মোঃ সিদ্দিকুর রহমান বাবু, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট কারাতে প্রশিক্ষক, জাতীয় কারাতে রেফারি ও ক্রীড়া সংগঠক শেখ মাহমুদুন নবী তুষারকে রাজশাহী বিভাগীয় কারাতে রেফারি কমিশনের সদস্য সচিব হিসেবে পুনরায় মনোনীত করা হয়েছে। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং রেফারি কমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দায়িত্বকে সম্মানের পাশাপাশি বড় দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে তিনি রাজশাহী বিভাগের কারাতে প্রশিক্ষক, রেফারি, খেলোয়াড়, সংগঠক ও সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, দক্ষ খেলোয়াড় তৈরি এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ শক্তিশালী করাই এখন গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।
দীর্ঘদিন ধরে দেশের কারাতে অঙ্গনের সঙ্গে যুক্ত থেকে প্রশিক্ষণ, বিচারকতা, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড এবং ক্রীড়াবিদ তৈরিতে কাজ করে আসছেন শেখ মাহমুদুন নবী তুষার। রাজশাহী ও উত্তরাঞ্চলে কারাতে খেলাকে জনপ্রিয় ও সংগঠিত করার ক্ষেত্রেও তার ভূমিকার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সাবেক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি ফেডারেশনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত কারাতে কোচ এবং জাতীয় পর্যায়ের কারাতে রেফারি হিসেবে কাজ করেছেন। বাংলাদেশ জুডো ফেডারেশনের সাবেক সদস্য হিসেবেও তার ক্রীড়া সংগঠনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এসব অভিজ্ঞতা নতুন দায়িত্ব পালনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট মহলের।
ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে তার দায়িত্বের পরিধিও দীর্ঘ। তিনি রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সদস্য এবং রাজশাহী জেলা ও বিভাগীয় কারাতে রেফারি অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক। দীর্ঘদিনের প্রশিক্ষণ ও সংগঠক হিসেবে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘ওয়ার্ল্ড স্টার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন। পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কারাতে কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ফলে খেলোয়াড় তৈরির পাশাপাশি রেফারি ও প্রশিক্ষকদের দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়েও তার বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই অভিজ্ঞতা বিভাগীয় পর্যায়ে কারাতে কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত করতে সহায়ক হতে পারে।
নতুন দায়িত্বের বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় মাহমুদুন নবী তুষার বলেন, রাজশাহী বিভাগীয় কারাতে রেফারি কমিশনের সদস্য সচিব হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পাওয়ায় তিনি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। তিনি এ দায়িত্বকে শুধু সম্মান নয়, দায়িত্বশীলতারও বিষয় হিসেবে দেখছেন। তার পরিকল্পনায় রয়েছে প্রশিক্ষণের মান উন্নয়ন, দক্ষ খেলোয়াড় তৈরি, রেফারি ও কোচদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জেলা পর্যায়ে কারাতে কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা। প্রতিযোগিতায় বিচারকার্যের মান, প্রশিক্ষণের ধারাবাহিকতা এবং খেলোয়াড়দের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও তিনি মনে করেন।
রাজশাহী বিভাগের কারাতে অঙ্গনকে আরও শক্তিশালী ও সংগঠিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বিভাগের সব কারাতে প্রশিক্ষক, রেফারি, খেলোয়াড়, সংগঠক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ব্যক্তিগত বিভাজন বা মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে খেলাটির সামগ্রিক উন্নয়নে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। নতুন প্রজন্মের মধ্যে কারাতে খেলাকে জনপ্রিয় করা এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে আনতে প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা ও সাংগঠনিক সমন্বয়ের বিকল্প নেই। বিভাগীয় পর্যায়ে একটি সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হলে খেলোয়াড়দের ধারাবাহিক উন্নয়নের সুযোগও বাড়বে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।
মাহমুদুন নবী তুষার আরও বলেন, রাজশাহী বিভাগের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় কারাতে কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করা সম্ভব। এজন্য স্থানীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণের সুযোগ, নিয়মিত প্রতিযোগিতা এবং অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক ও রেফারিদের সম্পৃক্ততা গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, শিশু-কিশোর ও তরুণদের মধ্যে কারাতে চর্চা বাড়লে খেলাটির ভিত্তি আরও শক্ত হবে। একই সঙ্গে প্রতিভাবানদের পর্যায়ক্রমে জেলা, বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংগঠন, প্রশিক্ষক, অভিভাবক ও ক্রীড়াসংশ্লিষ্টদের সমন্বিত সহযোগিতা থাকলে রাজশাহী অঞ্চল থেকে আরও দক্ষ কারাতেকা উঠে আসতে পারে।
ক্রীড়াসংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, শেখ মাহমুদুন নবী তুষারের পুনঃমনোনয়নের মধ্য দিয়ে রাজশাহী বিভাগীয় কারাতে রেফারি কমিশনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। বিশেষ করে রেফারিং ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষকদের মধ্যে সমন্বয়, প্রতিযোগিতা আয়োজন এবং নতুন খেলোয়াড় তৈরির ক্ষেত্রে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা কাজে লাগতে পারে। দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বিভাগীয় পর্যায়ের কারাতে কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও নিয়মতান্ত্রিক হবে—এমন প্রত্যাশাও রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং ধারাবাহিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগের কারাতে অঙ্গনকে জাতীয় পর্যায়ে আরও শক্ত অবস্থানে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
আরোও পড়ুন – জাতিসংঘ কি পুরোনো বিশ্বব্যবস্থার কাঠামোয় নতুন পৃথিবী চালাতে পারবে?
