সেলিম মাহবুবঃ
সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন, হামলা, মিথ্যা মামলা এবং বিচারহীনতার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে চলমান উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি আয়োজন করেছে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি (এমআরইউ)। শুক্রবার ২১ নভেম্বর বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা একত্রিত হয়ে সাংবাদিক নিরাপত্তা ও অধিকার সুরক্ষার দাবিতে দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেন।
কর্মসূচিতে সংগঠনের আহ্বায়ক শাহরিয়ার নাঈম বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের বাস্তব চিত্র মানুষের সামনে তুলে ধরেন এবং জনগণের অধিকার রক্ষার স্বার্থে নিরলসভাবে কাজ করেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, হুমকি এবং হয়রানিমূলক মামলার মাধ্যমে তাদের পেশাগত স্বাধীনতা সীমিত করার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তা উদ্বেগের বিষয়। তিনি জানান, সাংবাদিকদের ওপর সংঘটিত প্রতিটি হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত না হলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হবে এবং সমাজের সত্য প্রকাশ ব্যাহত হবে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের পেশাগত অধিকার রক্ষা করা।
যুগ্ম আহ্বায়ক সোহাগ খান বলেন, সম্প্রতি যেসব হামলা ও মিথ্যা মামলা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে, তা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। তিনি বলেন, সাংবাদিকরা তাদের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত নানা চাপের মুখে থাকেন। সহিংসতা ও হয়রানি বন্ধ না হলে পেশাগত নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে। তাই সাংবাদিকদের ওপর সকল হামলার দ্রুত বিচার এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
আরোও পড়ুন – নারায়ণগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি: আদালতে মামলা, অভিযুক্ত ৮ জনের মধ্যে কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীও
এছাড়া মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির মিসবাহ উদ্দিন, ইয়াসিন আরাফাত, রাতুল, আরাফাত হিমেল, সাগর, সুজন, মাহবুব আলম, আবির, জাকির, রনি, আসিফ, মনির, আলমগীর ও বাপ্পি কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করেন। বক্তারা বলেন, সাংবাদিকরা দেশ ও সমাজের মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করেন। সেই কারণে তাদের নিরাপত্তাহীনতা সমগ্র সমাজকেই নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় সমাজের সব শ্রেণির মানুষের দায়িত্ব রয়েছে।
বক্তারা আরও জানান, সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত এমআরইউ তার আন্দোলন চালিয়ে যাবে। তারা আশা প্রকাশ করেন যে সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।
কর্মসূচিতে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য ছাড়াও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশ নেন।
সাংবাদিক নিরাপত্তা ও অধিকার সুরক্ষায় এমআরইউ’র বিক্ষোভ–মানববন্ধন রাজধানীতে
সেলিম মাহবুবঃ
সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন, হামলা, মিথ্যা মামলা এবং বিচারহীনতার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে চলমান উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি আয়োজন করেছে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি (এমআরইউ)। শুক্রবার ২১ নভেম্বর বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা একত্রিত হয়ে সাংবাদিক নিরাপত্তা ও অধিকার সুরক্ষার দাবিতে দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেন।
কর্মসূচিতে সংগঠনের আহ্বায়ক শাহরিয়ার নাঈম বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের বাস্তব চিত্র মানুষের সামনে তুলে ধরেন এবং জনগণের অধিকার রক্ষার স্বার্থে নিরলসভাবে কাজ করেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, হুমকি এবং হয়রানিমূলক মামলার মাধ্যমে তাদের পেশাগত স্বাধীনতা সীমিত করার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তা উদ্বেগের বিষয়। তিনি জানান, সাংবাদিকদের ওপর সংঘটিত প্রতিটি হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত না হলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হবে এবং সমাজের সত্য প্রকাশ ব্যাহত হবে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের পেশাগত অধিকার রক্ষা করা।
যুগ্ম আহ্বায়ক সোহাগ খান বলেন, সম্প্রতি যেসব হামলা ও মিথ্যা মামলা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে, তা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। তিনি বলেন, সাংবাদিকরা তাদের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত নানা চাপের মুখে থাকেন। সহিংসতা ও হয়রানি বন্ধ না হলে পেশাগত নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে। তাই সাংবাদিকদের ওপর সকল হামলার দ্রুত বিচার এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
আরোও পড়ুন – নারায়ণগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি: আদালতে মামলা, অভিযুক্ত ৮ জনের মধ্যে কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীও
এছাড়া মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির মিসবাহ উদ্দিন, ইয়াসিন আরাফাত, রাতুল, আরাফাত হিমেল, সাগর, সুজন, মাহবুব আলম, আবির, জাকির, রনি, আসিফ, মনির, আলমগীর ও বাপ্পি কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করেন। বক্তারা বলেন, সাংবাদিকরা দেশ ও সমাজের মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করেন। সেই কারণে তাদের নিরাপত্তাহীনতা সমগ্র সমাজকেই নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় সমাজের সব শ্রেণির মানুষের দায়িত্ব রয়েছে।
বক্তারা আরও জানান, সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত এমআরইউ তার আন্দোলন চালিয়ে যাবে। তারা আশা প্রকাশ করেন যে সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।
কর্মসূচিতে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য ছাড়াও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশ নেন।