কলকাতা প্রতিনিধি: সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, পশ্চিমবঙ্গ
কলকাতার বাবুঘাটে আজও চলছে কালী প্রতিমার বিসর্জন উৎসব। গত দুই দিন ধরে জাগ্রত চামুন্ডা কালীসহ শহরের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রতিমা নিরঞ্জন চলছে কঠোর পুলিশি নজরদারিতে। পুরো ঘাটজুড়ে মোতায়েন রয়েছে কলকাতা পুলিশ, কে.এম.সি (KMC) কর্মী এবং বোম স্কোয়াডের সদস্যরা।
বাবুঘাটে সকাল থেকেই প্রতিমা নিরঞ্জন শুরু হয়। একের পর এক ক্লাবের উদ্যোক্তারা বাজনা-বাজিয়ে শোভাযাত্রা সহকারে প্রতিমা নিয়ে ঘাটে আসেন এবং প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী শান্তিপূর্ণভাবে বিসর্জন সম্পন্ন করেন। নিরাপত্তার স্বার্থে ঘাটে প্রবেশে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে; প্রশাসন বারবার মাইকিং করে জানাচ্ছে—প্রতিমার সঙ্গে বেশি সংখ্যক লোক যেন না ঢোকে এবং মহিলাদের ঘাটে প্রবেশ না করতে বলা হয়েছে।
তবুও কিছু উদ্যোক্তা প্রশাসনিক নির্দেশ অমান্য করে মহিলাদের নিয়ে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন, যেখানে পুলিশি বাধার মুখে পড়তে হয় তাদের। নদীর জলে কাউকে নামতে দেওয়া হচ্ছে না, ঘাটের ধারেও রয়েছে কঠোর নিরাপত্তা বলয়। কে.এম.সি কর্মকর্তারা নিশ্চিত করছেন যাতে কেউ ঘাট এলাকায় দীর্ঘক্ষণ অবস্থান না করে।

বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে চেতলার জাগ্রত চামুন্ডা কালী মায়ের বিসর্জন। এই প্রতিমা পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই ঘাট সম্পূর্ণরূপে পুলিশ দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়, যতক্ষণ না ওই প্রতিমার বিসর্জন সম্পন্ন হয়, ততক্ষণ অন্য কোনো প্রতিমা বিসর্জনের অনুমতি দেওয়া হয় না। এই সময় ঘাটের রাস্তাগুলোও সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না ঘটে।
পরিবেশ দূষণ রোধে কে.এম.সি কর্মীরা নদীতে ফেলা প্রতিমাগুলি দ্রুত ক্রেনের সাহায্যে তুলে নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে যাচ্ছেন। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি ধাপেই সচেতনভাবে দায়িত্ব পালন করছে প্রশাসন।

অন্যদিকে, চামুন্ডা মায়ের বিসর্জনের সময় কোনো যান্ত্রিক সাহায্য ব্যবহার করা হয় না। ক্লাব উদ্যোক্তারা নিজেরাই জলে নেমে প্রতিমার মাটি খসিয়ে, খড় ও দড়ির অংশ জলে ভাসিয়ে দেন—এ রীতিটি বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে। এই বিসর্জন দেখতে প্রতিবছর হাজারো মানুষ অধীর আগ্রহে ভিড় করেন বাবুঘাটে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সামান্য কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সামগ্রিকভাবে প্রতিমা নিরঞ্জন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সরকার সকল পূজো উদ্যোক্তাকে শুভ শারদীয়া, দীপাবলি ও ছট পূজোর শুভেচ্ছা জানিয়েছে।
বিসর্জন শেষে উদ্যোক্তাদের মুখে একটাই স্লোগান—
“আসছে বছর আবার হবে।”
কলকাতার বাবুঘাটে চলছে কালী প্রতিমা বিসর্জন: জাগ্রত চামুন্ডা মায়ের বিসর্জন ঘিরে নজরদারি জোরদার
কলকাতা প্রতিনিধি: সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, পশ্চিমবঙ্গ
কলকাতার বাবুঘাটে আজও চলছে কালী প্রতিমার বিসর্জন উৎসব। গত দুই দিন ধরে জাগ্রত চামুন্ডা কালীসহ শহরের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রতিমা নিরঞ্জন চলছে কঠোর পুলিশি নজরদারিতে। পুরো ঘাটজুড়ে মোতায়েন রয়েছে কলকাতা পুলিশ, কে.এম.সি (KMC) কর্মী এবং বোম স্কোয়াডের সদস্যরা।
বাবুঘাটে সকাল থেকেই প্রতিমা নিরঞ্জন শুরু হয়। একের পর এক ক্লাবের উদ্যোক্তারা বাজনা-বাজিয়ে শোভাযাত্রা সহকারে প্রতিমা নিয়ে ঘাটে আসেন এবং প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী শান্তিপূর্ণভাবে বিসর্জন সম্পন্ন করেন। নিরাপত্তার স্বার্থে ঘাটে প্রবেশে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে; প্রশাসন বারবার মাইকিং করে জানাচ্ছে—প্রতিমার সঙ্গে বেশি সংখ্যক লোক যেন না ঢোকে এবং মহিলাদের ঘাটে প্রবেশ না করতে বলা হয়েছে।
তবুও কিছু উদ্যোক্তা প্রশাসনিক নির্দেশ অমান্য করে মহিলাদের নিয়ে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন, যেখানে পুলিশি বাধার মুখে পড়তে হয় তাদের। নদীর জলে কাউকে নামতে দেওয়া হচ্ছে না, ঘাটের ধারেও রয়েছে কঠোর নিরাপত্তা বলয়। কে.এম.সি কর্মকর্তারা নিশ্চিত করছেন যাতে কেউ ঘাট এলাকায় দীর্ঘক্ষণ অবস্থান না করে।

বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে চেতলার জাগ্রত চামুন্ডা কালী মায়ের বিসর্জন। এই প্রতিমা পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই ঘাট সম্পূর্ণরূপে পুলিশ দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়, যতক্ষণ না ওই প্রতিমার বিসর্জন সম্পন্ন হয়, ততক্ষণ অন্য কোনো প্রতিমা বিসর্জনের অনুমতি দেওয়া হয় না। এই সময় ঘাটের রাস্তাগুলোও সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না ঘটে।
পরিবেশ দূষণ রোধে কে.এম.সি কর্মীরা নদীতে ফেলা প্রতিমাগুলি দ্রুত ক্রেনের সাহায্যে তুলে নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে যাচ্ছেন। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি ধাপেই সচেতনভাবে দায়িত্ব পালন করছে প্রশাসন।

অন্যদিকে, চামুন্ডা মায়ের বিসর্জনের সময় কোনো যান্ত্রিক সাহায্য ব্যবহার করা হয় না। ক্লাব উদ্যোক্তারা নিজেরাই জলে নেমে প্রতিমার মাটি খসিয়ে, খড় ও দড়ির অংশ জলে ভাসিয়ে দেন—এ রীতিটি বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে। এই বিসর্জন দেখতে প্রতিবছর হাজারো মানুষ অধীর আগ্রহে ভিড় করেন বাবুঘাটে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সামান্য কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সামগ্রিকভাবে প্রতিমা নিরঞ্জন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সরকার সকল পূজো উদ্যোক্তাকে শুভ শারদীয়া, দীপাবলি ও ছট পূজোর শুভেচ্ছা জানিয়েছে।
বিসর্জন শেষে উদ্যোক্তাদের মুখে একটাই স্লোগান—
“আসছে বছর আবার হবে।”