রাত পোহালেই কালী পুজো, কুমারটুলী ও বাজারে উৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে

রিপোর্টার: সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ

১৯ অক্টোবর, রবিবার, কলকাতার কুমারটুলী পাড়া ও বিভিন্ন বাজারে কালী পুজো ও দীপাবলি উৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে। রাত পোহালেই সারাদেশে এই উৎসব উদযাপিত হবে।

বাজার ও প্রস্তুতি

কুমারটুলির মৃতশিল্পীরা প্রতিমার কাজ শেষ করতে ব্যস্ত, পাশাপাশি বিভিন্ন বাজারে প্রতিমা সাজানো ও বিক্রির জন্য প্রস্তুতি চলছে। বাজারে ফলমূল, ফুল, বেলপাতা নিয়ে বিক্রেতারা সাজানো অবস্থায় বসে রয়েছেন। উদ্যোক্তারা প্রতিমা কিনে ঘরে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সারা রাত ধরে ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম চলবে।

উৎসব ও সজাগ প্রশাসন

দীপাবলির শুভেচ্ছা এবং প্রতিমা উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ঘরে ঘরে প্রদীপ ও আলোর সজ্জা, রাস্তায় রঙিন বাজি ও আতশবাজির আওয়াজ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রশাসন রাস্তায় বিশেষ নজরদারি করছে।

বাজেট ও ক্রেতাদের চ্যালেঞ্জ

পুজো উদ্যোক্তারা জানান, “বাজেট মেনে চলা কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিমা ও ফলমূলের দাম প্রতি বছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিমার দাম আগের ২–২.৫ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৩,৫০০–৪,৫০০ টাকা হয়েছে। ফলমূলের দামও বেড়েছে। ডেকোরেশন খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে। ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ।”

সরকারের পক্ষ থেকে পাড়ায় চাঁদা তোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। পাড়ার মানুষও চাঁদা দিতে আগ্রহী নয়। ফলে ছোট পুজোগুলো বাজেটের অভাবে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে।

উৎসবের পরিবেশ

বাজারে ক্রেতাদের ভিড় দেখা যাচ্ছে। প্রতিটি পুজো উদ্যোক্তা উৎসবকে সযত্নে উদযাপন করতে চাইছেন। বাজার ও প্রতিমার দামের ওঠানামা, সঙ্গে প্রশাসনের সতর্ক নজরদারি, সব মিলিয়ে উৎসবের প্রস্তুতি এখনও তুঙ্গে রয়েছে।

রাত পোহালেই কালী পুজো, কুমারটুলী ও বাজারে উৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে

অক্টোবর ১৯, ২০২৫

রিপোর্টার: সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ

১৯ অক্টোবর, রবিবার, কলকাতার কুমারটুলী পাড়া ও বিভিন্ন বাজারে কালী পুজো ও দীপাবলি উৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে। রাত পোহালেই সারাদেশে এই উৎসব উদযাপিত হবে।

বাজার ও প্রস্তুতি

কুমারটুলির মৃতশিল্পীরা প্রতিমার কাজ শেষ করতে ব্যস্ত, পাশাপাশি বিভিন্ন বাজারে প্রতিমা সাজানো ও বিক্রির জন্য প্রস্তুতি চলছে। বাজারে ফলমূল, ফুল, বেলপাতা নিয়ে বিক্রেতারা সাজানো অবস্থায় বসে রয়েছেন। উদ্যোক্তারা প্রতিমা কিনে ঘরে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সারা রাত ধরে ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম চলবে।

উৎসব ও সজাগ প্রশাসন

দীপাবলির শুভেচ্ছা এবং প্রতিমা উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ঘরে ঘরে প্রদীপ ও আলোর সজ্জা, রাস্তায় রঙিন বাজি ও আতশবাজির আওয়াজ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রশাসন রাস্তায় বিশেষ নজরদারি করছে।

বাজেট ও ক্রেতাদের চ্যালেঞ্জ

পুজো উদ্যোক্তারা জানান, “বাজেট মেনে চলা কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিমা ও ফলমূলের দাম প্রতি বছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিমার দাম আগের ২–২.৫ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৩,৫০০–৪,৫০০ টাকা হয়েছে। ফলমূলের দামও বেড়েছে। ডেকোরেশন খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে। ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ।”

সরকারের পক্ষ থেকে পাড়ায় চাঁদা তোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। পাড়ার মানুষও চাঁদা দিতে আগ্রহী নয়। ফলে ছোট পুজোগুলো বাজেটের অভাবে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে।

উৎসবের পরিবেশ

বাজারে ক্রেতাদের ভিড় দেখা যাচ্ছে। প্রতিটি পুজো উদ্যোক্তা উৎসবকে সযত্নে উদযাপন করতে চাইছেন। বাজার ও প্রতিমার দামের ওঠানামা, সঙ্গে প্রশাসনের সতর্ক নজরদারি, সব মিলিয়ে উৎসবের প্রস্তুতি এখনও তুঙ্গে রয়েছে।