সেলিম মাহবুব, ছাতকঃ
ছাতকে বহুল আলোচিত জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে নিহতের স্ত্রী রানু বেগমের নাম। মামলাটিতে জড়িত থাকার সন্দেহে তাকে গ্রেফতার করেছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। শুক্রবার বিকেলে ছাতক থানা পুলিশ ও র্যাবের যৌথ অভিযানে সিংচাপইড় ইউনিয়নের গহরপুর গ্রামের লুৎফুর রহমানের বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর হঠাৎ তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ায় এলাকায় নতুন করে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মূল অভিযুক্ত বাবুল মিয়াকে গ্রেফতারের পর থেকে পলাতক ছিলেন রানু বেগম। তাকে ধরতে গোয়েন্দা সদস্যরা টানা এক সপ্তাহ নজরদারি চালান। পরে বাড়ির বাইরে তালা ঝুলিয়ে আত্মগোপন করে থাকা অবস্থায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টার অভিযানে পুলিশ ও র্যাবের অর্ধশতাধিক সদস্য অংশ নেন। আটক করার পর তাকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে।স্ত্রীর সাথে অভিমান করে প্রান দিলেন জিয়াউল
এদিকে, জিয়া হত্যা মামলার তদন্তে নতুন গতি এসেছে বলে জানায় পুলিশ। তাদের দাবি, হত্যাকাণ্ডে পারিবারিক দ্বন্দ্বসহ আরও একাধিক দিক উঠে এসেছে। নিহত জিয়াউর রহমানের স্ত্রী রানু বেগম ছাড়াও ছেলে সালমান আহমদ এবং প্রবাসী চাচাতো ভাই মাসুক মিয়ার সংশ্লিষ্টতার কিছু প্রাথমিক তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে তদন্ত টিম। একই সঙ্গে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সাহেলের ঘনিষ্ঠ কয়েকজনও সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন। প্রয়োজন হলে তাদেরও গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
গত ১০ সেপ্টেম্বর সিংচাপইড় ইউনিয়নের মহদি গ্রামের প্রণব দাসের বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় জিয়াউর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের সৎভাই তাজিজুর রহমান অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে ছাতক থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত চলমান অবস্থায় একের পর এক নতুন তথ্য বেরিয়ে আসায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনা চলছে।নবীগঞ্জে তিন সন্তানের মা নগদ ও স্বর্ণালঙ্কারসহ কর্মচারীর সঙ্গে উধাও, স্বামী ও সন্তান দিশেহারা
ছাতকে জিয়া হত্যা মামলায় স্ত্রী রানু বেগম গ্রেফতার, তদন্তে নতুন মোড়
সেলিম মাহবুব, ছাতকঃ
ছাতকে বহুল আলোচিত জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে নিহতের স্ত্রী রানু বেগমের নাম। মামলাটিতে জড়িত থাকার সন্দেহে তাকে গ্রেফতার করেছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। শুক্রবার বিকেলে ছাতক থানা পুলিশ ও র্যাবের যৌথ অভিযানে সিংচাপইড় ইউনিয়নের গহরপুর গ্রামের লুৎফুর রহমানের বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর হঠাৎ তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ায় এলাকায় নতুন করে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মূল অভিযুক্ত বাবুল মিয়াকে গ্রেফতারের পর থেকে পলাতক ছিলেন রানু বেগম। তাকে ধরতে গোয়েন্দা সদস্যরা টানা এক সপ্তাহ নজরদারি চালান। পরে বাড়ির বাইরে তালা ঝুলিয়ে আত্মগোপন করে থাকা অবস্থায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টার অভিযানে পুলিশ ও র্যাবের অর্ধশতাধিক সদস্য অংশ নেন। আটক করার পর তাকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে।স্ত্রীর সাথে অভিমান করে প্রান দিলেন জিয়াউল
এদিকে, জিয়া হত্যা মামলার তদন্তে নতুন গতি এসেছে বলে জানায় পুলিশ। তাদের দাবি, হত্যাকাণ্ডে পারিবারিক দ্বন্দ্বসহ আরও একাধিক দিক উঠে এসেছে। নিহত জিয়াউর রহমানের স্ত্রী রানু বেগম ছাড়াও ছেলে সালমান আহমদ এবং প্রবাসী চাচাতো ভাই মাসুক মিয়ার সংশ্লিষ্টতার কিছু প্রাথমিক তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে তদন্ত টিম। একই সঙ্গে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সাহেলের ঘনিষ্ঠ কয়েকজনও সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন। প্রয়োজন হলে তাদেরও গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
গত ১০ সেপ্টেম্বর সিংচাপইড় ইউনিয়নের মহদি গ্রামের প্রণব দাসের বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় জিয়াউর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের সৎভাই তাজিজুর রহমান অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে ছাতক থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত চলমান অবস্থায় একের পর এক নতুন তথ্য বেরিয়ে আসায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনা চলছে।নবীগঞ্জে তিন সন্তানের মা নগদ ও স্বর্ণালঙ্কারসহ কর্মচারীর সঙ্গে উধাও, স্বামী ও সন্তান দিশেহারা