সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গঃ
কলকাতার হাজরা মোড়ে আজ বৃহস্পতিবার প্রাণিসম্পদ বিকাশ কর্মীদের কালীঘাট অভিযানের ডাককে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সকাল থেকেই এলাকার পরিবেশ থমথমে হয়ে ওঠে যখন প্রাণিসম্পদ বিকাশ কর্মী অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে কয়েকশো কর্মী হাজরা মোড়ে জড়ো হন। তাদের দাবি ছিল, সংগঠনের বিভিন্ন সমস্যা ও বকেয়া বিষয় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের সুযোগ করে দিতে হবে। বহুদিন ধরেই তারা এই সাক্ষাতের অপেক্ষায় ছিলেন, তাই আজকের অভিযানে কর্মীদের উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত বেশি।
হাজরা মোড় থেকে কালীঘাটের দিকে যাত্রা শুরু করার আগেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোড়ের রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেওয়া হয়। ব্যারিকেডের সামনে দাঁড়িয়ে বিকাশ কর্মীরা প্রাথমিকভাবে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যেতে থাকেন। তারা জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ না হওয়া পর্যন্ত তারা অভিযান স্থগিত করবেন না। এতে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।
প্রশাসন কর্মীদের সরে যাওয়ার জন্য এক ঘণ্টার সময়সীমা ঘোষণা করে। নির্ধারিত সময় শেষ হলেও কর্মীরা সরে না গিয়ে ব্যারিকেড তুলে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এই অবস্থায় পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ব্যারিকেডের কাছে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করেন। কিছুক্ষণ পর শুরু হয় গ্রেপ্তার অভিযান। কর্মীদের মুখে প্রতিবাদের স্লোগান শুনতে পাওয়া যায় এবং তারা অভিযোগ করেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তারা তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। কর্মীদের অনেকেই বলেন, তারা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন সৎভাবে, অথচ তাদের ন্যায়সঙ্গত দাবি বারবার উপেক্ষিত হচ্ছে।
আরোও পড়ুন – ভবানীপুরে ইউনাইটেড ইউথ ফোরামের ২৪তম কার্তিক পুজো উদ্বোধন, উজ্জ্বল থিমে দর্শকদের ভিড়
গ্রেপ্তারের সময় বহু কর্মী চিৎকার করে জানান যে, তাদের দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে। তারা আরও বলেন যে, সংগঠনের প্রতিশ্রুত কথা রেখেও মুখ্যমন্ত্রী তাদের সঙ্গে দেখা করছেন না। গ্রেপ্তার হওয়া কর্মীদের কয়েকটি প্রিজন ভ্যান এবং একটি বড় বাসে করে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। একই সঙ্গে হাজরা মোড়ের আশপাশের এলাকা সম্পূর্ণভাবে যানচলাচলের জন্য বন্ধ হয়ে যায়, ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও বাড়ে।
দিনের শেষদিকে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও কর্মীদের ক্ষোভ এবং বঞ্চনার কথাগুলো আন্দোলনের ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশ করে। এ ঘটনার জেরে হাজরা ও কালীঘাট এলাকায় টানা কয়েক ঘণ্টা অচলাবস্থা তৈরি হয়, যা কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ অংশে স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে।
হাজরা মোড়ে কালীঘাট অভিযানে প্রাণিসম্পদ বিকাশ কর্মীদের গ্রেপ্তার, উত্তপ্ত পরিস্থিতি ঘিরে বিশৃঙ্খলা
সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গঃ
কলকাতার হাজরা মোড়ে আজ বৃহস্পতিবার প্রাণিসম্পদ বিকাশ কর্মীদের কালীঘাট অভিযানের ডাককে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সকাল থেকেই এলাকার পরিবেশ থমথমে হয়ে ওঠে যখন প্রাণিসম্পদ বিকাশ কর্মী অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে কয়েকশো কর্মী হাজরা মোড়ে জড়ো হন। তাদের দাবি ছিল, সংগঠনের বিভিন্ন সমস্যা ও বকেয়া বিষয় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের সুযোগ করে দিতে হবে। বহুদিন ধরেই তারা এই সাক্ষাতের অপেক্ষায় ছিলেন, তাই আজকের অভিযানে কর্মীদের উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত বেশি।
হাজরা মোড় থেকে কালীঘাটের দিকে যাত্রা শুরু করার আগেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোড়ের রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেওয়া হয়। ব্যারিকেডের সামনে দাঁড়িয়ে বিকাশ কর্মীরা প্রাথমিকভাবে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যেতে থাকেন। তারা জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ না হওয়া পর্যন্ত তারা অভিযান স্থগিত করবেন না। এতে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।
প্রশাসন কর্মীদের সরে যাওয়ার জন্য এক ঘণ্টার সময়সীমা ঘোষণা করে। নির্ধারিত সময় শেষ হলেও কর্মীরা সরে না গিয়ে ব্যারিকেড তুলে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এই অবস্থায় পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ব্যারিকেডের কাছে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করেন। কিছুক্ষণ পর শুরু হয় গ্রেপ্তার অভিযান। কর্মীদের মুখে প্রতিবাদের স্লোগান শুনতে পাওয়া যায় এবং তারা অভিযোগ করেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তারা তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। কর্মীদের অনেকেই বলেন, তারা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন সৎভাবে, অথচ তাদের ন্যায়সঙ্গত দাবি বারবার উপেক্ষিত হচ্ছে।
আরোও পড়ুন – ভবানীপুরে ইউনাইটেড ইউথ ফোরামের ২৪তম কার্তিক পুজো উদ্বোধন, উজ্জ্বল থিমে দর্শকদের ভিড়
গ্রেপ্তারের সময় বহু কর্মী চিৎকার করে জানান যে, তাদের দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে। তারা আরও বলেন যে, সংগঠনের প্রতিশ্রুত কথা রেখেও মুখ্যমন্ত্রী তাদের সঙ্গে দেখা করছেন না। গ্রেপ্তার হওয়া কর্মীদের কয়েকটি প্রিজন ভ্যান এবং একটি বড় বাসে করে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। একই সঙ্গে হাজরা মোড়ের আশপাশের এলাকা সম্পূর্ণভাবে যানচলাচলের জন্য বন্ধ হয়ে যায়, ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও বাড়ে।
দিনের শেষদিকে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও কর্মীদের ক্ষোভ এবং বঞ্চনার কথাগুলো আন্দোলনের ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশ করে। এ ঘটনার জেরে হাজরা ও কালীঘাট এলাকায় টানা কয়েক ঘণ্টা অচলাবস্থা তৈরি হয়, যা কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ অংশে স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে।