শাহরিয়ার শাকিল, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃ
বড়লেখা উপজেলায় আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ এবং প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হলো ‘বড়লেখা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫’। উপজেলা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা ৪১টি কিন্ডারগার্টেন প্রতিষ্ঠানের মোট ২৬৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয় এ বৃত্তি পরীক্ষায়। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় একই সঙ্গে দুইটি ভেন্যু— শিশু শিক্ষা একাডেমি ও হাই টেক ইসলামিক একাডেমিতে পরীক্ষাটি আয়োজন করা হয়।
সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ পরীক্ষা গ্রহণ নিশ্চিত করতে শিশু শিক্ষা একাডেমির সিনিয়র সহকারী শিক্ষক আব্দুল হক পরীক্ষার নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরীক্ষার সার্বিক সমন্বয়ে ছিলেন এসোসিয়েশনের সভাপতি তপন চৌধুরী ও সদস্য সচিব রুয়েল আহমদ। সকাল থেকে অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা কেন্দ্রগুলোতে উপস্থিত হয়ে পুরো এলাকাজুড়ে উৎসবমুখরতা তৈরি করেন।
অভিভাবকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সংখ্যা কমে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার আগ্রহ কিছুটা কমে গিয়েছিল। এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় নতুন উদ্দীপনা যোগ করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তারা মনে করেন, এ ধরনের বৃত্তি পরীক্ষা প্রতিবছর নিয়মিত আয়োজন করলে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার প্রতি আরও মনোযোগী হবে।
পরীক্ষার কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মঞ্জু লাল দে, বড়লেখা জামায়াতের সাবেক আমির এমাদুল ইসলাম, বড়লেখা প্রেসক্লাব সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, শিশু শিক্ষা একাডেমির সভাপতি ও প্রেসক্লাব সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান, বড়লেখা মোহাম্মদীয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক তারেক আহমদ, ব্যবসায়ী ও শিশু শিক্ষা একাডেমি পরিচালনা কমিটির অর্থ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম পারুলসহ স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
আয়োজক কমিটির মতে, এই মেধাবৃত্তি পরীক্ষা কোনো অনুদানভিত্তিক নয়; বরং সম্পূর্ণ এসোসিয়েশনের নিজস্ব অর্থায়নে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এবং সংরক্ষণে সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়। তারা জানান, ভবিষ্যতে কোনো দাতা বা শিক্ষানুরাগী সহযোগিতা করলে তাঁদের সম্মানেও বিশেষ বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব হবে।
পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরীক্ষার ফল শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে এবং এ উদ্যোগ ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে বজায় থাকবে।
বড়লেখায় দুই কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হলো মেধাবৃত্তি পরীক্ষা
শাহরিয়ার শাকিল, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃ
বড়লেখা উপজেলায় আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ এবং প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হলো ‘বড়লেখা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫’। উপজেলা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা ৪১টি কিন্ডারগার্টেন প্রতিষ্ঠানের মোট ২৬৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয় এ বৃত্তি পরীক্ষায়। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় একই সঙ্গে দুইটি ভেন্যু— শিশু শিক্ষা একাডেমি ও হাই টেক ইসলামিক একাডেমিতে পরীক্ষাটি আয়োজন করা হয়।
সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ পরীক্ষা গ্রহণ নিশ্চিত করতে শিশু শিক্ষা একাডেমির সিনিয়র সহকারী শিক্ষক আব্দুল হক পরীক্ষার নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরীক্ষার সার্বিক সমন্বয়ে ছিলেন এসোসিয়েশনের সভাপতি তপন চৌধুরী ও সদস্য সচিব রুয়েল আহমদ। সকাল থেকে অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা কেন্দ্রগুলোতে উপস্থিত হয়ে পুরো এলাকাজুড়ে উৎসবমুখরতা তৈরি করেন।
অভিভাবকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সংখ্যা কমে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার আগ্রহ কিছুটা কমে গিয়েছিল। এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় নতুন উদ্দীপনা যোগ করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তারা মনে করেন, এ ধরনের বৃত্তি পরীক্ষা প্রতিবছর নিয়মিত আয়োজন করলে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার প্রতি আরও মনোযোগী হবে।
পরীক্ষার কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মঞ্জু লাল দে, বড়লেখা জামায়াতের সাবেক আমির এমাদুল ইসলাম, বড়লেখা প্রেসক্লাব সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, শিশু শিক্ষা একাডেমির সভাপতি ও প্রেসক্লাব সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান, বড়লেখা মোহাম্মদীয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক তারেক আহমদ, ব্যবসায়ী ও শিশু শিক্ষা একাডেমি পরিচালনা কমিটির অর্থ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম পারুলসহ স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
আয়োজক কমিটির মতে, এই মেধাবৃত্তি পরীক্ষা কোনো অনুদানভিত্তিক নয়; বরং সম্পূর্ণ এসোসিয়েশনের নিজস্ব অর্থায়নে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এবং সংরক্ষণে সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়। তারা জানান, ভবিষ্যতে কোনো দাতা বা শিক্ষানুরাগী সহযোগিতা করলে তাঁদের সম্মানেও বিশেষ বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব হবে।
পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরীক্ষার ফল শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে এবং এ উদ্যোগ ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে বজায় থাকবে।