বাগেরহাট প্রতিনিধি ঃ
বাগেরহাটে পিতা হত্যার বিচার ও পরিবারের জীবনের নিরাপত্তা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মোঃ মিঠুন খান নামের এক পুত্র। সোমবার (২০ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
মিঠুন খান জানান, গত ৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় মোড়েলগঞ্জ উপজেলার ডেপুয়ারপাড় গ্রামের তার পিতা আবুল কালাম খান (৫০) ও চাচা লুৎফর খান (৬০)-কে স্থানীয় আওয়ামী সন্ত্রাসী সোহেল খান, খবির খান, আল আমিন মাওলানা ও জামায়াতে ইসলামী উপজেলা সেক্রেটারি মাকসুদ মাওলানাসহ ২০–২২ জন ব্যক্তি জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে খালপাড়ে ডেকে নিয়ে অমানবিকভাবে নির্যাতন করে। এতে তার পিতা ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং চাচা গুরুতর আহত অবস্থায় খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।
পরদিন (৫ অক্টোবর) মিঠুন খান বাদী হয়ে মোড়েলগঞ্জ থানায় ১২ জনের নাম উল্লেখ ও আরও কয়েকজন অজ্ঞাত আসামিকে নিয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মিন্টু নামের এক আসামিকে ঘটনাস্থল থেকে এবং খুরুম খানকে ঢাকা থেকে আটক করে।
সংবাদ সম্মেলনে মিঠুন খান অভিযোগ করেন, প্রধান আসামি সোহেল খানের বিরুদ্ধে পূর্বে হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ ৩০টিরও বেশি মামলা রয়েছে। তিনি পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। মামলার আসামি জামায়াত নেতা মাকসুদ মাওলানা মামলা হওয়ার পর থেকেই বাদী পরিবারের ওপর নানা হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, থানায় সহায়তা চাইতে গেলে ওসি অসাদাচরণ করেন এবং মামলার তদন্তকারীর ওপর প্রভাব খাটিয়ে আসামি পক্ষ রিমান্ডে থাকা অবস্থায় সুবিধা নিচ্ছে। এমনকি তাদের ১০ বস্তা সুপারি কোনো কারণ ছাড়াই থানায় আটকে রাখা হয়েছে।
মিঠুন খানের দাবি, পোলেরহাট পুলিশ ফাঁড়ির আইসি বদিউজ্জামান ও দুলাল দারোগা ঘটনাস্থলের আশেপাশে ঘুরে বেড়িয়েছিলেন এবং স্থানীয়দের তথ্যমতে তারা আসামি সোহেল খানের বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া করেছিলেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, তার বাবাকে ইয়াবা মামলায় ফাঁসানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই হত্যা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “আমার পিতার হত্যাকারিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। প্রশাসনের কাছে আমার একটাই দাবি—হত্যাকারিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।”
বাগেরহাটে পিতা হত্যার বিচার ও জীবনের নিরাপত্তা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
বাগেরহাট প্রতিনিধি ঃ
বাগেরহাটে পিতা হত্যার বিচার ও পরিবারের জীবনের নিরাপত্তা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মোঃ মিঠুন খান নামের এক পুত্র। সোমবার (২০ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
মিঠুন খান জানান, গত ৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় মোড়েলগঞ্জ উপজেলার ডেপুয়ারপাড় গ্রামের তার পিতা আবুল কালাম খান (৫০) ও চাচা লুৎফর খান (৬০)-কে স্থানীয় আওয়ামী সন্ত্রাসী সোহেল খান, খবির খান, আল আমিন মাওলানা ও জামায়াতে ইসলামী উপজেলা সেক্রেটারি মাকসুদ মাওলানাসহ ২০–২২ জন ব্যক্তি জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে খালপাড়ে ডেকে নিয়ে অমানবিকভাবে নির্যাতন করে। এতে তার পিতা ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং চাচা গুরুতর আহত অবস্থায় খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।
পরদিন (৫ অক্টোবর) মিঠুন খান বাদী হয়ে মোড়েলগঞ্জ থানায় ১২ জনের নাম উল্লেখ ও আরও কয়েকজন অজ্ঞাত আসামিকে নিয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মিন্টু নামের এক আসামিকে ঘটনাস্থল থেকে এবং খুরুম খানকে ঢাকা থেকে আটক করে।
সংবাদ সম্মেলনে মিঠুন খান অভিযোগ করেন, প্রধান আসামি সোহেল খানের বিরুদ্ধে পূর্বে হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ ৩০টিরও বেশি মামলা রয়েছে। তিনি পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। মামলার আসামি জামায়াত নেতা মাকসুদ মাওলানা মামলা হওয়ার পর থেকেই বাদী পরিবারের ওপর নানা হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, থানায় সহায়তা চাইতে গেলে ওসি অসাদাচরণ করেন এবং মামলার তদন্তকারীর ওপর প্রভাব খাটিয়ে আসামি পক্ষ রিমান্ডে থাকা অবস্থায় সুবিধা নিচ্ছে। এমনকি তাদের ১০ বস্তা সুপারি কোনো কারণ ছাড়াই থানায় আটকে রাখা হয়েছে।
মিঠুন খানের দাবি, পোলেরহাট পুলিশ ফাঁড়ির আইসি বদিউজ্জামান ও দুলাল দারোগা ঘটনাস্থলের আশেপাশে ঘুরে বেড়িয়েছিলেন এবং স্থানীয়দের তথ্যমতে তারা আসামি সোহেল খানের বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া করেছিলেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, তার বাবাকে ইয়াবা মামলায় ফাঁসানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই হত্যা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “আমার পিতার হত্যাকারিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। প্রশাসনের কাছে আমার একটাই দাবি—হত্যাকারিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।”