বুটেক্সের আবাসিক হলে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব, বাড়ছে শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ

আহাম্মেদ সাব্বির, বুটেক্স প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে ডেঙ্গুর প্রভাব আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে শুরু করেছে। অক্টোবরের শেষ দিক থেকে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্রমাগত ভোগান্তির মুখে পড়ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি আবাসিক হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে, যা ক্যাম্পাসজুড়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

হলগুলোর আশপাশের ড্রেনে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা নোংরা পানি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, বর্জ্য অপসারণে দুর্বলতা এবং নিয়মিত ফগিং না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে জি এম এ জি ওসমানী হলে শিক্ষার্থীরা জানান, রুমগুলোতে অতিরিক্ত ভিড় এবং অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা ডেঙ্গু সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলছে। এখানে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হয়েছেন।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম হলের শিক্ষার্থীরাও একই সমস্যার কথা জানিয়েছেন। হলের আশপাশে জমে থাকা আবর্জনা, মাঠের পাশে নোংরা স্তূপ এবং অনিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কারণে মশা জন্মানোর উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ফলে সন্ধ্যার পর থেকে রিডিং রুম এবং আবাসিক কক্ষগুলোতে মশার উপদ্রব বেড়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে।

আরোও পড়ুন – বুটেক্সের চারটি আবাসিক হলে নতুন প্রভোস্ট নিয়োগ

শহীদ আজিজ হলেও পরিস্থিতি খুব একটা ভিন্ন নয়। সেখানে একজন শিক্ষার্থীর ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার পর হল প্রশাসন অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে। দ্রুত ফগিং ব্যবস্থা জোরদার করা, পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং সম্ভাব্য স্থবির পানির উৎস অপসারণের উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা চলছে।

হল প্রশাসনের দাবি, ডেঙ্গু পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, লার্ভিসাইড প্রয়োগ, ফগিং এবং মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। তবে শিক্ষার্থীরা মনে করেন, এসব কার্যক্রম নিয়মিত এবং ফলপ্রসূ না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রভাব দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো বুটেক্স ক্যাম্পাসেও অনুভূত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আবাসিক হলগুলোতে ডেঙ্গুর সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বুটেক্সের আবাসিক হলে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব, বাড়ছে শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ

নভেম্বর ১৮, ২০২৫

আহাম্মেদ সাব্বির, বুটেক্স প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে ডেঙ্গুর প্রভাব আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে শুরু করেছে। অক্টোবরের শেষ দিক থেকে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্রমাগত ভোগান্তির মুখে পড়ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি আবাসিক হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে, যা ক্যাম্পাসজুড়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

হলগুলোর আশপাশের ড্রেনে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা নোংরা পানি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, বর্জ্য অপসারণে দুর্বলতা এবং নিয়মিত ফগিং না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে জি এম এ জি ওসমানী হলে শিক্ষার্থীরা জানান, রুমগুলোতে অতিরিক্ত ভিড় এবং অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা ডেঙ্গু সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলছে। এখানে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হয়েছেন।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম হলের শিক্ষার্থীরাও একই সমস্যার কথা জানিয়েছেন। হলের আশপাশে জমে থাকা আবর্জনা, মাঠের পাশে নোংরা স্তূপ এবং অনিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কারণে মশা জন্মানোর উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ফলে সন্ধ্যার পর থেকে রিডিং রুম এবং আবাসিক কক্ষগুলোতে মশার উপদ্রব বেড়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে।

আরোও পড়ুন – বুটেক্সের চারটি আবাসিক হলে নতুন প্রভোস্ট নিয়োগ

শহীদ আজিজ হলেও পরিস্থিতি খুব একটা ভিন্ন নয়। সেখানে একজন শিক্ষার্থীর ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার পর হল প্রশাসন অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে। দ্রুত ফগিং ব্যবস্থা জোরদার করা, পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং সম্ভাব্য স্থবির পানির উৎস অপসারণের উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা চলছে।

হল প্রশাসনের দাবি, ডেঙ্গু পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, লার্ভিসাইড প্রয়োগ, ফগিং এবং মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। তবে শিক্ষার্থীরা মনে করেন, এসব কার্যক্রম নিয়মিত এবং ফলপ্রসূ না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রভাব দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো বুটেক্স ক্যাম্পাসেও অনুভূত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আবাসিক হলগুলোতে ডেঙ্গুর সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে।