হামিদুর রহমান সবুজ, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
তারিখ: ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি.
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় অবৈধভাবে ভেজাল তেল মোড়কজাত করার অভিযোগে একটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জেলা প্রশাসন। রবিবার দুপুরে জালকুড়ি এলাকায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এই দণ্ড প্রদান করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি অনুমোদনহীনভাবে নিম্নমানের তেল সংগ্রহ করে তা বিভিন্ন নামি-দামি ব্র্যান্ডের মোড়কে বাজারজাত করছিল, যা সরাসরি জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছিল।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে এই ভেজাল তেল তৈরির পুরো প্রক্রিয়া হাতে-নাতে ধরতে সক্ষম হয়। অভিযানে দেখা যায়, কোনো ধরনের বিএসটিআই অনুমোদন ছাড়াই নিম্নমানের তেল সংগ্রহ করে তা পুনরায় প্রক্রিয়াজাত করে জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের লোগো ব্যবহার করে বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছিল। এতে সাধারণ ভোক্তারা প্রতারিত হচ্ছিলেন এবং স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছিলেন।
অভিযান পরিচালনাকারী ভ্রাম্যমাণ আদালত ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) আইন, ২০১৮’ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে। আদালত সূত্রে জানা যায়, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের ভেজাল তেল উৎপাদন ও বাজারজাতকরণকে কঠোরভাবে দমন করা হবে। অভিযানের সময় কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, নোংরা পাত্রে তেল সংরক্ষণ এবং সঠিক মান নিয়ন্ত্রণের অভাব স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে।
জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রায়হান কবির সার্বিকভাবে এই অভিযান সমন্বয় করেন। তার নির্দেশনায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিএসটিআই প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে অভিযানটি পরিচালিত হয়। কর্মকর্তারা জানান, ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং ভেজাল তেল উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় এ ধরনের কার্যক্রম চলছিল, তবে প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় তা প্রকাশ্যে আসেনি। এই অভিযানের ফলে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং ভবিষ্যতে এমন অপরাধ বন্ধ হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন। একইসঙ্গে সচেতন মহল মনে করছে, নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো হলে এ ধরনের অনৈতিক ব্যবসা কমে আসবে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় কোনো ধরনের আপস করা হবে না। বাজারে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভেজাল তেলসহ সব ধরনের ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভোক্তাদেরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে তারা সন্দেহজনক পণ্য কেনা থেকে বিরত থাকেন এবং প্রশাসনকে সহযোগিতা করেন।
আরোও পড়ুন – প্রায় অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে লাপাত্তা প্রতারক আফসারা আফরোজ
নারায়ণগঞ্জে ভেজাল তেল মোড়কজাত: মোবাইল কোর্টে ১ লাখ টাকা জরিমানা
হামিদুর রহমান সবুজ, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
তারিখ: ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি.
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় অবৈধভাবে ভেজাল তেল মোড়কজাত করার অভিযোগে একটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জেলা প্রশাসন। রবিবার দুপুরে জালকুড়ি এলাকায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এই দণ্ড প্রদান করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি অনুমোদনহীনভাবে নিম্নমানের তেল সংগ্রহ করে তা বিভিন্ন নামি-দামি ব্র্যান্ডের মোড়কে বাজারজাত করছিল, যা সরাসরি জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছিল।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে এই ভেজাল তেল তৈরির পুরো প্রক্রিয়া হাতে-নাতে ধরতে সক্ষম হয়। অভিযানে দেখা যায়, কোনো ধরনের বিএসটিআই অনুমোদন ছাড়াই নিম্নমানের তেল সংগ্রহ করে তা পুনরায় প্রক্রিয়াজাত করে জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের লোগো ব্যবহার করে বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছিল। এতে সাধারণ ভোক্তারা প্রতারিত হচ্ছিলেন এবং স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছিলেন।
অভিযান পরিচালনাকারী ভ্রাম্যমাণ আদালত ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) আইন, ২০১৮’ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে। আদালত সূত্রে জানা যায়, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের ভেজাল তেল উৎপাদন ও বাজারজাতকরণকে কঠোরভাবে দমন করা হবে। অভিযানের সময় কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, নোংরা পাত্রে তেল সংরক্ষণ এবং সঠিক মান নিয়ন্ত্রণের অভাব স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে।
জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রায়হান কবির সার্বিকভাবে এই অভিযান সমন্বয় করেন। তার নির্দেশনায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিএসটিআই প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে অভিযানটি পরিচালিত হয়। কর্মকর্তারা জানান, ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং ভেজাল তেল উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় এ ধরনের কার্যক্রম চলছিল, তবে প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় তা প্রকাশ্যে আসেনি। এই অভিযানের ফলে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং ভবিষ্যতে এমন অপরাধ বন্ধ হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন। একইসঙ্গে সচেতন মহল মনে করছে, নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো হলে এ ধরনের অনৈতিক ব্যবসা কমে আসবে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় কোনো ধরনের আপস করা হবে না। বাজারে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভেজাল তেলসহ সব ধরনের ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভোক্তাদেরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে তারা সন্দেহজনক পণ্য কেনা থেকে বিরত থাকেন এবং প্রশাসনকে সহযোগিতা করেন।
আরোও পড়ুন – প্রায় অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে লাপাত্তা প্রতারক আফসারা আফরোজ