রাজশাহী, সাকিবুল ইসলাম স্বাধীন:
শান্ত শহর রাজশাহীর শিরোইল কাঁচা বাজার এলাকা হঠাৎই রণক্ষেত্রে পরিণত হয় গত ৭ মার্চ শনিবার রাত ৮টায়, যখন বরেন্দ্র প্রেসক্লাবে কলম সৈনিকদের আড্ডা চলার কথা। সেখানেই সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা চালায় নারকীয় তাণ্ডব, প্রধানত ৪ লাখ টাকা চাঁদা দাবি নিয়ে। প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম হামলার প্রধান শিকার হন।
সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের তাণ্ডব
জানা গেছে, নুরে ইসলাম মিলন ও তার সহযোগীরা বেশ কিছুদিন ধরে ক্লাব পরিচালনার নামে চাঁদা দাবি করছিল। শনিবার রাতে তারা দেশীয় অস্ত্র, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল নিয়ে ক্লাবে ঢুকে পড়ে। প্রধান অভিযুক্ত মিলন সভাপতির মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে।
একপর্যায়ে সন্ত্রাসী সুরুজ আলী ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেজাউল করিমের পেটে আঘাত করতে চাইলে তিনি হাত দিয়ে প্রতিহত করেন। এতে তার উরুতে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়, যা সারাতে হাসপাতালে ১৩টি সেলাই দিতে হয়। বর্তমানে তিনি রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সাংবাদিকদের মানববন্ধন
রোববার (৮ মার্চ) দুপুর ১২টায় মহানগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই।
সভাপতির বক্তব্যে সংহতি প্রকাশ করেন: কাজী শাহেদ, আবু কাওসার মাখন, শামসুল ইসলাম, আমজাদ হোসেন শিমুল।
উপস্থিত ছিলেন: মাসুদ রাব্বানী, মিজানুর রহমান টনি, ইব্রাহিম হোসেন, লিয়াকত হোসেন, ফারুক আহমেদ, মামুনুর রশীদ, শাহিন সাগর, সাকিবুল ইসলাম স্বাধীন।
ছাত্র সমাজের প্রতিনিধি: সাব্বির আহমেদ অন্তর, আয়াতুল্লাহ কমেনি, রতন আলী, শান্ত ইসলাম।
আইনি পদক্ষেপ ও পুলিশ অভিযান
শামসুল ইসলাম বাদী হয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন:
অভিযুক্ত: নুরে ইসলাম মিলন, সুরুজ আলী, মিশাল, সাইদ আলী, ইব্রাহিম, রেন্টু ও আরও অজ্ঞাত ১০-১৫ জন।
ওসি রবিউল ইসলাম জানান, হামলাকারীরা ফেলে যাওয়া মাইক্রোবাস (কুমিল্লা-চ-৫১-০০২৮) জব্দ হয়েছে। গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আরোও পড়ুন – মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডে গৃহকর্মী গ্রেপ্তার
বরেন্দ্র প্রেসক্লাব রক্তাক্ত: রাজশাহী উত্তাল
রাজশাহী, সাকিবুল ইসলাম স্বাধীন:
শান্ত শহর রাজশাহীর শিরোইল কাঁচা বাজার এলাকা হঠাৎই রণক্ষেত্রে পরিণত হয় গত ৭ মার্চ শনিবার রাত ৮টায়, যখন বরেন্দ্র প্রেসক্লাবে কলম সৈনিকদের আড্ডা চলার কথা। সেখানেই সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা চালায় নারকীয় তাণ্ডব, প্রধানত ৪ লাখ টাকা চাঁদা দাবি নিয়ে। প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম হামলার প্রধান শিকার হন।
সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের তাণ্ডব
জানা গেছে, নুরে ইসলাম মিলন ও তার সহযোগীরা বেশ কিছুদিন ধরে ক্লাব পরিচালনার নামে চাঁদা দাবি করছিল। শনিবার রাতে তারা দেশীয় অস্ত্র, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল নিয়ে ক্লাবে ঢুকে পড়ে। প্রধান অভিযুক্ত মিলন সভাপতির মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে।
একপর্যায়ে সন্ত্রাসী সুরুজ আলী ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেজাউল করিমের পেটে আঘাত করতে চাইলে তিনি হাত দিয়ে প্রতিহত করেন। এতে তার উরুতে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়, যা সারাতে হাসপাতালে ১৩টি সেলাই দিতে হয়। বর্তমানে তিনি রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সাংবাদিকদের মানববন্ধন
রোববার (৮ মার্চ) দুপুর ১২টায় মহানগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই।
সভাপতির বক্তব্যে সংহতি প্রকাশ করেন: কাজী শাহেদ, আবু কাওসার মাখন, শামসুল ইসলাম, আমজাদ হোসেন শিমুল।
উপস্থিত ছিলেন: মাসুদ রাব্বানী, মিজানুর রহমান টনি, ইব্রাহিম হোসেন, লিয়াকত হোসেন, ফারুক আহমেদ, মামুনুর রশীদ, শাহিন সাগর, সাকিবুল ইসলাম স্বাধীন।
ছাত্র সমাজের প্রতিনিধি: সাব্বির আহমেদ অন্তর, আয়াতুল্লাহ কমেনি, রতন আলী, শান্ত ইসলাম।
আইনি পদক্ষেপ ও পুলিশ অভিযান
শামসুল ইসলাম বাদী হয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন:
অভিযুক্ত: নুরে ইসলাম মিলন, সুরুজ আলী, মিশাল, সাইদ আলী, ইব্রাহিম, রেন্টু ও আরও অজ্ঞাত ১০-১৫ জন।
ওসি রবিউল ইসলাম জানান, হামলাকারীরা ফেলে যাওয়া মাইক্রোবাস (কুমিল্লা-চ-৫১-০০২৮) জব্দ হয়েছে। গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আরোও পড়ুন – মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডে গৃহকর্মী গ্রেপ্তার