বানিয়াচংয়ে অতিথি পাখি শিকার বন্ধে উদ্বিগ্ন পরিবেশপ্রেমীরা

শাহরিয়ার খান নাফিজ, বানিয়াচং (হবিগঞ্জ)

হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার বিস্তীর্ণ হাওরাঞ্চলে শীতের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে নানান প্রজাতির অতিথি পাখি আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। প্রতিবছরই এ সময় দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার পরিযায়ী পাখি আসে এই অঞ্চলে শীত কাটাতে। কিন্তু পাখিদের আগমন যতটা আনন্দের, তাদের নির্বিচার নিধন এখন ততটাই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় পরিবেশপ্রেমীদের জন্য।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাওরের বিভিন্ন এলাকায় দিন-রাত নির্বিশেষে জাল পাতা ও গুলি ছুঁড়ে অতিথি পাখি শিকার করা হচ্ছে। এসব শিকার করা পাখি পরে স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করা হচ্ছে অবৈধভাবে। এতে একদিকে যেমন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘিত হচ্ছে, তেমনি পরিবেশের ভারসাম্যও নষ্ট হচ্ছে।

বানিয়াচং উপজেলার পরিবেশ সচেতন নাগরিকরা জানিয়েছেন, অতিথি পাখি প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখে। কিন্তু অবৈধ শিকার কার্যক্রমের ফলে অনেক প্রজাতির পাখি বিলুপ্তির পথে। আগে শীত মৌসুমে আকাশে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি উড়ে বেড়াত, এখন সেই দৃশ্য অনেকটাই বিরল হয়ে পড়েছে।

পরিবেশপ্রেমীরা মনে করেন, অতিথি পাখি নিধন বন্ধে প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পরিবেশ রক্ষায় সচেতন ভূমিকা রাখতে পারে। তারা আরও বলেন, স্থানীয় জনগণকে পাখি সংরক্ষণের গুরুত্ব বোঝাতে পারলেই এই অপরাধ বন্ধ করা সম্ভব হবে।

শীতের শুরুতে হাওরাঞ্চলে অতিথি পাখিদের কোলাহলে প্রাণ ফিরে পেলেও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে, একদিন হয়তো এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য শুধুই স্মৃতিতে রয়ে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পরিবেশকর্মীরা।

বানিয়াচংয়ে অতিথি পাখি শিকার বন্ধে উদ্বিগ্ন পরিবেশপ্রেমীরা

নভেম্বর ১৩, ২০২৫

শাহরিয়ার খান নাফিজ, বানিয়াচং (হবিগঞ্জ)

হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার বিস্তীর্ণ হাওরাঞ্চলে শীতের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে নানান প্রজাতির অতিথি পাখি আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। প্রতিবছরই এ সময় দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার পরিযায়ী পাখি আসে এই অঞ্চলে শীত কাটাতে। কিন্তু পাখিদের আগমন যতটা আনন্দের, তাদের নির্বিচার নিধন এখন ততটাই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় পরিবেশপ্রেমীদের জন্য।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাওরের বিভিন্ন এলাকায় দিন-রাত নির্বিশেষে জাল পাতা ও গুলি ছুঁড়ে অতিথি পাখি শিকার করা হচ্ছে। এসব শিকার করা পাখি পরে স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করা হচ্ছে অবৈধভাবে। এতে একদিকে যেমন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘিত হচ্ছে, তেমনি পরিবেশের ভারসাম্যও নষ্ট হচ্ছে।

বানিয়াচং উপজেলার পরিবেশ সচেতন নাগরিকরা জানিয়েছেন, অতিথি পাখি প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখে। কিন্তু অবৈধ শিকার কার্যক্রমের ফলে অনেক প্রজাতির পাখি বিলুপ্তির পথে। আগে শীত মৌসুমে আকাশে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি উড়ে বেড়াত, এখন সেই দৃশ্য অনেকটাই বিরল হয়ে পড়েছে।

পরিবেশপ্রেমীরা মনে করেন, অতিথি পাখি নিধন বন্ধে প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পরিবেশ রক্ষায় সচেতন ভূমিকা রাখতে পারে। তারা আরও বলেন, স্থানীয় জনগণকে পাখি সংরক্ষণের গুরুত্ব বোঝাতে পারলেই এই অপরাধ বন্ধ করা সম্ভব হবে।

শীতের শুরুতে হাওরাঞ্চলে অতিথি পাখিদের কোলাহলে প্রাণ ফিরে পেলেও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে, একদিন হয়তো এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য শুধুই স্মৃতিতে রয়ে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পরিবেশকর্মীরা।