রিয়াল মাদ্রিদে ফর্মের চূড়ায় কিলিয়ান এমবাপ্পে

স্পোর্টস ডেস্কঃ

নাটোরের বনলতা সেন যেমন জীবনানন্দ দাশকে দিয়েছিলেন দু’দণ্ড শান্তি, ফুটবলপ্রেমীদের সেই শান্তি দিতে পারেন কিলিয়ান এমবাপ্পে— তার নিখুঁত ফিনিশিংয়ে। মাঠে তিনি যেন শিল্পী, যিনি একাই খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন মুহূর্তেই।

২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল সেই প্রমাণেরই জ্বলজ্বলে দৃষ্টান্ত। মোনাকোতে ছিলেন বিস্ময়ের নাম, পিএসজিতে মেসি–নেইমারের সঙ্গে গড়ে তুলেছিলেন স্বপ্নের ত্রয়ী। এবার রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতেও লিখছেন নতুন এক সোনালি অধ্যায়।

গত মৌসুমে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) ছেড়ে ফ্রি এজেন্ট হিসেবে যোগ দেন রিয়াল মাদ্রিদে— তার শৈশবের স্বপ্নের ক্লাবে। তবে শুরুটা ছিল কিছুটা কঠিন। নিজের প্রিয় পজিশন উইং ছেড়ে খেলতে হয়েছে স্ট্রাইকার হিসেবে। নতুন দল ও নতুন ভূমিকায় মানিয়ে নিতে সময় লেগেছিল এই ফরাসি তারকার।

কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেল চিত্র। প্রথম দিকের সমালোচনা যেন পরিণত হলো প্রশংসার ঢলে। ধীরে ধীরে নিজের ছন্দ ফিরে পেয়ে একের পর এক গোল করে কাব্য রচনা শুরু করলেন এমবাপ্পে।

মৌসুম শেষে ৪৪ গোল করে হয়ে ওঠেন ইউরোপের সর্বোচ্চ গোলদাতা। একই সঙ্গে ঘরে তোলেন ইউরোপিয়ান গোল্ডেন সু ও পিচিচি অ্যাওয়ার্ড। রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসে এর আগে মাত্র তিনজন খেলোয়াড়ই এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন।

বর্তমান মৌসুমেও দুর্দান্ত ছন্দে আছেন তিনি। লা লিগায় এখন পর্যন্ত ১০ ম্যাচে করেছেন ১০ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট। অন্যদিকে, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে করেছেন আরও ৫ গোল।

বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা যেন প্রমাণ করে চলেছেন— ফর্ম সাময়িক, কিন্তু ক্লাস চিরস্থায়ী।

রিয়াল মাদ্রিদে ফর্মের চূড়ায় কিলিয়ান এমবাপ্পে

অক্টোবর ৩১, ২০২৫

স্পোর্টস ডেস্কঃ

নাটোরের বনলতা সেন যেমন জীবনানন্দ দাশকে দিয়েছিলেন দু’দণ্ড শান্তি, ফুটবলপ্রেমীদের সেই শান্তি দিতে পারেন কিলিয়ান এমবাপ্পে— তার নিখুঁত ফিনিশিংয়ে। মাঠে তিনি যেন শিল্পী, যিনি একাই খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন মুহূর্তেই।

২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল সেই প্রমাণেরই জ্বলজ্বলে দৃষ্টান্ত। মোনাকোতে ছিলেন বিস্ময়ের নাম, পিএসজিতে মেসি–নেইমারের সঙ্গে গড়ে তুলেছিলেন স্বপ্নের ত্রয়ী। এবার রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতেও লিখছেন নতুন এক সোনালি অধ্যায়।

গত মৌসুমে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) ছেড়ে ফ্রি এজেন্ট হিসেবে যোগ দেন রিয়াল মাদ্রিদে— তার শৈশবের স্বপ্নের ক্লাবে। তবে শুরুটা ছিল কিছুটা কঠিন। নিজের প্রিয় পজিশন উইং ছেড়ে খেলতে হয়েছে স্ট্রাইকার হিসেবে। নতুন দল ও নতুন ভূমিকায় মানিয়ে নিতে সময় লেগেছিল এই ফরাসি তারকার।

কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেল চিত্র। প্রথম দিকের সমালোচনা যেন পরিণত হলো প্রশংসার ঢলে। ধীরে ধীরে নিজের ছন্দ ফিরে পেয়ে একের পর এক গোল করে কাব্য রচনা শুরু করলেন এমবাপ্পে।

মৌসুম শেষে ৪৪ গোল করে হয়ে ওঠেন ইউরোপের সর্বোচ্চ গোলদাতা। একই সঙ্গে ঘরে তোলেন ইউরোপিয়ান গোল্ডেন সু ও পিচিচি অ্যাওয়ার্ড। রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসে এর আগে মাত্র তিনজন খেলোয়াড়ই এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন।

বর্তমান মৌসুমেও দুর্দান্ত ছন্দে আছেন তিনি। লা লিগায় এখন পর্যন্ত ১০ ম্যাচে করেছেন ১০ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট। অন্যদিকে, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে করেছেন আরও ৫ গোল।

বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা যেন প্রমাণ করে চলেছেন— ফর্ম সাময়িক, কিন্তু ক্লাস চিরস্থায়ী।