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক শিবু দাস, যিনি সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, বলেন তিনি নতুন যোগদান করায় বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল কাশেম ফজলুল হক জানান, তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা থাকলেও স্থানীয় প্রশাসনের আইনগত সীমাবদ্ধতার কারণে সরাসরি পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
সব মিলিয়ে পুঠিয়া পৌরসভায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা ও দীর্ঘসূত্রতা স্থানীয় জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়িয়ে তুলেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ না হলে পৌর প্রশাসনের ওপর জনগণের আস্থা আরও নষ্ট হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
পুঠিয়া পৌরসভায় দুর্নীতির বলয়: তদন্তের নির্দেশ উপেক্ষা করে বহাল অভিযুক্ত কর্মকর্তা
রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভায় দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সরকারি পর্যায় থেকে সরেজমিন তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকলেও বাস্তবে তার কোনো কার্যকর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। বরং অভিযোগের মুখে থাকা সহকারী প্রকৌশলী ও ভারপ্রাপ্ত পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাইদ মো. শহিদুল আলম এখনো বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন, যা স্থানীয় প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানীয় সরকার বিভাগ ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই একটি স্মারকের মাধ্যমে পুঠিয়া পৌরসভার মেয়র মো. আল মামুন খান এবং ভারপ্রাপ্ত পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে উত্থাপিত একাধিক গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিন তদন্তের নির্দেশ দেয়। তদন্তের উদ্দেশ্য ছিল পৌরসভার উন্নয়ন প্রকল্প ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের সত্যতা যাচাই করা এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। তবে নির্দেশনার এত সময় পরও মাঠপর্যায়ে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় জনমনে গভীর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
অভিযোগ সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ করা হয়, পৌরসভার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) এবং নিজস্ব রাজস্ব তহবিলের অর্থ ব্যবহার করে একাধিক প্রকল্পে পিআইসি গঠন, ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি এবং বাস্তবে কাজ না করেই অর্থ উত্তোলনের ঘটনা ঘটেছে। কোথাও নিম্নমানের কাজ দেখিয়ে পুরো বিল উত্তোলন করা হয়েছে, আবার কোথাও কেবল কাগজে-কলমে প্রকল্প শেষ দেখানো হয়েছে। এসব কার্যক্রমে প্রশাসনিক পর্যায়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।
পুঠিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, পৌর এলাকায় উন্নয়নের নামে কোটি কোটি টাকা উত্তোলন হলেও তার বাস্তব প্রতিফলন নেই। রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ কিংবা নাগরিক সেবায় কাঙ্ক্ষিত কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। তাঁর দাবি, প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা ভারপ্রাপ্ত পৌর নির্বাহী কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা ছাড়া এ ধরনের অনিয়ম সম্ভব নয়। দীর্ঘদিন ধরে এই অনিয়ম চললেও কার্যকর কোনো প্রতিকার না হওয়ায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও হতাশ।
সরকারি চিঠিতে জেলা প্রশাসনকে সরেজমিন তদন্ত করে বিস্তারিত প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হলেও দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও তদন্ত কমিটি গঠন, নথিপত্র জব্দ বা প্রকল্প পরিদর্শনের কোনো দৃশ্যমান তথ্য পাওয়া যায়নি। যদিও প্রশাসনের একটি অংশ দাবি করছে যে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও এসেছে। তবে সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কেন গড়িমসি হচ্ছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ দানা বাঁধছে।
সচেতন নাগরিকদের মতে, কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর তদন্তকালীন সময়ে তাঁকে একই পদে বহাল রাখা আইন ও নৈতিকতার পরিপন্থী। এতে তদন্তের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে এবং প্রভাব খাটিয়ে আলামত নষ্ট বা প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার সুযোগ তৈরি হয়। অথচ অভিযুক্ত কর্মকর্তা এখনো পৌরসভার আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
পুঠিয়া পৌর এলাকার বাসিন্দারা জানান, বছরের পর বছর সরকারি বরাদ্দ এলেও এলাকার মৌলিক অবকাঠামোর দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি। অনেক সড়ক ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে আছে, ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুরবস্থায় বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিত্যদিনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাগজে প্রকল্প শেষ হলেও বাস্তবে সেগুলোর কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায় না। ফলে নাগরিক সেবার মান দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে।
একাধিক জনপ্রতিনিধির ভাষ্য অনুযায়ী, পৌরসভার আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতার অভাব প্রকট। কোন প্রকল্পে কত টাকা বরাদ্দ হচ্ছে, কীভাবে ব্যয় হচ্ছে—এসব বিষয়ে পরিষ্কার কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। কেউ অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বললে নানাভাবে চাপের মুখে পড়তে হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ভারপ্রাপ্ত পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাইদ মো. শহিদুল আলমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাঁর নীরবতাও নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।
রাজশাহী জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জাকিউল ইসলাম জানান, তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। তবে বাস্তবে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন বিস্তারিত বলতে পারবে বলে তিনি জানান।
পুঠিয়া পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক শিবু দাস, যিনি সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, বলেন তিনি নতুন যোগদান করায় বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল কাশেম ফজলুল হক জানান, তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা থাকলেও স্থানীয় প্রশাসনের আইনগত সীমাবদ্ধতার কারণে সরাসরি পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
সব মিলিয়ে পুঠিয়া পৌরসভায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা ও দীর্ঘসূত্রতা স্থানীয় জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়িয়ে তুলেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ না হলে পৌর প্রশাসনের ওপর জনগণের আস্থা আরও নষ্ট হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।