নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
রাজধানীর উত্তরা এলাকায় একটি খাবার হোটেলে চাঁদা দাবির অভিযোগকে কেন্দ্র করে কথিত এক সাংবাদিককে স্থানীয় জনতা আটক করে মারধর করেছে। এ ঘটনাকে ঘিরে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।
ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার বিকেল নাগাদ। স্থানীয় সূত্র জানায়, মাসুদ পারভেজ নামের এক ব্যক্তি উত্তরার একটি জনপ্রিয় খাবার হোটেলে উপস্থিত হয়ে নিজেকে উত্তরা প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেন। এ সময় তিনি হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। দাবি পূরণ না হলে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করা হয় বলেও হোটেল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর আশপাশের লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে জনতা ওই ব্যক্তিকে ঘিরে ধরে এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে তাকে মারধর করা হয়। মুহূর্তের মধ্যেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে হেফাজতে নেয়।
পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাসুদ পারভেজ একজন ছাত্র হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তার বিরুদ্ধে এর আগেও চাঁদাবাজি, প্রতারণা এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ সংক্রান্ত তথ্য পুলিশের কাছে রয়েছে। যদিও তিনি নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন, তবে ঘটনাস্থল থেকে তার কাছে কোনো বৈধ সাংবাদিক পরিচয়পত্র কিংবা স্বীকৃত গণমাধ্যমে কাজ করার অনুমোদন সংক্রান্ত কাগজপত্র পাওয়া যায়নি।
উত্তরা থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, ঘটনার সময় মাসুদ পারভেজের সঙ্গে চপল, মিজান ও সবুজ নামের আরও কয়েকজন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রত্যেকেই এই ঘটনার সঙ্গে কীভাবে জড়িত, সে বিষয়ে বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
থানার এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, চাঁদা দাবির অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ শেষ করে আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ভুয়া পরিচয়ে চাঁদাবাজি কিংবা সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান।
এ ঘটনার পর উত্তরা এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা দাবি করছেন, ভুয়া পরিচয়ে অপরাধ দমনে প্রশাসনের আরও কঠোর ভূমিকা প্রয়োজন। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ দোষী বা নির্দোষ—এ বিষয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করা যাবে না, তবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উত্তরা হোটেলে চাঁদা দাবির অভিযোগে ভুয়া সাংবাদিক আটক, পুলিশি তদন্ত জোরদার
নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
রাজধানীর উত্তরা এলাকায় একটি খাবার হোটেলে চাঁদা দাবির অভিযোগকে কেন্দ্র করে কথিত এক সাংবাদিককে স্থানীয় জনতা আটক করে মারধর করেছে। এ ঘটনাকে ঘিরে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।
ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার বিকেল নাগাদ। স্থানীয় সূত্র জানায়, মাসুদ পারভেজ নামের এক ব্যক্তি উত্তরার একটি জনপ্রিয় খাবার হোটেলে উপস্থিত হয়ে নিজেকে উত্তরা প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেন। এ সময় তিনি হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। দাবি পূরণ না হলে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করা হয় বলেও হোটেল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর আশপাশের লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে জনতা ওই ব্যক্তিকে ঘিরে ধরে এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে তাকে মারধর করা হয়। মুহূর্তের মধ্যেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে হেফাজতে নেয়।
পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাসুদ পারভেজ একজন ছাত্র হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তার বিরুদ্ধে এর আগেও চাঁদাবাজি, প্রতারণা এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ সংক্রান্ত তথ্য পুলিশের কাছে রয়েছে। যদিও তিনি নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন, তবে ঘটনাস্থল থেকে তার কাছে কোনো বৈধ সাংবাদিক পরিচয়পত্র কিংবা স্বীকৃত গণমাধ্যমে কাজ করার অনুমোদন সংক্রান্ত কাগজপত্র পাওয়া যায়নি।
উত্তরা থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, ঘটনার সময় মাসুদ পারভেজের সঙ্গে চপল, মিজান ও সবুজ নামের আরও কয়েকজন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রত্যেকেই এই ঘটনার সঙ্গে কীভাবে জড়িত, সে বিষয়ে বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
থানার এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, চাঁদা দাবির অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ শেষ করে আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ভুয়া পরিচয়ে চাঁদাবাজি কিংবা সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান।
এ ঘটনার পর উত্তরা এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা দাবি করছেন, ভুয়া পরিচয়ে অপরাধ দমনে প্রশাসনের আরও কঠোর ভূমিকা প্রয়োজন। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ দোষী বা নির্দোষ—এ বিষয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করা যাবে না, তবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।