কলকাতা প্রতিনিধি : সমরেশ রায় ও শম্পা দাস
সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষে পদার্পণ করল টালিগঞ্জ বয়েজ ক্লাব। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) কলকাতার প্রিন্স রহিমুদ্দিন লেনের সংযোগস্থলে ঘড়িকাঁটার গলির মধ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিমার আবরণ উন্মোচন করেন জি বাংলা ধারাবাহিক খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেত্রী ‘ফুলকি’ তথা দিব্যানী মন্ডল।
ফিতে কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন তিনি। এরপর ক্লাবের পক্ষ থেকে দিব্যানী মন্ডলকে উত্তরীয় পরিয়ে, পুষ্পস্তবক, স্মারক ও বাংলার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি দিয়ে সম্মান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সভাপতি রঞ্জিত সিং, যুগ্ম সম্পাদক সমীর কুমার সাহা ও ছোট্টু লাল সাউ, যুগ্ম কোষাধ্যক্ষ রাজীব চক্রবর্তী, এবং সদস্য পার্থ সাউ, মিতা সিং, আরাধ্যা সাহা, শ্যামল দাস, সুবীর সাহা, সারণ্য সাহা, শনি সাউ, সিমরন সাউ, সিদ্ধার্থ সাউ, সঞ্জয় সাউ, শংকর ব্যানার্জি, বুলা ব্যানার্জি, সন্দীপ রায় প্রমুখ।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দিব্যানী মন্ডল বলেন,
“আমি কালীমায় ভক্ত। কালীমায়ের চরণে আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। টালিগঞ্জ বয়েজ ক্লাবের সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষের এই আয়োজন অসাধারণ। সকলের ভালোবাসা ও আশীর্বাদ যেন আমার সঙ্গে থাকে।”


টালিগঞ্জ বয়েজ ক্লাবের পুজোর বিশেষত্ব হলো, প্রতি বছরই তারা ‘শ্যামা মা’কে ফল ও ফুলের মালা পরিয়ে পূজা করে থাকেন। গত ৫০ বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী এই রীতি বজায় রেখেছে ক্লাবটি। ব্রাহ্মণ মহাশয়ের মন্ত্রোচ্চারণ ও আরতির তালে তালে অনুষ্ঠিত হয় পূজা অনুষ্ঠান, যেখানে ভিড় জমে যায় অসংখ্য দর্শনার্থীর।
শুধু পূজো নয়, সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষ উপলক্ষে ক্লাবের পক্ষ থেকে প্রতিদিন আয়োজন করা হয়েছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, অঙ্কন প্রতিযোগিতা, বস্ত্র বিতরণ, ভোগ বিতরণ প্রভৃতি সামাজিক কর্মকাণ্ড।
ক্লাবের উদ্যোক্তা সমীর কুমার সাহা বলেন,
“আমি কী করছি সেটা বড় কথা নয়, বড় কথা আমরা ভাই-বোন মিলে ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় এই পুজোকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি — এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওনা। মিডিয়ার বন্ধুরা না থাকলে হয়তো এই পুজো সবার সামনে আসত না।”

