ক্রীড়া ডেস্কঃ
পেপ গার্দিওয়োলার কোচিং ক্যারিয়ারের বিশেষ মাইলফলকের দিনে বড় জয়ে মাঠ ছেড়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। লিভারপুলের বিপক্ষে ইত্তিহাদে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচটি গার্দিওয়োলার ১০০০তম ম্যাচ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকে সিটিজেন সমর্থকদের জন্য। মাঠে শুরু থেকে আধিপত্য দেখিয়ে ৩-০ গোলের স্বচ্ছন্দ জয় নিয়ে শিরোপা লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
প্রথমার্ধের শুরু থেকেই সিটি আক্রমণে ধারাবাহিকতা ধরে রাখে। ম্যাচের ১৩তম মিনিটে পেনাল্টি পেয়ে গোলের দারুণ সুযোগ তৈরি হয়। তবে লিভারপুল গোলরক্ষক জর্জি মামারদাশভিলির চমৎকার সেভে বঞ্চিত হয় সিটি। হালান্ডের নিচু শটটি তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে ঠেকিয়ে দেন। কিন্তু এই প্রতিরোধ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ২৯তম মিনিটে ডানদিক থেকে মাতেউস নুনেসের নিখুঁত ক্রসে হালান্ড বুদ্ধিদীপ্ত হেডে বল জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে নেন। লিভারপুল রক্ষণভাগ তার সামনে অসহায় হয়ে পড়ে।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ কাজে লাগায় সিটি। আক্রমণভাগের দুরন্ত সমন্বয় থেকে নিকো গনসালেস গোল করে লিড দ্বিগুণ করেন। দুই গোলের ব্যবধানে প্রথমার্ধ শেষ করে সিটি আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করে।
বিরতির পর লিভারপুল কিছুটা চাপ তৈরি করার চেষ্টা করলেও সিটির রক্ষণভাগ ছিল দৃঢ় ও সংগঠিত। বল দখল ধরে রেখে আক্রমণের গতি আরও বাড়ায় স্বাগতিকরা। ৬৩তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ডোকুর দারুণ শটে লিড তিনে পৌঁছায়। তার শক্তিশালী দূরপাল্লার শট লিভারপুল গোলরক্ষককে কোনো সুযোগই দেয়নি।
শেষ পর্যন্ত সিটির সুশৃঙ্খল খেলা ও ধারাবাহিক আক্রমণ লিভারপুলকে পুরো ম্যাচে চাপে রাখে। এই জয়ে ১১ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট সংগ্রহ করে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে ম্যানচেস্টার সিটি। অন্যদিকে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে পিছিয়ে পড়ে লিভারপুল। গার্দিওয়োলার স্মরণীয় ১০০০তম ম্যাচ তাই তার দলকে নতুন উদ্দীপনা এনে দিলো এবং শিরোপা লড়াইকে আরও জমিয়ে তুললো।রিয়াল মাদ্রিদে ফর্মের চূড়ায় কিলিয়ান এমবাপ্পে
পেপ গার্দিওয়োলার ১০০০তম ম্যাচে দাপুটে জয়ে শিরোপা লড়াইয়ে ফিরল ম্যানচেস্টার সিটি
ক্রীড়া ডেস্কঃ
পেপ গার্দিওয়োলার কোচিং ক্যারিয়ারের বিশেষ মাইলফলকের দিনে বড় জয়ে মাঠ ছেড়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। লিভারপুলের বিপক্ষে ইত্তিহাদে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচটি গার্দিওয়োলার ১০০০তম ম্যাচ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকে সিটিজেন সমর্থকদের জন্য। মাঠে শুরু থেকে আধিপত্য দেখিয়ে ৩-০ গোলের স্বচ্ছন্দ জয় নিয়ে শিরোপা লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
প্রথমার্ধের শুরু থেকেই সিটি আক্রমণে ধারাবাহিকতা ধরে রাখে। ম্যাচের ১৩তম মিনিটে পেনাল্টি পেয়ে গোলের দারুণ সুযোগ তৈরি হয়। তবে লিভারপুল গোলরক্ষক জর্জি মামারদাশভিলির চমৎকার সেভে বঞ্চিত হয় সিটি। হালান্ডের নিচু শটটি তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে ঠেকিয়ে দেন। কিন্তু এই প্রতিরোধ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ২৯তম মিনিটে ডানদিক থেকে মাতেউস নুনেসের নিখুঁত ক্রসে হালান্ড বুদ্ধিদীপ্ত হেডে বল জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে নেন। লিভারপুল রক্ষণভাগ তার সামনে অসহায় হয়ে পড়ে।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ কাজে লাগায় সিটি। আক্রমণভাগের দুরন্ত সমন্বয় থেকে নিকো গনসালেস গোল করে লিড দ্বিগুণ করেন। দুই গোলের ব্যবধানে প্রথমার্ধ শেষ করে সিটি আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করে।
বিরতির পর লিভারপুল কিছুটা চাপ তৈরি করার চেষ্টা করলেও সিটির রক্ষণভাগ ছিল দৃঢ় ও সংগঠিত। বল দখল ধরে রেখে আক্রমণের গতি আরও বাড়ায় স্বাগতিকরা। ৬৩তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ডোকুর দারুণ শটে লিড তিনে পৌঁছায়। তার শক্তিশালী দূরপাল্লার শট লিভারপুল গোলরক্ষককে কোনো সুযোগই দেয়নি।
শেষ পর্যন্ত সিটির সুশৃঙ্খল খেলা ও ধারাবাহিক আক্রমণ লিভারপুলকে পুরো ম্যাচে চাপে রাখে। এই জয়ে ১১ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট সংগ্রহ করে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে ম্যানচেস্টার সিটি। অন্যদিকে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে পিছিয়ে পড়ে লিভারপুল। গার্দিওয়োলার স্মরণীয় ১০০০তম ম্যাচ তাই তার দলকে নতুন উদ্দীপনা এনে দিলো এবং শিরোপা লড়াইকে আরও জমিয়ে তুললো।রিয়াল মাদ্রিদে ফর্মের চূড়ায় কিলিয়ান এমবাপ্পে