মুহাম্মদ এমরান ,লামা-বান্দরবানঃ
পার্বত্য বান্দরবানের লামা উপজেলার সদর ইউনিয়ন এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনকারী মো.শাহাদাত হোসেন নামের এ যুবককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকাল ৫টার দিকে সদর ইউনিয়নের মেউলার চর এলাকার মহিউদ্দিন বুড়ার বাড়ির পাশের নদীতীরে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় মোঃ শাহাদাত হোসেন নামের এক যুবককে আটক করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের সামনে তিনি মোঃ শাহাদাত হোসেন অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার অপরাধ স্বীকার করায় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫ ধারা অনুযায়ী তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
লামা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রুবায়েত আহমেদ-এর নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। প্রশাসন জানায়, নদীভাঙন রোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জনস্বার্থে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সতর্ক করা হয়।উল্লেখ্য, অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়া, কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং পরিবেশগত ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। যা জনজীবনে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। তাই প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান।
লামায় অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে একজনকে ১৫ দিনের জেল
মুহাম্মদ এমরান ,লামা-বান্দরবানঃ
পার্বত্য বান্দরবানের লামা উপজেলার সদর ইউনিয়ন এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনকারী মো.শাহাদাত হোসেন নামের এ যুবককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকাল ৫টার দিকে সদর ইউনিয়নের মেউলার চর এলাকার মহিউদ্দিন বুড়ার বাড়ির পাশের নদীতীরে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় মোঃ শাহাদাত হোসেন নামের এক যুবককে আটক করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের সামনে তিনি মোঃ শাহাদাত হোসেন অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার অপরাধ স্বীকার করায় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫ ধারা অনুযায়ী তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
লামা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রুবায়েত আহমেদ-এর নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। প্রশাসন জানায়, নদীভাঙন রোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জনস্বার্থে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সতর্ক করা হয়।উল্লেখ্য, অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়া, কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং পরিবেশগত ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। যা জনজীবনে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। তাই প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান।