বদলগাছীতে ভিটা মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি, দেলোয়ারের বিরুদ্ধে ভূমি আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ

মুজাহিদ হোসেন, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার মিঠাপুর ইউনিয়নের জগপাড়া মৌজায় সরকারি অনুমোদন ছাড়াই ভিটা মাটি কেটে অবৈধ ইটভাটায় সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিয়ম ভঙ্গ করে মাটি বিক্রি করলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেলোয়ার হোসেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কিছু কর্মকর্তাকে ‘ম্যানেজ’ করে নিজের ভিটা ও আশপাশের এলাকার মাটি কেটে ট্রাকযোগে আল-ফালাহ ব্রিকস নামের একটি ইটভাটায় সরবরাহ করছেন। এতে এলাকার কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে এবং মাটি কাটা স্থানে গভীর গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা জানান, “অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি করায় পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। আমরা বিষয়টি ভূমি অফিসে জানিয়েছি, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং কিছু কর্মকর্তাই এ কাজে সহযোগিতা করছেন বলে আমাদের ধারণা।”

বাংলাদেশের ভূমি উন্নয়ন কর আইন, ১৯৭৬, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং ভূমি সংরক্ষণ আইন, ১৯৫১ অনুযায়ী সরকারি অনুমোদন ছাড়া কৃষিজমি বা ভিটা মাটি কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া মাটি কাটলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

এ বিষয়ে মিঠাপুর ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. রাসেল হোসেন বলেন, “বিষয়টি আমার জানা নেই। অনুমতি ছাড়া কেউ ভিটা মাটি কাটতে পারে না। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অন্যদিকে বদলগাছী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. পলাশ উদ্দীন বলেন, “অনুমোদন ছাড়া মাটি কাটার বিষয়টি তদন্ত করা হবে। প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে অবৈধভাবে মাটি কাটা ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হোক। পাশাপাশি কৃষিজমি ও পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

বদলগাছীতে ভিটা মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি, দেলোয়ারের বিরুদ্ধে ভূমি আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ

অক্টোবর ২৭, ২০২৫

মুজাহিদ হোসেন, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার মিঠাপুর ইউনিয়নের জগপাড়া মৌজায় সরকারি অনুমোদন ছাড়াই ভিটা মাটি কেটে অবৈধ ইটভাটায় সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিয়ম ভঙ্গ করে মাটি বিক্রি করলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেলোয়ার হোসেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কিছু কর্মকর্তাকে ‘ম্যানেজ’ করে নিজের ভিটা ও আশপাশের এলাকার মাটি কেটে ট্রাকযোগে আল-ফালাহ ব্রিকস নামের একটি ইটভাটায় সরবরাহ করছেন। এতে এলাকার কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে এবং মাটি কাটা স্থানে গভীর গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা জানান, “অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি করায় পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। আমরা বিষয়টি ভূমি অফিসে জানিয়েছি, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং কিছু কর্মকর্তাই এ কাজে সহযোগিতা করছেন বলে আমাদের ধারণা।”

বাংলাদেশের ভূমি উন্নয়ন কর আইন, ১৯৭৬, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং ভূমি সংরক্ষণ আইন, ১৯৫১ অনুযায়ী সরকারি অনুমোদন ছাড়া কৃষিজমি বা ভিটা মাটি কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া মাটি কাটলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

এ বিষয়ে মিঠাপুর ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. রাসেল হোসেন বলেন, “বিষয়টি আমার জানা নেই। অনুমতি ছাড়া কেউ ভিটা মাটি কাটতে পারে না। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অন্যদিকে বদলগাছী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. পলাশ উদ্দীন বলেন, “অনুমোদন ছাড়া মাটি কাটার বিষয়টি তদন্ত করা হবে। প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে অবৈধভাবে মাটি কাটা ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হোক। পাশাপাশি কৃষিজমি ও পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।