আমীরে জামায়াত ও বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধি দলের সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক, আলোচনায় অর্থনীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা

সেলিম মাহবুবঃ

১৮ নভেম্বর সকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকাস্থ আঞ্চলিক অফিসের এক প্রতিনিধি দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বসুন্ধরায় আমীরে জামায়াতের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দলটির সর্বোচ্চ নেতৃত্ব ও বিশ্বব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন। পুরো বৈঠকটি সৌহার্দ্যপূর্ণ, পেশাদার এবং বাস্তবভিত্তিক আলোচনায় পরিপূর্ণ ছিল, যেখানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামোসহ সামগ্রিক উন্নয়ন অগ্রগতি নিয়ে বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

বিশ্বব্যাংকের আঞ্চলিক পরিচালক মি. জঁ ডেনিস পেসমে প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সংস্থাটির ঢাকা ডিভিশনের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মিস মেহরিন এ. মাহবুব এবং অপারেশন ম্যানেজার এমএস গায়েল মার্টিন। তারা বাংলাদেশে চলমান উন্নয়ন প্রকল্প, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিষয়ে বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেন। বৈঠকে আমীরে জামায়াতের পক্ষ থেকে দেশের অর্থনীতির ওপর বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার দিকও আলোচিত হয়, যা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতিকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হতে পারে।

এই আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. মিজানুর রহমান, সাবেক সিনিয়র সচিব মুহাম্মাদ সফিউল্লাহ এবং আমীরে জামায়াতের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান। তাঁরা বাংলাদেশের আর্থিক খাত, অবকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা, করব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং সামাজিক খাতের শক্তিশালীকরণের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য স্বচ্ছ নীতি, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থার গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা হয়।

আরোও পড়ুন – বাংলাদেশ ব্যাংক: অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা

বৈঠকে আর্থিক খাতের ভেতরের দুর্বলতা, সরকারি কাঠামোর জটিলতা, বৈদেশিক বিনিয়োগ, তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলার কৌশল নিয়েও আলোচনা করা হয়। প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য হ্রাসে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কর্মসূচির ভূমিকা তুলে ধরে। পাশাপাশি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও মতবিনিময় হয়।

সামগ্রিকভাবে উভয় পক্ষের আলোচনায় বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন সম্ভাবনা আরও সুদৃঢ় করার ব্যাপারে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পায়। বৈঠকটি দেশের অর্থনৈতিক পদক্ষেপগুলোকে আরও কার্যকর করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

আমীরে জামায়াত ও বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধি দলের সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক, আলোচনায় অর্থনীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা

নভেম্বর ১৮, ২০২৫

সেলিম মাহবুবঃ

১৮ নভেম্বর সকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকাস্থ আঞ্চলিক অফিসের এক প্রতিনিধি দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বসুন্ধরায় আমীরে জামায়াতের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দলটির সর্বোচ্চ নেতৃত্ব ও বিশ্বব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন। পুরো বৈঠকটি সৌহার্দ্যপূর্ণ, পেশাদার এবং বাস্তবভিত্তিক আলোচনায় পরিপূর্ণ ছিল, যেখানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামোসহ সামগ্রিক উন্নয়ন অগ্রগতি নিয়ে বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

বিশ্বব্যাংকের আঞ্চলিক পরিচালক মি. জঁ ডেনিস পেসমে প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সংস্থাটির ঢাকা ডিভিশনের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মিস মেহরিন এ. মাহবুব এবং অপারেশন ম্যানেজার এমএস গায়েল মার্টিন। তারা বাংলাদেশে চলমান উন্নয়ন প্রকল্প, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিষয়ে বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেন। বৈঠকে আমীরে জামায়াতের পক্ষ থেকে দেশের অর্থনীতির ওপর বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার দিকও আলোচিত হয়, যা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতিকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হতে পারে।

এই আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. মিজানুর রহমান, সাবেক সিনিয়র সচিব মুহাম্মাদ সফিউল্লাহ এবং আমীরে জামায়াতের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান। তাঁরা বাংলাদেশের আর্থিক খাত, অবকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা, করব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং সামাজিক খাতের শক্তিশালীকরণের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য স্বচ্ছ নীতি, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থার গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা হয়।

আরোও পড়ুন – বাংলাদেশ ব্যাংক: অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা

বৈঠকে আর্থিক খাতের ভেতরের দুর্বলতা, সরকারি কাঠামোর জটিলতা, বৈদেশিক বিনিয়োগ, তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলার কৌশল নিয়েও আলোচনা করা হয়। প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য হ্রাসে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কর্মসূচির ভূমিকা তুলে ধরে। পাশাপাশি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও মতবিনিময় হয়।

সামগ্রিকভাবে উভয় পক্ষের আলোচনায় বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন সম্ভাবনা আরও সুদৃঢ় করার ব্যাপারে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পায়। বৈঠকটি দেশের অর্থনৈতিক পদক্ষেপগুলোকে আরও কার্যকর করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।