মুজাহিদ হোসেন, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর মহাদেবপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ মার্কেটের একটি দোকানঘর বরাদ্দকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, দোকান বরাদ্দের ক্ষেত্রে নিয়মবহির্ভূত সিদ্ধান্ত, স্বেচ্ছাচারিতা এবং পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে মসজিদ কমিটির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সর্বোচ্চ দরদাতা হয়েও দোকান না পাওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দরদাতা সৈয়দ আরাফাত আলী। তার অভিযোগ ঘিরে কমিটির মধ্যেও বিভাজন তৈরি হয়েছে, যা পুরো এলাকাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, মার্কেটের ৫ নম্বর দোকানঘরের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ১০০ টাকা দর প্রদান করেন সৈয়দ আরাফাত আলী। কিন্তু তাকে বরাদ্দ না দিয়ে পরে কম দরদাতা আদম আলী রিপন বিশ্বাসকে ডেকে নিয়ে ২০ হাজার ২০০ টাকায় দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়। ঘটনাটি জানাজানি হলে সাধারণ মানুষসহ মসজিদ কমিটির একাধিক সদস্য ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং বিষয়টি তদন্তের দাবি ওঠে।
দরদাতা সৈয়দ আরাফাত আলী জানান, দরপত্রে সর্বোচ্চ দর দেওয়ার পরও তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। পরবর্তীতে তাকে পাশ কাটিয়ে অন্য ব্যক্তিকে ডেকে বেশি দর লিখিয়ে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা তার মতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ন্যায়ের পরিপন্থী। তিনি এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জমা দিয়েছেন।
মসজিদ কমিটির বেশ কয়েকজন সদস্য জানান, দোকান বরাদ্দে স্বচ্ছ পদ্ধতি অনুসরণ না করায় তারা বিব্রতবোধ করছেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে সুবিধা প্রদান করা হলে মসজিদের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। তাই তারা বরাদ্দ বাতিল করে নিয়ম অনুযায়ী পুনরায় বরাদ্দ প্রক্রিয়া শুরুর দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে দোকান বরাদ্দ পাওয়া আদম আলী রিপন বিশ্বাস জানান, মৌখিক দর আহ্বানকালে তিনি ১৯ হাজার টাকা লিখেছিলেন। পরে ইউএনওর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে ২০ হাজার ২০০ টাকায় দোকানটি তার নামে বরাদ্দ হয়। তিনি একসময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন জানালেও বর্তমানে সংগঠনে সক্রিয় নন বলে দাবি করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মসজিদ কমিটির সভাপতি আরিফুজ্জামান বলেন, মসজিদ সরকারি প্রতিষ্ঠান নয় এবং সর্বোচ্চ দরদাতাকেই দিতে হবে এমন বাধ্যবাধকতা নেই। কমিটির সমর্থনেই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনাকে ঘিরে মহাদেবপুরে চলছে জোর আলোচনা-সমালোচনা। অনেকের মতে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বাজার ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম দেখা দিলে তা সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই তারা দ্রুত তদন্ত ও স্বচ্ছতার দাবি জানিয়েছেন।
মহাদেবপুর জামে মসজিদ মার্কেটে দোকান বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে তোলপাড়
মুজাহিদ হোসেন, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর মহাদেবপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ মার্কেটের একটি দোকানঘর বরাদ্দকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, দোকান বরাদ্দের ক্ষেত্রে নিয়মবহির্ভূত সিদ্ধান্ত, স্বেচ্ছাচারিতা এবং পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে মসজিদ কমিটির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সর্বোচ্চ দরদাতা হয়েও দোকান না পাওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দরদাতা সৈয়দ আরাফাত আলী। তার অভিযোগ ঘিরে কমিটির মধ্যেও বিভাজন তৈরি হয়েছে, যা পুরো এলাকাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, মার্কেটের ৫ নম্বর দোকানঘরের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ১০০ টাকা দর প্রদান করেন সৈয়দ আরাফাত আলী। কিন্তু তাকে বরাদ্দ না দিয়ে পরে কম দরদাতা আদম আলী রিপন বিশ্বাসকে ডেকে নিয়ে ২০ হাজার ২০০ টাকায় দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়। ঘটনাটি জানাজানি হলে সাধারণ মানুষসহ মসজিদ কমিটির একাধিক সদস্য ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং বিষয়টি তদন্তের দাবি ওঠে।
দরদাতা সৈয়দ আরাফাত আলী জানান, দরপত্রে সর্বোচ্চ দর দেওয়ার পরও তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। পরবর্তীতে তাকে পাশ কাটিয়ে অন্য ব্যক্তিকে ডেকে বেশি দর লিখিয়ে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা তার মতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ন্যায়ের পরিপন্থী। তিনি এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জমা দিয়েছেন।
মসজিদ কমিটির বেশ কয়েকজন সদস্য জানান, দোকান বরাদ্দে স্বচ্ছ পদ্ধতি অনুসরণ না করায় তারা বিব্রতবোধ করছেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে সুবিধা প্রদান করা হলে মসজিদের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। তাই তারা বরাদ্দ বাতিল করে নিয়ম অনুযায়ী পুনরায় বরাদ্দ প্রক্রিয়া শুরুর দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে দোকান বরাদ্দ পাওয়া আদম আলী রিপন বিশ্বাস জানান, মৌখিক দর আহ্বানকালে তিনি ১৯ হাজার টাকা লিখেছিলেন। পরে ইউএনওর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে ২০ হাজার ২০০ টাকায় দোকানটি তার নামে বরাদ্দ হয়। তিনি একসময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন জানালেও বর্তমানে সংগঠনে সক্রিয় নন বলে দাবি করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মসজিদ কমিটির সভাপতি আরিফুজ্জামান বলেন, মসজিদ সরকারি প্রতিষ্ঠান নয় এবং সর্বোচ্চ দরদাতাকেই দিতে হবে এমন বাধ্যবাধকতা নেই। কমিটির সমর্থনেই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনাকে ঘিরে মহাদেবপুরে চলছে জোর আলোচনা-সমালোচনা। অনেকের মতে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বাজার ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম দেখা দিলে তা সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই তারা দ্রুত তদন্ত ও স্বচ্ছতার দাবি জানিয়েছেন।