কারাতে অঙ্গনে নতুন দায়িত্বে শেখ মাহমুদুন নবী তুষার
মোঃ সিদ্দিকুর রহমান বাবু, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট কারাতে প্রশিক্ষক, জাতীয় কারাতে রেফারি ও ক্রীড়া সংগঠক শেখ মাহমুদুন নবী তুষারকে রাজশাহী বিভাগীয় কারাতে রেফারি কমিশনের সদস্য সচিব হিসেবে পুনরায় মনোনীত করা হয়েছে। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং রেফারি কমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দায়িত্বকে সম্মানের পাশাপাশি বড় দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে তিনি রাজশাহী বিভাগের কারাতে প্রশিক্ষক, রেফারি, খেলোয়াড়, সংগঠক ও সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, দক্ষ খেলোয়াড় তৈরি এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ শক্তিশালী করাই এখন গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।
দীর্ঘদিন ধরে দেশের কারাতে অঙ্গনের সঙ্গে যুক্ত থেকে প্রশিক্ষণ, বিচারকতা, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড এবং ক্রীড়াবিদ তৈরিতে কাজ করে আসছেন শেখ মাহমুদুন নবী তুষার। রাজশাহী ও উত্তরাঞ্চলে কারাতে খেলাকে জনপ্রিয় ও সংগঠিত করার ক্ষেত্রেও তার ভূমিকার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সাবেক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি ফেডারেশনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত কারাতে কোচ এবং জাতীয় পর্যায়ের কারাতে রেফারি হিসেবে কাজ করেছেন। বাংলাদেশ জুডো ফেডারেশনের সাবেক সদস্য হিসেবেও তার ক্রীড়া সংগঠনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এসব অভিজ্ঞতা নতুন দায়িত্ব পালনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট মহলের।
ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে তার দায়িত্বের পরিধিও দীর্ঘ। তিনি রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সদস্য এবং রাজশাহী জেলা ও বিভাগীয় কারাতে রেফারি অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক। দীর্ঘদিনের প্রশিক্ষণ ও সংগঠক হিসেবে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘ওয়ার্ল্ড স্টার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন। পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কারাতে কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ফলে খেলোয়াড় তৈরির পাশাপাশি রেফারি ও প্রশিক্ষকদের দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়েও তার বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই অভিজ্ঞতা বিভাগীয় পর্যায়ে কারাতে কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত করতে সহায়ক হতে পারে।
নতুন দায়িত্বের বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় মাহমুদুন নবী তুষার বলেন, রাজশাহী বিভাগীয় কারাতে রেফারি কমিশনের সদস্য সচিব হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পাওয়ায় তিনি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। তিনি এ দায়িত্বকে শুধু সম্মান নয়, দায়িত্বশীলতারও বিষয় হিসেবে দেখছেন। তার পরিকল্পনায় রয়েছে প্রশিক্ষণের মান উন্নয়ন, দক্ষ খেলোয়াড় তৈরি, রেফারি ও কোচদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জেলা পর্যায়ে কারাতে কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা। প্রতিযোগিতায় বিচারকার্যের মান, প্রশিক্ষণের ধারাবাহিকতা এবং খেলোয়াড়দের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও তিনি মনে করেন।
রাজশাহী বিভাগের কারাতে অঙ্গনকে আরও শক্তিশালী ও সংগঠিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বিভাগের সব কারাতে প্রশিক্ষক, রেফারি, খেলোয়াড়, সংগঠক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ব্যক্তিগত বিভাজন বা মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে খেলাটির সামগ্রিক উন্নয়নে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। নতুন প্রজন্মের মধ্যে কারাতে খেলাকে জনপ্রিয় করা এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে আনতে প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা ও সাংগঠনিক সমন্বয়ের বিকল্প নেই। বিভাগীয় পর্যায়ে একটি সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হলে খেলোয়াড়দের ধারাবাহিক উন্নয়নের সুযোগও বাড়বে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।
মাহমুদুন নবী তুষার আরও বলেন, রাজশাহী বিভাগের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় কারাতে কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করা সম্ভব। এজন্য স্থানীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণের সুযোগ, নিয়মিত প্রতিযোগিতা এবং অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক ও রেফারিদের সম্পৃক্ততা গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, শিশু-কিশোর ও তরুণদের মধ্যে কারাতে চর্চা বাড়লে খেলাটির ভিত্তি আরও শক্ত হবে। একই সঙ্গে প্রতিভাবানদের পর্যায়ক্রমে জেলা, বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংগঠন, প্রশিক্ষক, অভিভাবক ও ক্রীড়াসংশ্লিষ্টদের সমন্বিত সহযোগিতা থাকলে রাজশাহী অঞ্চল থেকে আরও দক্ষ কারাতেকা উঠে আসতে পারে।
ক্রীড়াসংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, শেখ মাহমুদুন নবী তুষারের পুনঃমনোনয়নের মধ্য দিয়ে রাজশাহী বিভাগীয় কারাতে রেফারি কমিশনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। বিশেষ করে রেফারিং ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষকদের মধ্যে সমন্বয়, প্রতিযোগিতা আয়োজন এবং নতুন খেলোয়াড় তৈরির ক্ষেত্রে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা কাজে লাগতে পারে। দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বিভাগীয় পর্যায়ের কারাতে কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও নিয়মতান্ত্রিক হবে—এমন প্রত্যাশাও রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং ধারাবাহিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগের কারাতে অঙ্গনকে জাতীয় পর্যায়ে আরও শক্ত অবস্থানে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
আরোও পড়ুন – জাতিসংঘ কি পুরোনো বিশ্বব্যবস্থার কাঠামোয় নতুন পৃথিবী চালাতে পারবে?