বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি :
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নে মা ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবাধে মাছ শিকার ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে আলামিন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলামিন নিজেকে পুলিশের সোর্স পরিচয়ে জেলেদের নৌকা ব্যবহার করে মা ইলিশ ধরার কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় সাহজাহান ওরফে চ্যাং শাজাহানের পুত্র আল আমিন নিজেই জেলেদের সঙ্গে নদীতে গিয়ে ইলিশ ধরে তা মহেশপুর এলাকায় এনে বিক্রি করেন। এতে স্থানীয় সচেতন মহলে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের কিছু ব্যক্তি এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জেলে জানান, “আইনের ভয় না থাকায় মা ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে না, বরং কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি এর পেছনে রয়েছেন।”
স্থানীয়রা জানান, বাকেরগঞ্জে মা ইলিশ ধরা ও বিক্রির মতো অবৈধ কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরেই চলছে, যা বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। এ পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি কঠোর নজরদারি জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে এ ধরনের অপরাধ দমন করা সম্ভব।
এছাড়া নদী এলাকায় টহল বাড়ানো, মৎস্য আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করারও দাবি জানান এলাকাবাসী। তাদের মতে, প্রশাসন যদি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়, তাহলে বাকেরগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষা করা সম্ভব হবে এবং মৎস্য সম্পদও টেকসইভাবে সংরক্ষণ করা যাবে।
আরোও পড়ুন – বাকেরগঞ্জে মিথ্যা মামলার অভিযোগে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন
বাকেরগঞ্জের নিয়ামতিতে আলা আমিনের নেতৃত্বে মা ইলিশ ধরা ও বিক্রির অভিযোগ
বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি :
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নে মা ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবাধে মাছ শিকার ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে আলামিন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলামিন নিজেকে পুলিশের সোর্স পরিচয়ে জেলেদের নৌকা ব্যবহার করে মা ইলিশ ধরার কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় সাহজাহান ওরফে চ্যাং শাজাহানের পুত্র আল আমিন নিজেই জেলেদের সঙ্গে নদীতে গিয়ে ইলিশ ধরে তা মহেশপুর এলাকায় এনে বিক্রি করেন। এতে স্থানীয় সচেতন মহলে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের কিছু ব্যক্তি এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জেলে জানান, “আইনের ভয় না থাকায় মা ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে না, বরং কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি এর পেছনে রয়েছেন।”
স্থানীয়রা জানান, বাকেরগঞ্জে মা ইলিশ ধরা ও বিক্রির মতো অবৈধ কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরেই চলছে, যা বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। এ পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি কঠোর নজরদারি জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে এ ধরনের অপরাধ দমন করা সম্ভব।
এছাড়া নদী এলাকায় টহল বাড়ানো, মৎস্য আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করারও দাবি জানান এলাকাবাসী। তাদের মতে, প্রশাসন যদি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়, তাহলে বাকেরগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষা করা সম্ভব হবে এবং মৎস্য সম্পদও টেকসইভাবে সংরক্ষণ করা যাবে।
আরোও পড়ুন – বাকেরগঞ্জে মিথ্যা মামলার অভিযোগে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন