আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ন্যাটোর বার্ষিক পারমাণবিক প্রতিরোধ মহড়া ‘স্টেডফাস্ট নুন’ (Steadfast Noon) সোমবার শুরু হয়েছে। এবারের মহড়ায় ১৪টি মিত্র দেশের ৭১টি যুদ্ধবিমান অংশ নিচ্ছে। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, সুইডেন ও ফিনল্যান্ড।
জার্মানি এই মহড়ায় পাঠিয়েছে আধুনিক ‘টর্নেডো ফাইটার-বোম্বার’, যা মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম। ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে বলেন,
“এই মহড়া সম্ভাব্য শত্রুদের জন্য স্পষ্ট বার্তা বহন করে—ন্যাটো সব মিত্রদেশকে সব ধরনের হুমকি থেকে রক্ষা করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”
অন্যদিকে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানান, রাশিয়ার ন্যাটো দেশগুলোকে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনা নেই। তার দাবি, পশ্চিমা দেশগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে এই আতঙ্ক সৃষ্টি করছে, যা নিজ নিজ রাজনৈতিক সমস্যা আড়াল করার একটি কৌশল মাত্র।
ন্যাটোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মহড়াটি কেবল প্রতিরোধ ও প্রশিক্ষণমূলক, এর সঙ্গে কোনো বাস্তব পারমাণবিক অস্ত্র সংক্রান্ত কার্যক্রমের যোগ নেই।
ন্যাটোর বার্ষিক পারমাণবিক মহড়া শুরু
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ন্যাটোর বার্ষিক পারমাণবিক প্রতিরোধ মহড়া ‘স্টেডফাস্ট নুন’ (Steadfast Noon) সোমবার শুরু হয়েছে। এবারের মহড়ায় ১৪টি মিত্র দেশের ৭১টি যুদ্ধবিমান অংশ নিচ্ছে। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, সুইডেন ও ফিনল্যান্ড।
জার্মানি এই মহড়ায় পাঠিয়েছে আধুনিক ‘টর্নেডো ফাইটার-বোম্বার’, যা মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম। ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে বলেন,
“এই মহড়া সম্ভাব্য শত্রুদের জন্য স্পষ্ট বার্তা বহন করে—ন্যাটো সব মিত্রদেশকে সব ধরনের হুমকি থেকে রক্ষা করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”
অন্যদিকে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানান, রাশিয়ার ন্যাটো দেশগুলোকে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনা নেই। তার দাবি, পশ্চিমা দেশগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে এই আতঙ্ক সৃষ্টি করছে, যা নিজ নিজ রাজনৈতিক সমস্যা আড়াল করার একটি কৌশল মাত্র।
ন্যাটোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মহড়াটি কেবল প্রতিরোধ ও প্রশিক্ষণমূলক, এর সঙ্গে কোনো বাস্তব পারমাণবিক অস্ত্র সংক্রান্ত কার্যক্রমের যোগ নেই।