শরিফ মিয়া, জামালপুর:
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় ২০২৫–২৬ মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় সরিষা বীজ, ডিএপি ও এমওপি সার বিতরণ কার্যক্রম চলছে। সরকারের এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং শীতকালীন ফসল চাষে সহায়তা করা। কিন্তু মাঠপর্যায়ে এই প্রণোদনা পরিকল্পনা যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
রোববার অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিকরা উপজেলা কৃষি অফিসে গেলে দেখা যায়, কৃষকদের বরাদ্দকৃত সার ও বীজ কিছু স্থানীয় ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। তারা রিকশায় করে এসব সার ও বীজ অফিসের সামনেই বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছিলেন। এ দৃশ্য চোখে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই এলাকাজুড়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
ঘটনা সম্পর্কে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল দাবি করেন, তার অফিসের সামনে সার–বীজ বিক্রি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি আরও জানান, বিতরণের আগে মাস্টাররোলে স্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়টি নিয়মবহির্ভূত এবং এ ধরনের কাজ তাদের বিভাগ অনুমোদন করে না।
আরোও পড়ুন – সার পাচার রোধে এলাকাবাসীর সচেতন উদ্যোগ আদিতমারীতে
তবে পলবান্ধা ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আইয়ুব আলীর বক্তব্য ভিন্ন। তিনি বলেন, তাদের সুবিধার্থে মাস্টাররোলে স্বাক্ষর বা টিপসই নিয়ে সংশ্লিষ্ট কৃষকদের স্লিপ দেওয়া হয়। দুই কর্মকর্তার বক্তব্যে অসঙ্গতি দেখা দিলে ঘটনাটি নিয়ে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পরে কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল তার অফিসের সামনে প্রণোদনার সার–বীজসহ এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নিয়েই কিছুক্ষণ পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এতে সাধারণ মানুষের মনে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে—প্রণোদনার সার–বীজ পাচারের ঘটনায় কি প্রভাবশালী কেউ জড়িত?
এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে কৃষি কর্মকর্তা জানান, এসিল্যান্ড আসার পর তিনি বিস্তারিত বক্তব্য দেবেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান বলেন, বিষয়টি তিনি অবহিত হয়েছেন এবং কালোবাজারিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের দাবি, প্রণোদনার সার ও বীজ যাতে প্রকৃত কৃষকের হাতে পৌঁছায়, সে জন্য প্রশাসনকে আরও কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত মনিটরিং চালাতে হবে। প্রণোদনা যাতে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পাচার না হয়, সেটিই এখন তাদের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।
ইসলামপুরে কৃষি প্রণোদনার সার–বীজ পাচারের অভিযোগে তদন্তের দাবি
শরিফ মিয়া, জামালপুর:
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় ২০২৫–২৬ মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় সরিষা বীজ, ডিএপি ও এমওপি সার বিতরণ কার্যক্রম চলছে। সরকারের এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং শীতকালীন ফসল চাষে সহায়তা করা। কিন্তু মাঠপর্যায়ে এই প্রণোদনা পরিকল্পনা যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
রোববার অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিকরা উপজেলা কৃষি অফিসে গেলে দেখা যায়, কৃষকদের বরাদ্দকৃত সার ও বীজ কিছু স্থানীয় ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। তারা রিকশায় করে এসব সার ও বীজ অফিসের সামনেই বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছিলেন। এ দৃশ্য চোখে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই এলাকাজুড়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
ঘটনা সম্পর্কে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল দাবি করেন, তার অফিসের সামনে সার–বীজ বিক্রি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি আরও জানান, বিতরণের আগে মাস্টাররোলে স্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়টি নিয়মবহির্ভূত এবং এ ধরনের কাজ তাদের বিভাগ অনুমোদন করে না।
আরোও পড়ুন – সার পাচার রোধে এলাকাবাসীর সচেতন উদ্যোগ আদিতমারীতে
তবে পলবান্ধা ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আইয়ুব আলীর বক্তব্য ভিন্ন। তিনি বলেন, তাদের সুবিধার্থে মাস্টাররোলে স্বাক্ষর বা টিপসই নিয়ে সংশ্লিষ্ট কৃষকদের স্লিপ দেওয়া হয়। দুই কর্মকর্তার বক্তব্যে অসঙ্গতি দেখা দিলে ঘটনাটি নিয়ে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পরে কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল তার অফিসের সামনে প্রণোদনার সার–বীজসহ এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নিয়েই কিছুক্ষণ পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এতে সাধারণ মানুষের মনে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে—প্রণোদনার সার–বীজ পাচারের ঘটনায় কি প্রভাবশালী কেউ জড়িত?
এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে কৃষি কর্মকর্তা জানান, এসিল্যান্ড আসার পর তিনি বিস্তারিত বক্তব্য দেবেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান বলেন, বিষয়টি তিনি অবহিত হয়েছেন এবং কালোবাজারিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের দাবি, প্রণোদনার সার ও বীজ যাতে প্রকৃত কৃষকের হাতে পৌঁছায়, সে জন্য প্রশাসনকে আরও কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত মনিটরিং চালাতে হবে। প্রণোদনা যাতে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পাচার না হয়, সেটিই এখন তাদের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।