ক্লাবের দুই প্রয়াত সদস্য — সৌমেন্দ্রনাথ সাহা ও সঞ্জয় রায়–এর স্মরণে মঞ্চে তাদের ছবিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এই পুজোর এলাকা মূলত মুসলিম অধ্যুষিত হলেও, সব সম্প্রদায়ের মানুষ একত্রে এই পুজোয় অংশ নেন। একতা ও সম্প্রীতির বার্তা বহন করেই এগিয়ে চলছে টালিগঞ্জ বয়েজ ক্লাবের সুবর্ণ যাত্রা।
শেষে ক্লাবের পক্ষ থেকে সকলকে শুভ দীপাবলীর শুভেচ্ছা জানিয়ে জানানো হয়—
“দীপাবলীর আলোয় আলোকিত হোক প্রতিটি জীবন। ছোটদের সাবধানে রাখুন, আলো আর আনন্দে ভরে উঠুক আপনার ঘর।”
সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষে টালিগঞ্জ বয়েজ ক্লাবের প্রতিমার আবরণ উন্মোচন করলেন জি বাংলা খ্যাত ‘ফুলকি’
কলকাতা প্রতিনিধি : সমরেশ রায় ও শম্পা দাস
সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষে পদার্পণ করল টালিগঞ্জ বয়েজ ক্লাব। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) কলকাতার প্রিন্স রহিমুদ্দিন লেনের সংযোগস্থলে ঘড়িকাঁটার গলির মধ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিমার আবরণ উন্মোচন করেন জি বাংলা ধারাবাহিক খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেত্রী ‘ফুলকি’ তথা দিব্যানী মন্ডল।
ফিতে কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন তিনি। এরপর ক্লাবের পক্ষ থেকে দিব্যানী মন্ডলকে উত্তরীয় পরিয়ে, পুষ্পস্তবক, স্মারক ও বাংলার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি দিয়ে সম্মান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সভাপতি রঞ্জিত সিং, যুগ্ম সম্পাদক সমীর কুমার সাহা ও ছোট্টু লাল সাউ, যুগ্ম কোষাধ্যক্ষ রাজীব চক্রবর্তী, এবং সদস্য পার্থ সাউ, মিতা সিং, আরাধ্যা সাহা, শ্যামল দাস, সুবীর সাহা, সারণ্য সাহা, শনি সাউ, সিমরন সাউ, সিদ্ধার্থ সাউ, সঞ্জয় সাউ, শংকর ব্যানার্জি, বুলা ব্যানার্জি, সন্দীপ রায় প্রমুখ।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দিব্যানী মন্ডল বলেন,
“আমি কালীমায় ভক্ত। কালীমায়ের চরণে আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। টালিগঞ্জ বয়েজ ক্লাবের সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষের এই আয়োজন অসাধারণ। সকলের ভালোবাসা ও আশীর্বাদ যেন আমার সঙ্গে থাকে।”


টালিগঞ্জ বয়েজ ক্লাবের পুজোর বিশেষত্ব হলো, প্রতি বছরই তারা ‘শ্যামা মা’কে ফল ও ফুলের মালা পরিয়ে পূজা করে থাকেন। গত ৫০ বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী এই রীতি বজায় রেখেছে ক্লাবটি। ব্রাহ্মণ মহাশয়ের মন্ত্রোচ্চারণ ও আরতির তালে তালে অনুষ্ঠিত হয় পূজা অনুষ্ঠান, যেখানে ভিড় জমে যায় অসংখ্য দর্শনার্থীর।
শুধু পূজো নয়, সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষ উপলক্ষে ক্লাবের পক্ষ থেকে প্রতিদিন আয়োজন করা হয়েছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, অঙ্কন প্রতিযোগিতা, বস্ত্র বিতরণ, ভোগ বিতরণ প্রভৃতি সামাজিক কর্মকাণ্ড।
ক্লাবের উদ্যোক্তা সমীর কুমার সাহা বলেন,
“আমি কী করছি সেটা বড় কথা নয়, বড় কথা আমরা ভাই-বোন মিলে ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় এই পুজোকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি — এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওনা। মিডিয়ার বন্ধুরা না থাকলে হয়তো এই পুজো সবার সামনে আসত না।”

ক্লাবের দুই প্রয়াত সদস্য — সৌমেন্দ্রনাথ সাহা ও সঞ্জয় রায়–এর স্মরণে মঞ্চে তাদের ছবিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এই পুজোর এলাকা মূলত মুসলিম অধ্যুষিত হলেও, সব সম্প্রদায়ের মানুষ একত্রে এই পুজোয় অংশ নেন। একতা ও সম্প্রীতির বার্তা বহন করেই এগিয়ে চলছে টালিগঞ্জ বয়েজ ক্লাবের সুবর্ণ যাত্রা।
শেষে ক্লাবের পক্ষ থেকে সকলকে শুভ দীপাবলীর শুভেচ্ছা জানিয়ে জানানো হয়—
“দীপাবলীর আলোয় আলোকিত হোক প্রতিটি জীবন। ছোটদের সাবধানে রাখুন, আলো আর আনন্দে ভরে উঠুক আপনার ঘর।”