মুজাহিদ হোসেন, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
নওগাঁয় বিরল শারীরিক গঠনের এক নবজাতকের জন্মের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জেলা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে বৃহস্পতিবার দুপুরে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে জন্ম নেয় অস্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যযুক্ত এ নবজাতক। জন্মের সময় শিশুটির শরীরে দুইটি মাথা এবং তিনটি হাত ছিল, যা মানবদেহের স্বাভাবিক গঠন থেকে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী। জন্মের কিছুক্ষণ পরই শিশুটির অবস্থার অবনতি হতে থাকলে চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালান, কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই শিশুটির মৃত্যু হয়।
শিশুটির পরিবার নওগাঁ সদর উপজেলার চকপ্রসাদ এলাকার বাসিন্দা। মা আরিফা বেগমের পেটে বেড়ে ওঠা এই শিশুটি জন্মের পর হাসপাতালের চিকিৎসক এবং উপস্থিত স্বজনদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করে। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, শিশুটির শরীরে বিরল ধরনের শারীরিক বিকৃতি ছিল, যা সাধারণত ভ্রূণের বৃদ্ধি প্রক্রিয়ার জটিলতার ফলে দেখা দিতে পারে। জন্মের পরপরই শ্বাসকষ্ট ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অতিরিক্ত চাপের কারণে নবজাতকের শারীরিক অবস্থা দ্রুত সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশুটিকে জন্মের পরই বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। কিন্তু রক্ত সঞ্চালন, শ্বাসক্রিয়া ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গসমূহের কার্যক্ষমতা স্থিতিশীল না থাকায় তার মৃত্যু অনিবার্য হয়ে পড়ে। মৃত্যুর পর নবজাতকের মরদেহ বাবা মো. রকি বাড়িতে নিয়ে যান। শিশুটির মা আরিফা বেগম বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।
ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা হাসপাতালে ভিড় করেন। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের বিরল শারীরিক গঠনের শিশুর জন্ম বিশ্বব্যাপী খুবই কম দেখা যায়। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটিকে সাধারণত জিনগত বিভ্রাট বা ভ্রূণ বিভাজনজনিত জটিলতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এমন অস্বাভাবিক শিশুর জন্ম তাদের জন্য মানসিকভাবে অত্যন্ত কষ্টদায়ক ও দুঃখজনক।
নবজাতকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। যদিও শিশুটির জীবন মাত্র এক ঘণ্টা স্থায়ী হয়, তবুও তার জন্ম পুরো অঞ্চলে বিরল ঘটনার নজির হয়ে থাকবে।
নওগাঁয় বিরল শারীরিক গঠনের নবজাতকের জন্ম, চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক ঘণ্টায় মৃত্যু
মুজাহিদ হোসেন, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
নওগাঁয় বিরল শারীরিক গঠনের এক নবজাতকের জন্মের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জেলা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে বৃহস্পতিবার দুপুরে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে জন্ম নেয় অস্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যযুক্ত এ নবজাতক। জন্মের সময় শিশুটির শরীরে দুইটি মাথা এবং তিনটি হাত ছিল, যা মানবদেহের স্বাভাবিক গঠন থেকে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী। জন্মের কিছুক্ষণ পরই শিশুটির অবস্থার অবনতি হতে থাকলে চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালান, কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই শিশুটির মৃত্যু হয়।
শিশুটির পরিবার নওগাঁ সদর উপজেলার চকপ্রসাদ এলাকার বাসিন্দা। মা আরিফা বেগমের পেটে বেড়ে ওঠা এই শিশুটি জন্মের পর হাসপাতালের চিকিৎসক এবং উপস্থিত স্বজনদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করে। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, শিশুটির শরীরে বিরল ধরনের শারীরিক বিকৃতি ছিল, যা সাধারণত ভ্রূণের বৃদ্ধি প্রক্রিয়ার জটিলতার ফলে দেখা দিতে পারে। জন্মের পরপরই শ্বাসকষ্ট ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অতিরিক্ত চাপের কারণে নবজাতকের শারীরিক অবস্থা দ্রুত সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশুটিকে জন্মের পরই বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। কিন্তু রক্ত সঞ্চালন, শ্বাসক্রিয়া ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গসমূহের কার্যক্ষমতা স্থিতিশীল না থাকায় তার মৃত্যু অনিবার্য হয়ে পড়ে। মৃত্যুর পর নবজাতকের মরদেহ বাবা মো. রকি বাড়িতে নিয়ে যান। শিশুটির মা আরিফা বেগম বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।
ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা হাসপাতালে ভিড় করেন। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের বিরল শারীরিক গঠনের শিশুর জন্ম বিশ্বব্যাপী খুবই কম দেখা যায়। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটিকে সাধারণত জিনগত বিভ্রাট বা ভ্রূণ বিভাজনজনিত জটিলতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এমন অস্বাভাবিক শিশুর জন্ম তাদের জন্য মানসিকভাবে অত্যন্ত কষ্টদায়ক ও দুঃখজনক।
নবজাতকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। যদিও শিশুটির জীবন মাত্র এক ঘণ্টা স্থায়ী হয়, তবুও তার জন্ম পুরো অঞ্চলে বিরল ঘটনার নজির হয়ে থাকবে।