প্রতিবেদক: সেলিম মাহবুব
বরিশালের ঐতিহাসিক চরমোনাই ময়দানে ওয়াজ মাহফিলে উপস্থিত হয়ে ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, ধর্মের অপব্যাখ্যা কিংবা উসকানিমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে দেশে অস্থিরতা তৈরির কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ধর্মীয় ব্যাখ্যা দেওয়ার অধিকার কেবল প্রকৃত আলেম-ওলামাদের, এবং কোনো ধরনের বিকৃত ব্যাখ্যা সমাজে গ্রহণযোগ্য হবে না।
ওয়াজ মাহফিলের মূল বয়ানে উপদেষ্টা জানান, অতীতে যারা ধর্ম নিয়ে উসকানিমূলক মন্তব্য করেছে কিংবা কটূক্তি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি হুঁশিয়ার করেন, ভবিষ্যতেও কোরআন, হাদিস, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে নিয়ে অবমাননাকর কোনো বক্তব্য এ দেশের মানুষের সহ্য করা হবে না এবং প্রশাসন যথারীতি আইন প্রয়োগ করবে।
তিনি আরো বলেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে সমাজে সহিংসতা বাড়ে এবং স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অন্যায় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগলে প্রশাসন আছে বিচার করার জন্য। তাই সকলকে ধৈর্য, সহনশীলতা ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে প্রতিটি বিষয়ে সংযত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আলেম-ওলামাদের দীর্ঘ দিনের মেহনত ও ত্যাগের কথা স্মরণ করে উপদেষ্টা বলেন, ইসলামি মূল্যবোধ দেশজুড়ে প্রতিষ্ঠিত করতে তারা যুগ যুগ ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। এই মেহনত কখনো ব্যর্থ হয়নি, ভবিষ্যতেও ব্যর্থ হবে না।
চরমোনাইয়ের ধর্মীয় ঐতিহ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এই মাঠে মানুষ আসে দ্বীনের খোরাক নিতে। এখানে শিরক বা বিদআতের কোনো চর্চা নেই; সব কিছুই সুন্নাহর অনুসরণে পরিচালিত হয়। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ সত্যিকার ইসলাম জানতে আগ্রহী এবং তাদের হৃদয়ে সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভীতি রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
দেশে রাজনৈতিক স্থিতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে তিনি ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, অর্ধশতাব্দী পর পাওয়া সুযোগকে কাজে লাগাতে হলে সবাইকে হাত ধরে এগোতে হবে। খোলাফায়ে রাশেদীনের আদলে কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে সবার সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ পরিবেশ তৈরিতে সকলের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
চরমোনাই দরবার শরীফের পীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ওলামা-মাশায়েখ পরিষদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।
এর আগে উপদেষ্টা চরমোনাই মাদ্রাসার সভাকক্ষে বরিশাল বিভাগের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
ধর্মের অপব্যাখ্যা রোধে কঠোর অবস্থান: চরমোনাই মাহফিলে ধর্ম উপদেষ্টার বার্তা
প্রতিবেদক: সেলিম মাহবুব
বরিশালের ঐতিহাসিক চরমোনাই ময়দানে ওয়াজ মাহফিলে উপস্থিত হয়ে ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, ধর্মের অপব্যাখ্যা কিংবা উসকানিমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে দেশে অস্থিরতা তৈরির কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ধর্মীয় ব্যাখ্যা দেওয়ার অধিকার কেবল প্রকৃত আলেম-ওলামাদের, এবং কোনো ধরনের বিকৃত ব্যাখ্যা সমাজে গ্রহণযোগ্য হবে না।
ওয়াজ মাহফিলের মূল বয়ানে উপদেষ্টা জানান, অতীতে যারা ধর্ম নিয়ে উসকানিমূলক মন্তব্য করেছে কিংবা কটূক্তি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি হুঁশিয়ার করেন, ভবিষ্যতেও কোরআন, হাদিস, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে নিয়ে অবমাননাকর কোনো বক্তব্য এ দেশের মানুষের সহ্য করা হবে না এবং প্রশাসন যথারীতি আইন প্রয়োগ করবে।
তিনি আরো বলেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে সমাজে সহিংসতা বাড়ে এবং স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অন্যায় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগলে প্রশাসন আছে বিচার করার জন্য। তাই সকলকে ধৈর্য, সহনশীলতা ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে প্রতিটি বিষয়ে সংযত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আলেম-ওলামাদের দীর্ঘ দিনের মেহনত ও ত্যাগের কথা স্মরণ করে উপদেষ্টা বলেন, ইসলামি মূল্যবোধ দেশজুড়ে প্রতিষ্ঠিত করতে তারা যুগ যুগ ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। এই মেহনত কখনো ব্যর্থ হয়নি, ভবিষ্যতেও ব্যর্থ হবে না।
চরমোনাইয়ের ধর্মীয় ঐতিহ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এই মাঠে মানুষ আসে দ্বীনের খোরাক নিতে। এখানে শিরক বা বিদআতের কোনো চর্চা নেই; সব কিছুই সুন্নাহর অনুসরণে পরিচালিত হয়। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ সত্যিকার ইসলাম জানতে আগ্রহী এবং তাদের হৃদয়ে সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভীতি রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
দেশে রাজনৈতিক স্থিতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে তিনি ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, অর্ধশতাব্দী পর পাওয়া সুযোগকে কাজে লাগাতে হলে সবাইকে হাত ধরে এগোতে হবে। খোলাফায়ে রাশেদীনের আদলে কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে সবার সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ পরিবেশ তৈরিতে সকলের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
চরমোনাই দরবার শরীফের পীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ওলামা-মাশায়েখ পরিষদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।
এর আগে উপদেষ্টা চরমোনাই মাদ্রাসার সভাকক্ষে বরিশাল বিভাগের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।